১৮ (phosol kata hole sara math)

ফসল কাটা হলে সারা মাঠ হয়ে যায় ফাঁক;

অনাদরের শস্য গজায়, তুচ্ছ দামের শাক।

আঁচল ভরে তুলতে আসে গরিব-ঘরের মেয়ে,

খুশি হয়ে বাড়িতে যায়, যা জোটে তাই পেয়ে।

আজকে আমার চাষ চলে না, নাই লাঙলের বালাই;

পোড়ো মাঠের কুঁড়েমিতে মন্থর দিন চালাই।

জমিতে রস কিছু আছে, শক্ত যায় নি আঁটি;

ফলায় না সে ফল তবুও সবুজ রাখে মাটি।

শ্রাবণ আমার গেছে চলে, নাই বাদলের ধারা;

অঘ্রান সে সোনার ধানের দিন করেছে সারা।

চৈত্র আমার রোদে পোড়া, শুকনো যখন নদী,

বুনো ফলের ঝোপের তলায় ছায়া বিছায় যদি,

জানব আমার শেষের মাসে ভাগ্য দেয় নি ফাঁকি,

শ্যামল ধরার সঙ্গে আমার বাঁধন রইল বাকি।

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

যোগিয়া
Verses
     বহুদিন পরে আজি মেঘ গেছে চলে,
     রবির কিরণসুধা আকাশে উথলে।
স্নিগ্ধ শ্যাম পত্রপুটে              আলোক ঝলকি উঠে
          পুলক নাচিছে গাছে গাছে।
নবীন যৌবন যেন                  প্রেমের মিলনে কাঁপে,
          আনন্দ বিদ্যুৎ-আলো নাচে।
জুঁই সরোবরতীরে                 নিশ্বাস ফেলিয়া ধীরে
          ঝরিয়া পড়িতে চায় ভুঁয়ে,
অতি মৃদু হাসি তার,              বরষার বৃষ্টিধার
          গন্ধটুকু নিয়ে গেছে ধুয়ে।
আজিকে আপন প্রাণে             না জানি বা কোন্‌খানে
          যোগিয়া রাগিণী গায় কে রে।
ধীরে ধীরে সুর তার               মিলাইছে চারি ধার,
          আচ্ছন্ন করিছে প্রভাতেরে।
গাছপালা চারি ভিতে               সংগীতের মাধুরীতে
          মগ্ন হয়ে ধরে স্বপ্নছবি।
এ প্রভাত মনে হয়                 আরেক প্রভাতময়,
          রবি যেন আর কোনো রবি।
ভাবিতেছি মনে মনে               কোথা কোন্‌ উপবনে
          কী ভাবে সে গান গাইছে না জানি,
চোখে তার অশ্রুরেখা   একটু দেছে কি দেখা,
          ছড়ায়েছে চরণ দুখানি।
তার কি পায়ের কাছে    বাঁশিটি পড়িয়া আছে--
          আলোছায়া পড়েছে কপোলে।
মলিন মালাটি তুলি                ছিঁড়ি ছিঁড়ি পাতাগুলি
          ভাসাইছে সরসীর জলে।
বিষাদ-কাহিনী তার               সাধ যায় শুনিবার
          কোন্‌খানে তাহার ভবন।
তাহার আঁখির কাছে               যার মুখ জেগে আছে
          তাহারে বা দেখিতে কেমন।
এ কী রে আকুল ভাষা!          প্রাণের নিরাশ আশা
          পল্লবের মর্মরে মিশালো।
না জানি কাহারে চায়    তার দেখা নাহি পায়
          ম্লান তাই প্রভাতের আলো।
এমন কত-না প্রাতে               চাহিয়া আকাশপাতে
          কত লোক ফেলেছে নিশ্বাস,
সে-সব প্রভাত গেছে,              তারা তার সাথে গেছে
          লয়ে গেছে হৃদয়-হুতাশ!
এমন কত না আশা                কত ম্লান ভালোবাসা
          প্রতিদিন পড়িছে ঝরিয়া,
তাদের হৃদয়-ব্যথা                তাদের মরণ-গাথা
          কে গাইছে একত্র করিয়া,
পরস্পর পরস্পরে                 ডাকিতেছে নাম ধরে,
          কেহ তাহা শুনিতে না পায়।
কাছে আসে, বসে পাশে,তবুও কথা না ভাষে,
          অশ্রুজলে ফিরে ফিরে যায়।
চায় তবু নাহি পায়,                 অবশেষে নাহি চায়,
          অবশেষে নাহি গায় গান,
ধীরে ধীরে শূন্য হিয়া              বনের ছায়ায় গিয়া
          মুছে আসে সজল নয়ান।
আরো দেখুন
১১৬
Verses
১১৬
দিন দেয় তার সোনার বীণা
নীরব তারার করে--
চিরদিবসের সুর বাঁধিবার তরে॥      
আরো দেখুন
61
Verses
SHE IS STILL a child, my lord.
She runs about your palace and plays, and tries to make of you a plaything as well.
She heeds not when her hair tumbles down and her careless garment drags in the dust.
She falls asleep when you speak to her and answers not-and the
flower you give her in the morning slips to the dust from her hands.
When the storm bursts and darkness is over the sky she is sleepless; her dolls lie scattered on the earth and she clings to you in terror.
She is afraid that she may fail in service to you.
But with a smile you watch her at her game.
You know her.
The child sitting in the dust is your destined bride; her play will be stilled and deepened into love.
আরো দেখুন