৩৬ (tumi ekla ghare base base)

তুমি      একলা ঘরে বসে বসে কী সুর বাজালে

           প্রভু,  আমার জীবনে!

তোমার  পরশরতন গেঁথে গেঁথে আমায় সাজালে

           প্রভু,  গভীর গোপনে ॥

দিনের আলোর আড়াল টানি    কোথায় ছিলে নাহি জানি,

           অস্তরবির তোরণ হতে চরণ বাড়ালে

               আমার রাতের স্বপনে ॥

আমার    হিয়ায় হিয়ায় বাজে আকুল আঁধার যামিনী,

               সে যে তোমার বাঁশরি।

আমি     শুনি তোমার আকাশপারের তারার রাগিণী,

               আমার সকল পাশরি।

কানে আসে আশার বাণী-- খোলা পাব দুয়ারখানি

           রাতের শেষে শিশির-ধোওয়া প্রথম সকালে

               তোমার করুণ কিরণে ॥

রাগ: মিশ্র কেদারা

তাল: ত্রিতাল

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): 1325

রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1918

স্বরলিপিকার: দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর

Rendition

Notation

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

আমার নিকড়িয়া-রসের রসিক
Songs
আমার নিকড়িয়া-রসের রসিক কানন ঘুরে ঘুরে
নিকড়িয়া বাঁশের বাঁশি বাজায় মোহন সুরে ।
আমার ঘর বলে, ‘তুই কোথায় যাবি, বাইরে গিয়ে সব খোয়াবি !’
আমার প্রাণ বলে, ‘তোর যা আছে সব যাক্‌-না উড়ে পুড়ে ।’
ওগো, যায় যদি তো যাক্‌-না চুকে, সব হারাব হাসিমুখে–
আমি এই চলেছি মরণসুধা নিতে পরান পূরে ।
ওগো, আপন যারা কাছে টানে এ রস তারা কেই বা জানে–
আমার বাঁকা পথের বাঁকা সে যে ডাক দিয়েছে দূরে ।
এবার বাঁকার টানে সোজার বোঝা পড়ুক ভেঙে-চুরে।।
আরো দেখুন
আপনি আমার কোন্‌খানে
Songs
              আপনি আমার কোন্‌খানে
                   বেড়াই তারি সন্ধানে ॥
নানান রূপে নানা বেশে   ফেরে যেজন ছায়ার দেশে
তার পরিচয় কেঁদে হেসে শেষ হবে কি, কে জানে ॥
     আমার গানের গহন-মাঝে শুনেছিলেম যার ভাষা
              খুঁজে না পাই তার বাসা।
বেলা কখন যায় গো বয়ে,   আলো আসে মলিন হয়ে--
পথের বাঁশি যায় কী কয়ে বিকালবেলার মূলতানে।
আরো দেখুন
আমার সোনার বাংলা
Songs
     আমার   সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।
চিরদিন   তোমার আকাশ, তোমার বাতাস, আমার প্রাণে বাজায় বাঁশি ॥
     ও মা,   ফাগুনে তোর আমের বনে ঘ্রাণে পাগল করে,
                             মরি হায়, হায় রে--
ও মা,  অঘ্রানে তোর ভরা ক্ষেতে   আমি   কী দেখেছি মধুর হাসি ॥
          কী শোভা, কী ছায়া গো,   কী স্নেহ, কী মায়া গো--
          কী আঁচল বিছায়েছ বটের মূলে,   নদীর কূলে কূলে।
     মা, তোর   মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো,
                             মরি হায়, হায় রে--
মা, তোর   বদনখানি মলিন হলে,   ও মা,   আমি নয়নজলে ভাসি ॥
          তোমার এই   খেলাঘরে   শিশুকাল   কাটিলে রে,
          তোমারি   ধুলামাটি অঙ্গে মাখি ধন্য জীবন মানি।
  তুই   দিন ফুরালে সন্ধ্যাকালে কী দীপ জ্বালিস ঘরে,
                             মরি হায়, হায় রে--
তখন   খেলাধুলা সকল ফেলে,   ও মা,   তোমার কোলে ছুটে আসি ॥
          ধেনু-চরা তোমার মাঠে,   পারে যাবার খেয়াঘাটে,
          সারা দিন    পাখি-ডাকা ছায়ায়-ঢাকা তোমার পল্লীবাটে,
     তোমার     ধানে-ভরা আঙিনাতে জীবনের দিন কাটে,
                             মরি হায়, হায় রে--
ও মা,  আমার যে ভাই তারা সবাই, ও মা, তোমার রাখাল তোমার চাষি ॥
          ও মা, তোর   চরণেতে   দিলেম এই   মাথা পেতে--
          দে গো তোর   পায়ের ধূলা, সে যে আমার মাথার মানিক হবে।
     ও মা,   গরিবের ধন যা আছে তাই দিব চরণতলে,
                                  মরি হায়, হায় রে--
আমি    পরের ঘরে কিনব না আর,   মা, তোর ভূষণ ব'লে গলার ফাঁসি ॥
আরো দেখুন