১৩৯ (aha jagi pohalo bibhabari)

     আহা,    জাগি পোহালো বিভাবরী।

     অতি    ক্লান্ত নয়ন তব সুন্দরী॥

ম্লান প্রদীপ উষানিলচঞ্চল, পাণ্ডুর শশধর গত-অস্তাচল,

মুছ আঁখিজল, চল' সখি চল'    অঙ্গে নীলাঞ্চল সম্বরি॥

শরতপ্রভাত নিরাময় নির্মল,    শান্ত সমীরে কোমল পরিমল,

নির্জন বনতল শিশিরসুশীতল,    পুলকাকুল তরুবল্লরী।

বিরহশয়নে ফেলি মলিন মালিকা    এস নবভুবনে এসে গো বালিকা,

গাঁথি লহ অঞ্চলে নব শেফালিকা    অলকে নবীন ফুলমঞ্জরী॥

রাগ: ভৈরবী

তাল: ত্রিতাল

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ১৫ আশ্বিন, ১৩০২

রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1895

স্বরলিপিকার: জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর, দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর

Rendition

Notation

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

ভস্মে ঢাকে ক্লান্ত হুতাশন
Songs
   ভস্মে ঢাকে ক্লান্ত হুতাশন;
                   এ খেলা খেলাবে, হে ভগবন,
                             আর কতখন।
                   শেষ যাহা হবেই হবে, তারে
                          সহজে হতে দাও শেষ।
                   সুন্দর যাক রেখে স্বপ্নের রেশ।
                          জীর্ণ কোরো না, কোরো না,
                                    যা ছিল নূতন।
আরো দেখুন
সবাই যারে
Songs
    সবাই যারে সব দিতেছে তার কাছে সব দিয়ে ফেলি।
    কবার আগে চাবার আগে আপনি আমায় দেব মেলি।
নেবার বেলা হলেম ঋণী,            ভিড় করেছি, ভয় করি নি--
    এখনো ভয় করব না রে, দেবার খেলা এবার খেলি।
    প্রভাত তারি সোনা নিয়ে বেরিয়ে পড়ে নেচে-কুঁদে।
    সন্ধ্যা তারে প্রণাম করে সব সোনা তার দেয় রে শুধে।
ফোটা ফুলের আনন্দ রে                ঝরা ফুলেই ফলে ধরে--
  আপনাকে, ভাই, ফুরিয়ে-দেওয়া চুকিয়ে দে তুই বেলাবেলি॥
আরো দেখুন
রজনীর শেষ তারা,
Songs
     রজনীর শেষ তারা, গোপনে আঁধারে আধো-ঘুমে
বাণী তব রেখে যাও প্রভাতের প্রথম কুসুমে ॥
          সেইমত যিনি এই জীবনের আনন্দরূপিণী
শেষক্ষণে দেন যেন তিনি         নবজীবনের মুখ চুমে ॥
              এই নিশীথের স্বপ্নরাজি
          নবজাগরণক্ষণে নব গানে উঠে যেন বাজি।
     বিরহিণী যে ছিল রে মোর হৃদয়ের মর্ম-মাঝে
বধূবেশে সেই যেন সাজে     নবদিনে চন্দনে কুঙ্কুমে ॥
আরো দেখুন