২১ (ah bechechhi)

                  আঃ, বেঁচেছি এখন!

                            শর্ম্মা ও দিকে আর নন।

                   গোলেমালে ফাঁকতালে সটকেছি কেমন।

                   বাবা! দেখে বরা'র দাঁতের পাটি

                   লেগেছিল দাঁত-কপাটি,

                   পড়ল খ'সে হাতের লাঠি

                            কে জানে কখন।

                   চুলগুলা সব ঘাড়ে খাড়া,

                   চক্ষুদুটো মশাল-পারা,

                   গোঁ ভরে হেঁট-মুখে তাড়া

                            কল্লে সে যখন--

                   রাস্তা দেখতে পাই নে চোখে,

                   পেটের মধ্যে হাত পা ঢোকে,

                   চুপসে গেল ফাঁপা ভুঁড়ি

                            শঙ্কাতে তখন।        

রাগ: কাফি

তাল: কাহারবা-দাদরা

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): 1289

রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1882

স্বরলিপিকার: দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর

Rendition

Notation

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

যারে নিজে তুমি
Songs
যারে    নিজে তুমি ভাসিয়েছিলে দুঃখধারার ভরা স্রোতে
তারে   ডাক দিলে আজ কোন্‌ খেয়ালে
                   আবার তোমার ও পার হতে ॥
          শ্রাবণ-রাতে বাদল-ধারে উদাস ক'রে কাঁদাও যারে
          আবার তারে ফিরিয়ে আনো ফুল-ফোটানো ফাগুন-রাতে ॥
          এ পার হতে ও পার ক'রে    বাটে বাটে ঘোরাও মোরে।
          কুড়িয়ে আনা, ছড়িয়ে ফেলা,   এই কি তোমার একই খেলা--
          লাগাও ধাঁধা বারে বারে এই আঁধারে এই আলোতে ॥
আরো দেখুন
যখন ভাঙল মিলন-মেলা
Songs
                        যখন   ভাঙল মিলন-মেলা
                   ভেবেছিলুম ভুলব না আর চক্ষের জল ফেলা ॥
দিনে দিনে পথের ধুলায়   মালা হতে ফুল ঝরে যায়--
     জানি নে তো কখন এল বিস্মরণের বেলা ॥
                        দিনে দিনে কঠিন হল কখন বুকের তল--
                   ভেবেছিলেম ঝরবে না আর আমার চোখের জল।
                        হঠাৎ দেখা পথের মাঝে,   কান্না তখন থামে না যে--
                   ভোলার তলে তলে ছিল অশ্রুজলের খেলা ॥
আরো দেখুন
হে সন্ন্যাসী, হিমগিরি
Songs
হে সন্ন্যাসী,
     হিমগিরি ফেলে   নীচে নেমে এলে   কিসের জন্য।
     কুন্দমালতী   করিছে মিনতি,   হও প্রসন্ন॥
          যাহা-কিছু ম্লান বিরস জীর্ণ   দিকে দিকে দিলে করি বিকীর্ণ।
          বিচ্ছেদভারে   বনচ্ছায়ারে   করে বিষণ্ন-- হও প্রসন্ন॥
     সাজাবে কি ডালা, গাঁথিবে কি মালা   মরণসত্রে!
     তাই উত্তরী   নিলে ভরি ভরি   শুকানো পত্রে?
          ধরণী যে তব তাণ্ডবে সাথি   প্রলয়বেদনা নিল বুকে পাতি।
          রুদ্র, এবারে বরবেশে তারে   করো গো ধন্য-- হও প্রসন্ন॥
আরো দেখুন