২৯ (bharatsamudra tar bashpochchhas)

ভারতসমুদ্র তার বাষ্পোচ্ছ্বাস নিশ্বসে গগনে

আলোক করিয়া পান, উদাস দক্ষিণসমীরণে

অনির্বচনীয় যেন আনন্দের অব্যক্ত আবেগ।

উর্ধ্ববাহু হিমাচল, তুমি সেই উদ্বাহিত মেঘ

শিখরে শিখরে তব ছায়াচ্ছন্ন গুহায় গুহায়

রাখিছ নিরুদ্ধ করি-- পুনর্বার উন্মুক্ত ধারায়

নূতন আনন্দস্রোতে নব প্রাণে ফিরাইয়া দিতে

অসীমজিজ্ঞাসারত সেই মহাসমুদ্রের চিতে।

সেইমতো ভারতের হৃদয়সমুদ্র এতকাল

করিয়াছে উচ্চারণ ঊর্ধ্ব-পানে যে বাণী বিশাল,

অনন্তের জ্যোতিস্পর্শে অনন্তেরে যা দিয়েছে ফিরে,

রেখেছ সঞ্চয় করি হে হিমাদ্রি, তুমি স্তব্ধশিরে।

তব মৌন শৃঙ্গ-মাঝে তাই আমি ফিরি অন্বেষণে

ভারতের পরিচয় শান্ত-শিব-অদ্বৈতের সনে।

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

16
Verses
দামামা ওই বাজে,
দিন-বদলের পালা এল
ঝোড়ো যুগের মাঝে।
শুরু হবে নির্মম এক নূতন অধ্যায়,
নইলে কেন এত অপব্যয়--
আসছে নেমে নিষ্ঠুর অন্যায়,
অন্যায়েরে টেনে আনে অন্যায়েরই ভূত
ভবিষ্যতের দূত।
কৃপণতার পাথর-ঠেলা বিষম বন্যাধারা
লোপ করে দেয় নিঃস্ব মাটির নিষ্ফলা চেহারা।
জমে-ওঠা মৃত বালির স্তর
ভাসিয়ে নিয়ে ভর্তি করে লুপ্তির গহ্বর
পলিমাটির ঘটায় অবকাশ,
মরুকে সে মেরে মেরেই গজিয়ে তোলে ঘাস।
দুব্‌লা খেতের পুরানো সব পুনরুক্তি যত
অর্থহারা হয় সে বোবার মতো।
অন্তরেতে মৃত
বাইরে তবু মরে না যে অন্ন ঘরে করেছে সঞ্চিত--
ওদের ঘিরে ছুটে আসে অপব্যয়ের ঝড়,
ভাঁড়ারে ঝাঁপ ভেঙে ফেলে, চালে ওড়ায় খড়।
অপঘাতের ধাক্কা এসে পড়ে ওদের ঘাড়ে,
জাগায় হাড়ে হাড়ে।
হঠাৎ অপমৃত্যুর সংকেতে
নূতন ফসল চাষের তরে  আনবে নূতন খেতে।
শেষ পরীক্ষা ঘটাবে-- দুর্দৈবে--
জীর্ণ যুগে সঞ্চয়েতে কী যাবে,কী রইবে।
পালিশ-করা জীর্ণতাকে চিনতে হবে আজি,
দামামা তাই ওই উঠেছে বাজি।
আরো দেখুন
236
Verses
THE FADED flower sighs
that the spring has vanished for ever.
আরো দেখুন
48
Verses
দাদুরে যে মনে করে লিখেছ এ চিঠি
      তাই ভাবি দাদুতেও আছে কিছু মিঠি।
          সেটা কি অহৈতুকী প্রীতি
          অথবা চকোলেটের স্মৃতি--
এ কথাটা নয় খুব সোজা,
      হয়তো বছর-কয় যাবে নাকো বোঝা।
তবু যদি লিখে রাখি তাহে ক্ষতি নেই
      সংক্ষেপে এই--
ভিতরে এনেছ তুমি বিধাতার চিনি,
      আমি সে বাহির হতে বাজারেতে কিনি।
আরো দেখুন