132 (man discovers his)

MAN DISCOVERS his own wealth

when God comes to ask gifts of him.

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

23
Verses
          শূন্য ছিল মন,  
নানা-কোলাহলে-ঢাকা
নানা-আনাগোনা-আঁকা
          দিনের মতন।
নানা-জনতায়-ফাঁকা
          কর্মে-অচেতন
          শূন্য ছিল মন।
জানি না কখন এল নূপুরবিহীন
        নিঃশব্দ গোধূলি।
    দেখি নাই স্বর্ণরেখা
    কী লিখিল শেষ লেখা
        দিনান্তের তুলি।
    আমি যে ছিলাম একা
        তাও ছিনু ভুলি।
        আইল গোধূলি।
হেনকালে আকাশের বিস্ময়ের মতো
        কোন্‌ স্বর্গ হতে
    চাঁদখানি লয়ে হেসে
    শুক্লসন্ধ্যা এল ভেসে
          আঁধারের স্রোতে।
    বুঝি সে আপনি মেশে
          আপন আলোতে
          এল কোথা হতে।
অকস্মাৎ বিকশিত পুষ্পের পুলকে
          তুলিলাম আঁখি।
    আর কেহ কোথা নাই,
    সে শুধু আমারি ঠাঁই
          এসেছে একাকী।
    সম্মুখে দাঁড়ালো তাই
          মোর মুখে রাখি
          অনিমেষ আঁখি।
রাজহংস এসেছিল কোন্‌ যুগান্তরে
          শুনেছি পুরাণে।
     দময়ন্তী আলবালে
     স্বর্ণঘটে জল ঢালে
           নিকুঞ্জবিতানে,
     কার কথা হেনকালে
          কহি গেল কানে--
          শুনেছি পুরাণে।
জ্যোৎস্নাসন্ধ্যা তারি মতো আকাশ বাহিয়া
          এল মোর বুকে।
  কোন্‌ দূর প্রবাসের
  লিপিখানি আছে এর
        ভাষাহীন মুখে।
  সে যে কোন্‌ উৎসুকের
        মিলনকৌতুকে
        এল মোর বুকে।
দুইখানি শুভ্র ডানা ঘেরিল আমারে
        সর্বাঙ্গে হৃদয়ে।
  স্কন্ধে মোর রাখি শির
  নিস্পন্দ রহিল স্থির
        কথাটি না কয়ে।
  কোন্‌ পদ্মবনানীর
        কোমলতা লয়ে
        পশিল হৃদয়ে?
আর কিছু বুঝি নাই,শুধু বুঝিলাম
        আছি আমি একা।
  এই শুধু জানিলাম
  জানি নাই তার নাম
        লিপি যার লেখা।
     এই শুধু বুঝিলাম
          না পাইলে দেখা
          রব আমি একা।
ব্যর্থ হয়, ব্যর্থ হয় এ দিনরজনী,
          এ মোর জীবন!
     হায় হায়, চিরদিন
     হয়ে আছে অর্থহীন
          এ বিশ্বভুবন।
     অনন্ত প্রেমের ঋণ
          করিছে বহন
          ব্যর্থ এ জীবন।
ওগো দূত দূরবাসী, ওগো বাক্যহীন,
          হে সৌম্য-সুন্দর,
     চাহি তব মুখপানে
     ভাবিতেছি মুগ্ধপ্রাণে
          কী দিব উত্তর।
     অশ্রু আসে দু নয়ানে,
          নির্বাক্‌ অন্তর,
          হে সৌম্য-সুন্দর।
আরো দেখুন
ভরা ভাদরে
Verses
নদী ভরা কূলে কূলে, খেতে ভরা ধান।
আমি ভাবিতেছি বসে কী গাহিব গান।
       কেতকী জলের ধারে
       ফুটিয়াছে ঝোপে ঝাড়ে,
       নিরাকুল ফুলভারে
                বকুল-বাগান।
কানায় কানায় পূর্ণ আমার পরান।
ঝিলিমিলি করে পাতা, ঝিকিমিকি আলো
আমি ভাবিতেছি কার আঁখিদুটি কালো।
       কদম্ব গাছের সার,
       চিকন পল্লবে তার
       গন্ধে-ভরা অন্ধকার
                হয়েছে ঘোরালো।
কারে বলিবারে চাহি কারে বাসি ভালো।
অম্লান উজ্জ্বল দিন, বৃষ্টি অবসান।
আমি ভাবিতেছি আজি কী করিব দান।
       মেঘখণ্ড থরে থরে
       উদাস বাতাস-ভরে
       নানা ঠাঁই ঘুরে মরে
               হতাশ-সমান।
সাধ যায় আপনারে করি শতখান।
দিবস অবশ যেন হয়েছে আলসে।
আমি ভাবি আর কেহ কী ভাবিছে বসে।
       তরুশাখে হেলাফেলা
       কামিনীফুলের মেলা,
       থেকে থেকে সারাবেলা
               পড়ে খ'সে খ'সে।
কী বাঁশি বাজিছে সদা প্রভাতে প্রদোষে।
পাখির প্রমোদগানে পূর্ণ বনস্থল।
আমি ভাবিতেছি চোখে কেন আসে জল।
       দোয়েল দুলায়ে শাখা
       গাহিছে অমৃতমাখা,
       নিভৃত পাতায় ঢাকা
                 কপোতযুগল।
আমারে সকলে মিলে করেছে বিকল।
আরো দেখুন
নিভৃত প্রাণের দেবতা
Verses
নিভৃত প্রাণের দেবতা
              যেখানে জাগেন একা,
ভক্ত, সেথায় খোলো দ্বার,
              আজ লব তাঁর দেখা।
সারাদিন শুধু বাহিরে
ঘুরে ঘুরে কারে চাহি রে,
সন্ধ্যাবেলার আরতি
              হয় নি আমার শেখা।
              তব জীবনের আলোতে
                    জীবন-প্রদীপ জ্বালি
              হে পূজারি, আজ নিভৃতে
                    সাজাব আমার থালি।
              যেথা নিখিলের সাধনা
              পূজালোক করে রচনা,
              সেথায় আমিও ধরিব
                    একটি জ্যোতির রেখা।
আরো দেখুন