১২৬ (badal diner pratham kadam phul)

বাদল-দিনের প্রথম কদম ফুল     করেছ দান,

     আমি দিতে এসেছি শ্রাবণের গান॥

     মেঘের ছায়ায় অন্ধকারে   রেখেছি ঢেকে তারে

          এই-যে আমার সুরের ক্ষেতের প্রথম সোনার ধান॥

     আজ এনে দিলে, হয়তো দিবে না কাল--

রিক্ত হবে যে তোমার ফুলের ডাল।

     এ গান আমার শ্রাবণে শ্রাবণে   তব বিস্মৃতিস্রোতের প্লাবনে

          ফিরিয়া ফিরিয়া আসিবে তরণী বহি তব সম্মান॥

রাগ: মল্লার

তাল: দাদরা

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ১৪ শ্রাবণ, ১৩৪৬

রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): ৩০ জুলাই, ১৯৩৯

স্বরলিপিকার: শৈলজারঞ্জন মজুমদার

Rendition

Notation

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

আমি যখন তাঁর দুয়ারে
Songs
আমি যখন তাঁর দুয়ারে ভিক্ষা নিতে যাই   তখন যাহা পাই
              সে যে আমি হারাই বারে বারে ॥
তিনি যখন ভিক্ষা নিতে আসেন আমার দ্বারে
বন্ধ তালা ভেঙে দেখি আপন-মাঝে গোপন রতনভার,
হারায় না সে আর ॥
প্রভাত আসে তাঁহার কাছে আলোক ভিক্ষা নিতে,
সে আলো তার লুটায় ধরণীতে।
তিনি যখন সন্ধ্যা-কাছে দাঁড়ান ঊর্ধ্বকরে,  তখন স্তরে স্তরে
ফুটে ওঠে অন্ধকারের আপন প্রাণের ধন--
মুকুটে তাঁর পরেন সে রতন ॥
আরো দেখুন
সখি লো, সখি লো, নিকরুণ মাধব
Songs
সখি লো, সখি লো, নিকরুণ মাধব
                   মথুরাপুর যব যায়
করল বিষম পণ মানিনী রাধা,
রোয়বে না সো, না দিবে বাধা --
কঠিনহিয়া সই, হাসয়ি হাসয়ি
                   শ্যামক করব বিদায়।
          মৃদু মৃদু গমনে আওল মাধা,
          বয়নপান তছু চাহল রাধা,
চাহয়ি রহল স চাহয়ি রহল,
দন্ড দন্ড সখি, চাহয়ি রহল,
মন্দ মন্দ সখি, নয়নে বহল
                   বিন্দু বিন্দু জলধার।
          মৃদু মৃদু হাসে বৈঠল পাশে,
          কহল শ্যাম কত মৃদু মধু ভাষে,
টুটয়ি গইল পণ, টুটইল মান,
গদগদ আকুলব্যাকুলপ্রাণ,
          ফুকরয়ি উছসয়ি কাঁদল রাধা,
গদগদ ভাষ নিকাশল আধা,
                   শ্যামক চরণে বাহু পসারি,
                   কহল -- শ্যাম রে, শ্যাম হমারি,
রহ তুঁহু, রহ তুঁহু, বঁধু গো, রহ তুঁহু,
অনুখন সাথ সাথ রে রহ পঁহু,
তুঁহু বিনে মাধব, বল্লভ, বান্ধব,
                   আছয় কোন হমার!
পড়ল ভূমি'পর শ্যামচরণ ধরি,
রাখল মুখ তছু শ্যামচরণ'পরি
উছসি উছসি কত কাঁদয়ি কাঁদয়ি
                   রজনী করল প্রভাত।
মাধব বৈসল, মৃদু মধু হাসল,
কত অশোয়াসবচন মিঠ ভাষল,
          ধরইল বালিক হাত।
সখি লো, সখি লো, বোল ত সখি লো,
          যত দুখ পাওল রাধা
নিঠুর শ্যাম কিয়ে আপন মনমে
          পাওল তছু কছু আধা?
হাসয়ি হাসয়ি নিকটে আসয়ি
          বহুত স প্রবোধ দেল,
হাসয়ি হাসয়ি পলটয়ি চাহয়ি
          দূর দূর চলি গেল।
অব সো মথুরাপুরক পন্থমে,
          ইঁহ যব রোয়ত রাধা,
মরমে কি লাগল তিলভর বেদন,
          চরণে কি তিলভর বাধা?
বরখি আঁখিজল ভানু কহে -- অতি
          দুখের জীবন ভাই।
হাসিবার তর সঙ্গ মিলে বহু ,
          কাঁদিবার কো নাই।
আরো দেখুন
একদা প্রাতে কুঞ্জতলে
Songs
              একদা প্রাতে কুঞ্জতলে    অন্ধ বালিকা
              পত্রপুটে আনিয়া দিল পুষ্পমালিকা।।
              কণ্ঠে পরি অশ্রুজল    ভরিল নয়নে,
              বক্ষে লয়ে চুমিনু তার   স্নিগ্ধ বয়নে।।
              কহিনু তারে, ‘অন্ধকারে    দাঁড়ায়ে রমণী,
              কী ধন তুমি করিছ দান    না জানো আপনি।
              পুষ্পসম অন্ধ তুমি    অন্ধ বালিকা,
              দেখ নি নিজে মোহন কী যে    তোমার মালিকা।’
আরো দেখুন