৩৪ (amra pathe pathe)

আমরা       পথে পথে যাব সারে সারে,

তোমার     নাম গেয়ে ফিরিব দ্বারে দ্বারে ॥

              বলব "জননীকে কে দিবি দান,

              কে দিবি ধন তোরা কে দিবি প্রাণ'--

"তোদের         মা ডেকেছে' কব বারে বারে ॥

              তোমার নামে প্রাণের সকল সুর

              আপনি উঠবে বেজে সুধামধুর

মোদের     হৃদয়যন্ত্রেরই তারে তারে।

              বেলা গেলে শেষে তোমারই পায়ে

              এনে দেব সবার পূজা কুড়ায়ে

তোমার     সন্তানেরই দান ভারে ভারে ॥

রাগ: ভৈরবী-কালাংড়া

তাল: একতাল

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): 1312

রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1905

স্বরলিপিকার: ইন্দিরা দেবী

Rendition

Notation

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

শুন সখি, বাজত বাঁশি
Songs
      শুন সখি, বাজত বাঁশি
গভীর রজনী, উজল কুঞ্জপথ,
      চন্দ্রম ডারত হাসি।
দক্ষিণপবনে কম্পিত তরুগণ,
      তম্ভিত যমুনাবারি,
কুসুমসুবাস উদাস ভইল, সখি,
      উদাস হৃদয় হমারি।
বিগলিত মরম, চরণ খলিতগতি,
      শরম ভরম গয়ি দূর,
নয়ন বারিভর, গরগর অন্তর,
      হৃদয় পুলকপরিপূর।
কহ সখি, কহ সখি, মিনতি রাখ সখি,
      সো কি হমারই শ্যাম?
মধুর কাননে মধুর বাঁশরি
      বজায় হমারি নাম?
কত কত যুগ সখি, পুণ্য করনু হম,
      দেবত করনু ধেয়ান,
তব ত মিলল সখি, শ্যামরতন মম,
      শ্যাম পরানক প্রাণ।
           শ্যাম রে,
শুনত শুনত তব মোহন বাঁশি,
      জপত জপত তব নামে,
সাধ ভইল ময় দেহ ডুবায়ব
      চাঁদউজল যমুনামে!
"চলহ তুরিত গতি শ্যাম চকিত অতি,
      ধরহ সখীজন হাত,
নীদমগন মহী, ভয় ডর কছু নহি,
      ভানু চলে তব সাথ।'
আরো দেখুন
তোমার সুর শুনায়ে
Songs
তোমার       সুর শুনায়ে যে ঘুম ভাঙাও সে ঘুম আমার রমণীয়--
         জাগরণের সঙ্গিনী সে, তারে তোমার পরশ দিয়ো ॥
         অন্তরে তার গভীর ক্ষুধা, গোপনে চায় আলোকসুধা,
         আমার রাতের বুকে সে যে তোমার প্রাতের আপন প্রিয় ॥
         তারি লাগি আকাশ রাঙা আঁধার-ভাঙা অরুণরাগে,
         তারি লাগি পাখির গানে নবীন আশার আলাপ জাগে।
         নীরব তোমার চরণধ্বনি     শুনায় তারে আগমনী,
         সন্ধ্যবেলার কুঁড়ি তারে সকালবেলায় তুলে নিয়ো ॥
আরো দেখুন
তোমার বৈশাখে ছিল
Songs
তোমার     বৈশাখে ছিল প্রখর রৌদ্রের জ্বালা,
            কখন বাদল আনে আষাঢ়ের পালা,    হায় হায় হায়।
            কঠিন পাষাণে কেমনে গোপনে ছিল,
            সহসা ঝরনা নামিল অশ্রুঢালা,    হায় হায় হায়।
            মৃগয়া করিতে বাহির হল যে বনে
            মৃগী হয়ে শেষে এল কি অবলা বালা,    হায় হায় হায়।
            যে ছিল আপন শক্তির অভিমানে
            কার পায়ে আনে হার মানিবার ডালা,    হায় হায় হায়॥
আরো দেখুন