সখী, প্রতিদিন হায় এসে ফিরে যায় কে। তারে আমার মাথার একটি কুসুম দে॥ যদি শুধায় কে দিল কোন্ ফুলকাননে, মোর শপথ, আমার নামটি বলিস নে॥ সখী, সে আসি ধুলায় বসে যে তরুর তলে সেথা আসন-বিছায়ে রাখিস বকুলদলে। সে যে করুণা জাগায় সকরুণ নয়নে-- যেন কী বলিতে চায়, না বলিয়া যায় সে॥
রাজা মহারাজা কে জানে,আমিই রাজাধিরাজ। তুমি উজীর,কোতোয়াল তুমি, ওই ছোঁড়াগুলো বরকন্দাজ। যত সব কুঁড়ে আছে ঠাঁই জুড়ে কাজের বেলায় বুদ্ধি যায় উড়ে। পা ধোবার জল নিয়ে আয় ঝট্, কর্ তোরা সব যে যার কাজ।
এবেলা ডাক পড়েছে কোন্খানে ফাগুনের ক্লান্ত ক্ষণের শেষ গানে। সেখানে স্তব্ধ বীণার তারে তারে সুরের খেলা ডুবসাঁতারে-- সেখানে চোখ মেলে যার পাই নে দেখা তাহারে মন জানে গো, মন জানে॥ এবেলা মন যেতে চায় কোন্খানে নিরালায় লুপ্ত পথের সন্ধানে। সেখানে মিলনদিনের ভোলা হাসি লুকিয়ে বাজায় করুণ বাঁশি, সেখানে যে কথাটি হয় না বলা সে কথা রয় কানে গো, রয় কানে॥