191 (faith is the bird)

FAITH is THE bird that feels the light

and sings when the dawn is still dark.

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

বন্দী
Verses
"বন্দী, তোরে কে বেঁধেছে
           এত কঠিন ক'রে।'
প্রভু আমায় বেঁধেছে যে
           বজ্রকঠিন ডোরে।
মনে ছিল সবার চেয়ে
           আমিই হব বড়ো,
রাজার কড়ি করেছিলেম
           নিজের ঘরে জড়ো।
ঘুম লাগিতে শুয়েছিলেম
           প্রভুর শয্যা পেতে,
জেগে দেখি বাঁধা আছি
           আপন ভাণ্ডারেতে।
"বন্দী ওগো, কে গড়েছে
           বজ্রবাঁধনখানি।'
আপনি আমি গড়েছিলেম
           বহু যতন মানি।
ভেবেছিলেম আমার প্রতাপ
           করবে জগৎ গ্রাস,
আমি রব একলা স্বাধীন,
           সবাই হবে দাস।
তাই গড়েছি রজনীদিন
           লোহার শিকলখানা--
কত আগুন কত আঘাত
           নাইকো তার ঠিকানা।
গড়া যখন শেষ হয়েছে
           কঠিন সুকঠোর,
দেখি আমায় বন্দী করে
           আমারি এই ডোর।
আরো দেখুন
প্রশ্ন
Verses
চতুর্দিকে বহ্নিবাষ্প শূন্যাকাশে ধায় বহুদূরে,
     কেন্দ্রে তার তারাপুঞ্জ মহাকাল-চক্ররথে ঘুরে।
          কত বেগ, কত তাপ, কত ভার, কত আয়তন,
                   সূক্ষ্ম অঙ্কে করেছে গণন
          পণ্ডিতেরা লক্ষ কোটি ক্রোশ দূর হতে
                        দুর্লক্ষ্য আলোতে।
               আপনার পানে চাই,
          লেশমাত্র পরিচয় নাই।
     এ কি কোনো দৃশ্যাতীত জ্যোতি।
কোন্‌ অজানারে ঘিরি এই অজানার নিত্য গতি।
     বহুযুগে বহুদূরে স্মৃতি আর বিস্মৃতি-বিস্তার,
               যেন বাষ্পপরিবেশ তার
     ইতিহাসে পিণ্ড বাঁধে রূপে রূপান্তরে।
"আমি' উঠে ঘনাইয়া কেন্দ্র-মাঝে অসংখ্য বৎসরে।
সুখদুঃখ ভালোমন্দ রাগদ্বেষ ভক্তি সখ্য স্নেহ
          এই নিয়ে গড়া তার সত্তাদেহ;
     এরা সব উপাদান ধাক্কা পায়, হয় আবর্তিত,
                   পুঞ্জিত, নর্তিত।
          এরা সত্য কী যে
               বুঝি নাই নিজে।
          বলি তারে মায়া--
যাই বলি শব্দ সেটা, অব্যক্ত অর্থের উপচ্ছায়া।
               তার পরে ভাবি,
এ অজ্ঞেয় সৃষ্টি "আমি' অজ্ঞেয় অদৃশ্যে যাবে নাবি।
     অসীম রহস্য নিয়ে মুহূর্তের নিরর্থকতায়
          লুপ্ত হবে নানারঙা জলবিম্বপ্রায়,
     অসমাপ্ত রেখে যাবে তার শেষকথা
                   আত্মার বারতা।
     তখনো সুদূরে ঐ নক্ষত্রের দূত
ছুটাবে অসংখ্য তার দীপ্ত পরমাণুর বিদ্যুৎ
                   অপার আকাশ-মাঝে,
                        কিছুই জানি না কোন্‌ কাজে।
বাজিতে থাকিবে শূন্যে প্রশ্নের সুতীব্র আর্তস্বর,
                   ধ্বনিবে না কোনোই উত্তর।
আরো দেখুন
নাম্নী - জয়তী
Verses
যেন তার চক্ষু-মাঝে
     উদ্যত বিরাজে
     মহেশের তপোবনে নন্দীর তর্জনী।
          ইন্দ্রের অশনি
            মৌনে তার ঢাকা;
          প্রাণ তার অরুণের পাখা
     মেলিল দিনের বক্ষে তীব্র অতৃপ্তিতে
          দুঃসহ দীপ্তিতে।
     সাধক দাঁড়ায় তার কাছে,
সহসা সংশয় লাগে যোগ্যতা কি আছে;
          দুঃসাধ্যসাধন-তরে
              পথ খুঁজে মরে।
তুচ্ছতারে দাহে তার অবজ্ঞাদহন;
              এনেছে সে করিয়া বহন
          ইন্দ্রাণীর গাঁথা মাল্য; দিবে কণ্ঠে তার
              কার্মুকে যে দিয়েছে টংকার,
কাপট্যেরে হানিয়াছে, সত্যে যার ঋণী বসুমতী--
              নাম কি জয়তী।
আরো দেখুন