বিদেশী ফুলের গুচ্ছ - ৬ (hasir somoy baro nei)

হাসির সময় বড়ো নেই,

দু দণ্ডের তরে গান গাওয়া।

নিমেষের মাঝে চুমো খেয়ে

মুহূর্তে ফুরাবে চুমো খাওয়া।

বেলা নাই শেষ করিবারে

অসম্পূর্ণ প্রেমের মন্ত্রণা--

সুখস্বপ্ন পলকে ফুরায়,

তার পরে জাগ্রত যন্ত্রণা।

কিছু ক্ষণ কথা কয়ে লও,

তাড়াতাড়ি দেখে লও মুখ,

দু দণ্ডের খোঁজ দেখাশুনা--

ফুরাইবে খুঁজিবার সুখ।

বেলা নাই কথা কহিবারে

যে কথা কহিতে ফাটে প্রাণ।

দেবতারে দুটো কথা ব'লে

পূজার সময় অবসান।

কাঁদিতে রয়েছে দীর্ঘ দিন--

জীবন করিতে মরুময়,

ভাবিতে রয়েছে চিরকাল--

ঘুমাইতে অনন্ত সময়।

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

52
Verses
MAN DOES not reveal himself in his history, he struggles up through it.
আরো দেখুন
অত্যুক্তি
Verses
     মন যে দরিদ্র, তার
তর্কের নৈপুণ্য আছে, ধনৈশ্বর্য নাইকো ভাষার।
     কল্পনাভান্ডার হতে তাই করে ধার
               বাক্য-অলংকার।
          কখন হৃদয় হয় সহসা উতলা--
             তখন সাজিয়ে বলা
                 আসে অগত্যাই;
                   শুনে তাই
          কেন তুমি হেসে ওঠ, আধুনিকা প্রিয়ে,
                   অত্যুক্তির অপবাদ দিয়ে।
     তোমার সম্মানে ভাষা আপনারে করে সুসজ্জিত,
তারে তুমি বারে বারে পরিহাসে কোরো না লজ্জিত।
     তোমার আরতি-অর্ঘ্যে অত্যুক্তিবঞ্চিত ভাষা হেয়,
                   অসত্যের মতো অশ্রদ্ধেয়।
                        নাই তার আলো,
               তার চেয়ে মৌন ঢের ভালো।
        তব অঙ্গে অত্যুক্তি কি কর না বহন
                   সন্ধ্যায় যখন
               দেখা দিতে আস।
       তখন যে হাসি হাস
   সে তো নহে মিতব্যয়ী প্রত্যহের মতো--
অতিরিক্ত মধু কিছু তার মধ্যে থাকে তো সংহত।
                   সে হাসির অতিভাষা
               মোর বাক্যে ধরা দেবে নাই সে প্রত্যাশা।
          অলংকার যত পায় বাক্যগুলো তত হার মানে,
     তাই তার অস্থিরতা বাড়াবাড়ি ঠেকে তব কানে।                                            
               কিন্তু, ওই আশমানি শাড়িখানি
                   ও কি নহে অত্যুক্তির বাণী।
          তোমার দেহের সঙ্গে নীল গগনের
ব্যঞ্জনা মিলায়ে দেয়, সে যে কোন্‌ অসীম মনের
                   আপন ইঙ্গিত,
     সে যে অঙ্গের সংগীত।
আমি তারে মনে জানি সত্যেরো অধিক।
     সোহাগবাণীরে মোর হেসে কেন বল কাল্পনিক।
আরো দেখুন
ধীরু কহে শূন্যেতে মজো রে
Verses
ধীরু কহে শূন্যেতে মজো রে,
নিরাধার সত্যেরে ভজো রে।
          এত বলি যত চায় শূন্যেতে ওড়াটা
          কিছুতে কিছু-না-পানে পৌঁছে না ঘোড়াটা,
                      চাবুক লাগায় তারে সজোরে।
ছুটে মরে সারারাত, ছুটে মরে সারাদিন--
হয়রান হয়ে তবু আমিহীন ঘোড়াহীন
                      আপনারে নাহি পড়ে নজরে।
আরো দেখুন