133 (you leave your)

You LEAVE your memory as a flame

to my lonely lamp of I

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

শূন্য গৃহে
Verses
       কে তুমি দিয়েছ স্নেহ মানবহৃদয়ে,
           কে তুমি দিয়েছ প্রিয়জন!
বিরহের অন্ধকারে             কে তুমি কাঁদাও তারে,
       তুমি কেন গো সাথে কর না ক্রন্দন!
       প্রাণ যাহা চায় তাহা দাও বা না দাও,
           তা বলে কি করুণা পাব না?
দুর্লভ ধনের তরে              শিশু কাঁদে সকাতরে,
       তা বলে কি জননীর বাজে না বেদনা?
       দুর্বল মানব-হিয়া বিদীর্ণ যেথায়,
           মর্মভেদী যন্ত্রণা বিষম,
জীবন নির্ভরহারা             ধুলায় লুটায়ে সারা,
       সেথাও কেন গো তব কঠিন নিয়ম।
       সেথাও জগৎ তব চিরমৌনী কেন,
           নাহি দেয় আশ্বাসের সুখ।
ছিন্ন করি অন্তরাল                   অসীম রহস্যজাল
       কেন না প্রকাশ পায় গুপ্ত স্নেহমুখ!
       ধরণী জননী কেন বলিয়া উঠে না
           --করুণমর্মর কণ্ঠস্বর--
"আমি শুধু ধূলি নই,           বৎস, আমি প্রাণময়ী
       জননী, তোদের লাগি অন্তর কাতর।
       "নহ তুমি পরিত্যক্ত অনাথ সন্তান
           চরাচর নিখিলের মাঝে;
তোমার ব্যাকুল স্বর              উঠিছে আকাশ-'পর,
       তারায় তারায় তার ব্যথা গিয়ে বাজে।"
কাল ছিল প্রাণ জুড়ে, আজ কাছে নাই--
           নিতান্ত সামান্য এ কি নাথ?
তোমার বিচিত্র ভবে               কত আছে কত হবে,
       কোথাও কি আছে প্রভু, হেন বজ্রপাত?
       আছে সেই সূর্যালোক, নাই সেই হাসি--
           আছে চাঁদ, নাই চাঁদমুখ।
শূন্য পড়ে আছে গেহ,           নাই কেহ, নাই কেহ--
       রয়েছে জীবন, নেই জীবনের সুখ।
       সেইটুকু মুখখানি, সেই দুটি হাত,
           সেই হাসি অধরের ধারে,
সে নহিলে এ জগৎ                   শুষ্ক মরুভূমিবৎ--
       নিতান্ত সামান্য এ কি এ বিশ্বব্যাপারে?
       এ আর্তস্বরের কাছে রহিবে অটুট
           চৌদিকের চিরনীরবতা?
সমস্ত মানবপ্রাণ                       বেদনায় কম্পমান
       নিয়মের লৌহবক্ষে বাজিবে না ব্যথা!
আরো দেখুন
সংযোজন - ৫
Verses
রোগীর শিয়রে রাত্রে একা ছিনু জাগি
বাহিরে দাঁড়ানু এসে ক্ষণেকের লাগি।
শান্ত মৌন নগরীর সুপ্ত হর্ম্য-শিরে
হেরিনু জ্বলিছে তারা নিস্তব্ধ তিমিরে।
ভূত ভাবী বর্তমান একটি পলকে
মিলিল বিষাদস্নিগ্ধ আনন্দপুলকে
আমার অন্তরতলে; অনির্বচনীয়
সে মুহূর্তে জীবনের যত-কিছু প্রিয়,
দুর্লভ বেদনা যত, যত গত সুখ,
অনুদ্‌গত অশ্রুবাষ্প, গীত মৌনমূক
আমার হৃদয়পাত্রে হয়ে রাশি রাশি
কী অনলে উজ্জ্বলিল। সৌরভে নিশ্বাসি
অপরূপ ধূপধূম উঠিল সুধীরে
তোমার নক্ষত্রদীপ্ত নিঃশব্দ মন্দিরে।
আরো দেখুন
স্তন
Verses
নারীর প্রাণের প্রেম মধুর কোমল,
বিকশিত যৌবনের বসন্ত সমীরে
কুসুমিত হয়ে ওই ফুটেছে বাহিরে,
সৌরভ সুধায় করে পরান পাগল।
মরমের কোমলতা তরঙ্গ তরল
উথলি উঠেছে যেন হৃদয়ের তীরে।
কী যেন বাঁশির ডাকে জগতের প্রেমে
বাহিরিয়া আসিতেছে সলাজ হৃদয়,
সহসা আলোতে এসে গেছে যেন থেমে--
শরমে মরিতে চায় অঞ্চল-আড়ালে।
প্রেমের সংগীত যেন বিকশিয়া রয়,
উঠিছে পড়িছে ধীরে হৃদয়ের তালে।
হেরো গো কমলাসন জননী লক্ষ্ণীর--
হেরো নারীহৃদয়ের পবিত্র মন্দির।
পবিত্র সুমেরু বটে এই সে হেথায়,
দেবতা বিহারভূমি কনক-অচল।
উন্নত সতীর স্তন স্বরগ প্রভায়
মানবের মর্ত্যভূমি করেছে উজ্জ্বল।
শিশু রবি হোথা হতে ওঠে সুপ্রভাতে,
শ্রান্ত রবি সন্ধ্যাবেলা হোথা অস্ত যায়।
দেবতার আঁখিতারা জেগে থাকে রাতে,
বিমল পবিত্র দুটি বিজন শিখরে।
চিরস্নেহ-উৎসধারে অমৃত নির্ঝরে
সিক্ত করি তুলিতেছে বিশ্বের অধর।
জাগে সদা সুখসুপ্ত ধরণীর 'পরে,
অসহায় জগতের অসীম নির্ভর।
ধরণীর মাঝে থাকি স্বর্গ আছে চুমি,
দেবশিশু মানবের ওই মাতৃভূমি।
আরো দেখুন