১৯১ (sei to ami chai )

সেই তো আমি চাই--

সাধনা যে শেষ হবে মোর সে ভাবনা তো নাই ॥

ফলের তরে নয় তো খোঁজা,   কে বইবে সে বিষম বোঝা--

যেই ফলে ফল ধুলায় ফেলে আবার ফুল ফুটাই ॥

এমনি ক'রে মোর জীবনে অসীম ব্যাকুলতা,

নিত্য নূতন সাধনাতে নিত্যনূতন ব্যথা!

পেলেই সে তো ফুরিয়ে ফেলি,   আবার আমি দু হাত মেলি--

নিত্য দেওয়া ফুরায় না যে, নিত্য নেওয়া তাই ॥

রাগ: পিলু

তাল: তেওরা

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ২৮ ভাদ্র, ১৩২১

রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1914

রচনাস্থান: শান্তিনিকেতন

স্বরলিপিকার: সুধীরচন্দ্র কর

Rendition

Notation

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

মধুর বসন্ত এসেছে
Songs
মধুর বসন্ত এসেছে মধুর মিলন ঘটাতে।
মধুর মলয়-সমীরে মধুর মিলন রটাতে॥
    কুহক লেখনী ছুটায়ে    কুসুম তুলিছে ফুটায়ে,
    লিখিছে প্রণয়-কাহিনী   বিবিধ বরন-ছটাতে।
হেরো    পুরানো প্রাচীন ধরণী   হয়েছে শ্যামলবরনী,
যেন      যৌবন-প্রবাহ ছুটিছে কালের শাসন টুটাতে;
    পুরানো বিরহ হানিছে, নবীন মিলন আনিছে,
    নবীন বসন্ত আইল নবীন জীবন ফুটাতে॥
আরো দেখুন
পান্থ তুমি, পান্থজনের
Songs
পান্থ তুমি, পান্থজনের সখা হে,
     পথে চলাই সেই তো তোমায় পাওয়া।
যাত্রাপথের আনন্দগান যে গাহে
     তারি কণ্ঠে তোমারি গান গাওয়া ॥
               চায় না সে জন পিছন-পানে ফিরে,
              বায় না তরী কেবল তীরে তীরে,
              তুফান তারে ডাকে অকূল নীরে
                        যার পরানে লাগল তোমার হাওয়া ॥
পান্থ তুমি, পান্থজনের সখা হে,
     পথিকচিত্তে তোমার তরী বাওয়া।
দুয়ার খুলে সমুখ-পানে যে চাহে
     তার চাওয়া যে তোমার পানে চাওয়া।
              বিপদ বাধা কিছুই ডরে না সে,
              রয় না পড়ে কোনো লাভের আশে,
              যাবার লাগি মন তারি উদাসে--
                        যাওয়া সে যে তোমার পানে যাওয়া ॥
আরো দেখুন
বাজিবে, সখী, বাঁশি
Songs
বাজিবে, সখী, বাঁশি বাজিবে--
     হৃদয়রাজ হৃদে রাজিবে॥
বচন রাশি রাশি   কোথা যে যাবে ভাসি,
     অধরে লাজহাসি সাজিবে॥
নয়নে আঁখিজল   করিবে ছলছল,
     সুখবেদনা মনে বাজিবে।
মরমে মুরছিয়া   মিলাতে চাবে হিয়া
     সেই চরণযুগরাজীবে॥
আরো দেখুন