২৭৭ (ebaar to joubaner)

এবার তো যৌবনের কাছে মেনেছ, হার মেনেছ?

                'মেনেছি'।

    আপন-মাঝে নূতনকে আজ জেনেছ?

                'জেনেছি'॥

আবরণকে বরণ করে    ছিলে কাহার জীর্ণ ঘরে।

    আপনাকে আজ বাহির করে এনেছ?

                'এনেছি'॥

এবার আপন প্রাণের কাছে মেনেছ, হার মেনেছ?

                'মেনেছি'।

        মরণ মাঝে অমৃতকে জেনেছ?

                'জেনেছি'।

লুকিয়ে তোমার অমরপুরী   ধুলা-অসুর করে চুরি,

    তাহারে আজ মরণ-আঘাত হেনেছ?

                'হেনেছি'॥

রাগ: দেশ

তাল: দাদরা

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ১৩ ফাল্গুন, ১৩২১

রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): ২৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯১৫

রচনাস্থান: সুরুল

স্বরলিপিকার: শৈলজারঞ্জন মজুমদার

Rendition

Notation

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

ওগো কিশোর, আজি
Songs
ওগো   কিশোর, আজি তোমার দ্বারে   পরান মম জাগে।
          নবীন কবে করিবে তারে   রঙিন তব রাগে॥
ভাবনাগুলি বাঁধনখোলা   রচিয়া দিবে তোমার দোলা,
     দাঁড়িয়ো আসি হে ভাবে-ভোলা, আমার আঁখি-আগে॥
দোলের নাচে বুঝি গো আছ   অমরাবতীপুরে--
     বাজাও বেণু বুকের কাছে, বাজাও বেণু দূরে।
          শরম ভয় সকলি ত্যেজে   মাধবী তাই আসিল সেজে--
              শুধায় শুধু, "বাজায় কে যে মধুর মধুসুরে!'
     গগনে শুনি একি এ কথা, কাননে কী যে দেখি।
              একি মিলনচঞ্চলতা, বিরহব্যথা একি।
আঁচল কাঁপে ধরার বুকে,   কী জানি তাহা সুখে না দুখে--
     ধরিতে যারে না পারে তারে স্বপনে দেখিছে কি।
              লাগিল দোল জলে স্থলে,   জাগিল দোল বনে বনে--
          সোহাগিনির হৃদয়তলে বিরহিণীর মনে মনে।
              মধুর মোরে বিধুর করে   সুদূর কার বেণুর স্বরে,
                   নিখিল হিয়া কিসের তরে দুলিছে অকারণে।
আনো গো আনো ভরিয়া ডালি করবীমালা লয়ে,
     আনো গো আনো সাজায়ে থালি কোমল কিশলয়ে।
          এসো গো পীত বসনে সাজি,   কোলেতে বীণা উঠুক বাজি,
              ধ্যানেতে আর গানেতে আজি যামিনী যাক বয়ে।
          এসো গো এসো দোলবিলাসী বাণীতে মোর দোলো,
              ছন্দে মোর চকিতে আসি মাতিয়ে তারে তোলো।
                   অনেক দিন বুকের কাছে   রসের স্রোত থমকি আছে,
                        নাচিবে আজি তোমার নাচে সময় তারি হল॥
আরো দেখুন
একি মায়া, লুকাও
Songs
     একি মায়া,   লুকাও কায়া   জীর্ণ শীতের সাজে।
আমার   সয় না,   সয় না,   সয় না প্রাণে, কিছুতে সয় না যে॥
     কৃপণ হয়ে হে মহারাজ,   রইবে কি আজ
                   আপন ভুবন-মাঝে॥
     বুঝতে নারি বনের বীণা   তোমার প্রসাদ পাবে কিনা,
     হিমের হাওয়ায় গগন-ভরা ব্যাকুল রোদন বাজে॥
     কেন     মরুর পারে কাটাও বেলা রসের কাণ্ডারী।
              লুকিয়ে আছে কোথায় তোমার রূপের ভাণ্ডারী।
     রিক্তপাতা শুষ্ক শাখে   কোকিল তোমার কই গো ডাকে--
              শূন্য সভা, মৌন বাণী, আমরা মরি লাজে॥
আরো দেখুন
মান অভিমান ভাসিয়ে
Songs
মান অভিমান ভাসিয়ে দিয়ে এগিয়ে নিয়ে আয়--
        তারে    এগিয়ে নিয়ে আয়॥  
চোখের জলে মিশিয়ে হাসি ঢেলে দে তার পায়--
        ওরে,     ঢেলে দে তার পায়। ।
আসছে পথে ছায়া পড়ে,    আকাশ এল আঁধার করে,    
    শুষ্ক কুসুম পড়ছে ঝরে, সময় বহে যায়--
        ওরে      সময় বহে যায়॥
আরো দেখুন