224 (the buried city)

THE BURIED city, laid bare to the sun of a new age,

is ashamed that it has lost all its songs.

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

মেঘমালা
Verses
আসে অবগুণ্ঠিতা প্রভাতের অরুণ দুকূলে
                   শৈলতটমূলে,
               আত্মদান অর্ঘ্য আনে পায়।
                   তপস্বীর ধ্যানে ভেঙে যায়,
               গিরিরাজ কঠোরতা যায় ভুলি,
          চরণের প্রান্ত হতে বক্ষে লয় তুলি
                   সজল তরুণ মেঘমালা।
          কল্যাণে ভরিয়া উঠে মিলনের পালা।
                   অচলে চঞ্চলে লীলা,
                   সুকঠিন শিলা
                   মত্ত হয় রসে।
          উদার দাক্ষিণ্য তার বিগলিত নির্ঝরে বরষে,
                   গায় কলোচ্ছল গান।
               সে দাক্ষিণ্য গোপনের দান
                   এ মেঘমালারই।
                             এ বর্ষণ তারই
                   পর্বতের বাণী হয়ে উঠে জেগে--
                             নৃত্যবন্যাবেগে
                                      বাধাবিঘ্ন চূর্ণ ক'রে
                   তরঙ্গের নৃত্যসাথে যুক্ত হয় অনন্ত সাগরে।
                                      নির্মমের তপস্যা টুটিয়া
                                           চলিল ছুটিয়া
                                      দেশে দেশে প্রাণের প্রবাহ,
                                           জয়ের উৎসাহ--
                                      শ্যামলের মঙ্গল-উৎসবে
                   আকাশে বাজিল বীণা অনাহত রবে।
                                      লঘুসুকুমার স্পর্শ ধীরে ধীরে
                   রুদ্রসন্ন্যাসীর স্তব্ধ নিরুদ্ধ শক্তিরে
                                      দিল ছাড়া; সৌন্দর্যের বীর্যবলে
                   স্বর্গেরে করিয়া জয় মুক্ত করি দিল ধরাতলে।
আরো দেখুন
বিদেশী ফুল
Verses
          হে বিদেশী ফুল, যবে আমি পুছিলাম--
                                      "কী তোমার নাম',
          হাসিয়া দুলালে মাথা, বুঝিলাম তরে
                                      নামেতে কী হবে।
                             আর কিছু নয়,
                   হাসিতে তোমার পরিচয়।
   হে বিদেশী ফুল, যবে তোমারে বুকের কাছে ধরে
                      শুধালেম "বলো বলো মোরে
                                      কোথা তুমি থাকো',
হাসিয়া দুলালে মাথা, কহিলে "জানি না, জানি নাকো'।
                                      বুঝিলাম তবে
                                      শুনিয়া কী হবে
                             থাকো কোন্‌ দেশে।
                   যে তোমারে বোঝে ভালোবেসে
                             তাহার হৃদয়ে তব ঠাঁই,
                                      আর কোথা নাই।
হে বিদেশী ফুল, আমি কানে কানে শুধানু আবার,
                                         "ভাষা কী তোমার।'
                                      হাসিয়া দুলালে শুধু মাথা,
                                      চারি দিকে মর্মরিল পাতা।
                             আমি কহিলাম, "জানি, জানি,
                                                সৌরভের বাণী
                             নীরবে জানায় তব আশা।
নিশ্বাসে ভরেছে মোর সেই তব নিশ্বাসের ভাষা।'
হে বিদেশী ফুল, আমি যেদিন প্রথম এনু ভোরে
                             শুধালেম, "চেন তুমি মোরে?'
হাসিয়া দুলালে মাথা, ভাবিলাম তাহে একরতি
                                      নাহি কারো ক্ষতি।
          কহিলাম, "বোঝ নি কি তোমার পরশে
                   হৃদয় ভরেছে মোর রসে।
          কেউ বা আমারে চেনে এর চেয়ে বেশি,
                   হে ফুল বিদেশী।'
হে বিদেশী ফুল, যবে তোমারে শুধাই "বলো দেখি
                             মোরে ভুলিবে কি',
হাসিয়া দুলাও মাথা; জানি জানি মোরে ক্ষণে ক্ষণে
                             পড়িবে যে মনে।
                             দুই দিন পরে
                      চলে যাব দেশান্তরে,
তখন দূরের টানে স্বপ্নে আমি হব তব চেনা--
                                      মোরে ভুলিবে না।
আরো দেখুন
13
Verses
সৃষ্টিলীলাপ্রাঙ্গণের প্রান্তে দাঁড়াইয়া
দেখি ক্ষণে ক্ষণে
তমসের পরপার,
যেথা মহা-অব্যক্তের অসীম চৈতন্যে ছিনু লীন।
আজি এ প্রভাতকালে ঋষিবাক্য জাগে মোর মনে।
করো করো অপাবৃত হে সূর্য,আলোক-আবরণ,
তোমার অন্তরতম পরম জ্যোতির মধ্যে দেখি
আপনার আত্মার স্বরূপ।
যে আমি দিনের শেষে বায়ুতে মিশায় প্রাণবায়ু,
ভস্মে যার দেহ অন্ত হবে,
যাত্রাপথে সে আপন না ফেলুক ছায়া
সত্যের ধরিয়া ছদ্মবেশ।
এ মর্তের লীলাক্ষেত্রে সুখে দুঃখে অমৃতের স্বাদ
পেয়েছি তো ক্ষণে ক্ষণে,
বারে বারে  অসীমেরে দেখেছি সীমার অন্তরালে।
বুঝিয়াছি,এ জন্মের শেষ অর্থ ছিল সেইখানে,
সেই সুন্দরের রূপে,
সে সংগীতে অনির্বচনীয়।
খেলাঘরে আজ যবে খুলে যাবে দ্বার
ধরণীর দেবালয়ে রেখে যাব আমার প্রণাম,
দিয়ে যাব জীবনের সে নৈবেদ্যগুলি
মূল্য যার মৃত্যুর অতীত।
আরো দেখুন