8 (the lantern which i carry)

THE LANTERN which I carry in my hand makes enemy of the darkness of the farther road.

And this wayside becomes a terror to me, where even the flowering tree frowns like a spectre of scowling menace; and the sound of my own steps comes back to me in the echo of muffled suspicion.

Therefore I pray for thy own morning light, when the far and the near will kiss each other and death and life will be one in love.

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

খুব তার বোলচাল, সাজ ফিট্‌ফাট্‌
Verses
খুব তার বোলচাল, সাজ ফিট্‌ফাট্‌,
তক্‌রার হলে আর নাই মিট্‌মাট্‌।
চশমায় চম্‌কায়, আড়ে চায় চোখ--
কোনো ঠাঁই ঠেকে নাই কোনো বড়ো লোক।--
আরো দেখুন
পরিত্যক্ত
Verses
    চলে গেল, আর কিছু  নাই কহিবার।
    চলে গেল, আর কিছু নাই গাহিবার।
    শুধু গাহিতেছে আর শুধু কাঁদিতেছে
       দীনহীন হৃদয় আমার, শুধু বলিতেছে,
   "চলে গেল সকলেই চলে গেল গো,
     বুক শুধু ভেঙে গেল দ'লে গেল গো।"  
     বসন্ত চলিয়া গেলে বর্ষা কেঁদে কেঁদে বলে,
     "ফুল গেল, পাখি গেল--
    আমি শুধু রহিলাম, সবই গেল গো।"
    দিবস ফুরালে রাতি স্তব্ধ হয়ে রহে,
       শুধু কেঁদে কহে,
    "দিন গেল, আলো গেল, রবি গেল গো--
    কেবল একেলা আমি, সবই গেল গো।"
    উত্তরবায়ুর সম     প্রাণের বিজনে মম
    কে যেন কাঁদিছে শুধু
    "চলে গেল, চলে গেল,
    সকলেই চলে গেল গো।"
    উৎসব ফুরায়ে গেলে           ছিন্ন শুষ্ক মালা
          পড়ে থাকে হেথায় হোথায়--
    তৈলহীন শিখাহীন ভগ্ন দীপগুলি
          ধুলায় লুটায়--
    একবার ফিরে কেহ দেখে নাকো ভুলি,
          সবে চলে যায়।
    পুরানো মলিন ছিন্ন বসনের মতো
          মোরে ফেলে গেল,
    কাতর নয়নে চেয়ে রহিলাম কত--
          সাথে না লইল।
    তাই প্রাণ গাহে শুধু, কাঁদে শুধু, কহে শুধু,
          "মোরে ফেলে গেল,
    সকলেই মোরে ফেলে গেল,
          সকলেই চলে গেল গো।"
    একবার ফিরে তারা চেয়েছিল কি?
          বুঝি চেয়েছিল।
    একবার ভুলে তারা কেঁদেছিল কি?
          বুঝি কেঁদেছিল।
          বুঝি ভেবেছিল--
    লয়ে যাই--নিতান্ত কি একেলা কাঁদিবে?
          তাই বুঝি ভেবেছিল।
          তাই চেয়েছিল।
          তার পরে? তার পরে!
          তার পরে বুঝি হেসেছিল।
    একফোঁটা অশ্রুবারি মুহূর্তেই শুকাইল।
          তার পরে? তার পরে!
          চলে গেল।
          তার পরে? তার পরে!
ফুল গেল, পাখি গেল, আলো গেল, রবি গেল,
                   সবাই গেল, সবই গেল গো--
হৃদয় নিশ্বাস ছাড়ি কাঁদিয়া কহিল,
"সকলেই চলে গেল গো,
আমারেই ফেলে গেল গো।"
আরো দেখুন
30
Verses
ভারতের কোন্‌ বৃদ্ধ ঋষির তরুণ মূর্তি তুমি
হে আচার্য জগদীশ। কী অদৃশ্য তপোভূমি
বিরচিলে এ পাষাণনগরীর শুষ্ক ধূলিতলে।
কোথা পেলে সেই শান্তি এ উন্মত্ত জনকোলাহলে
যার তলে মগ্ন হয়ে মুহূর্তে বিশ্বের কেন্দ্র-মাঝে
দাঁড়াইলে একা তুমি-- এক যেথা একাকী বিরাজে
সূর্যচন্দ্র পুষ্পপত্র-পশুপক্ষী-ধুলায়-প্রস্তরে--
এক তন্দ্রাহীন প্রাণ নিত্য যেথা নিজ অঙ্ক-'পরে
দুলাইছে চরাচর নিঃশব্দ সংগীতে। মোরা যবে
মত্ত ছিনু অতীতের অতিদূর নিষ্ফল গৌরবে--
পরবস্ত্রে, পরবাক্যে, পরভঙ্গিমার ব্যঙ্গরূপে
কল্লোল করিতেছিনু স্ফীতকন্ঠে ক্ষুদ্র অন্ধকূপে--
তুমি ছিলে কোন্‌ দূরে। আপনার স্তব্ধ ধ্যানাসন
কোথায় পাতিয়াছিলে। সংযত গম্ভীর করি মন
ছিলে রত তপস্যায় অরূপরশ্মির অন্বেষণে
লোকলোকান্তের অন্তরালে -- যেথা পূর্ব ঋষিগণে
বহুত্বের সিংহদ্বার উদ্‌ঘাটিয়া একের সাক্ষাতে
দাঁড়াতেন বাক্যহীন স্তম্ভিত বিস্মিত জোড়হাতে।
হে তপস্বী, ডাকো তুমি সামমন্ত্রে জলদগর্জনে,
"উত্তিষ্ঠত নিবোধত!' ডাকো শাস্ত্র-অভিমানী জনে
পাণ্ডিত্যের পণ্ডতর্ক হতে। সুবৃহৎ বিশ্বতলে
ডাকো মূঢ় দাম্ভিকেরে। ডাক দাও তব শিষ্যদলে,
একত্রে দাঁড়াক তারা তব হোমহুতাগ্নি ঘিরিয়া।
আরবার এ ভারত আপনাতে আসুক ফিরিয়া
নিষ্ঠায়, শ্রদ্ধায়, ধ্যানে-- বসুক সে অপ্রমত্তচিতে
লোভহীন দ্বন্দ্বহীন শুদ্ধ শান্ত গুরুর বেদীতে
আরো দেখুন