32 (i feel that)

I FEEL THAT my heart will leave its own colour in all your scenes, O Earth, when I bid you farewell. Some notes of mine will be added to your seasons' melody, and my thoughts will breathe unrecognised through the cycle of shadows and sunshine.

In far-distant days summer will come to the lovers' garden, but they will not know that their flowers have borrowed an added beauty from my songs, nor that their love for this world has been deepened by mine.

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

ভুজ-পাশ-বদ্ধ অ্যান্টনি
Verses
এই তো আমরা দোঁহে বসে আছি কাছে কাছে!
একটি ভুজঙ্গ-ভুজে আমারে জড়ায়ে আছে;
আরেকটি শ্যাম-বাহু, শতেক মুকুতা ঝুলে,
সোনার মদিরা পাত্র আকাশে রয়েছে তুলে।
অলকের মেঘ মাঝে জ্বলিতেছে মুখখানি,
          রূপের মদিরা পিয়া
          আবেশে অবশ হিয়া,
পড়েছে মাতাল হয়ে, কখন্‌ কিছু না জানি!
রাখিয়া বক্ষের পরে অবশ চিবুক মোর,
হাসিতেছি তার পানে, হৃদয়ে আঁধার ঘোর!
বাতায়ন-যবনিকা, বাতাস, সরায়ে ধীরে
বীজন করিছে আসি এ মোর তাপিত শিরে।
          সম্মুখেতে দেখা যায়
          পীতবর্ণ বালুকায়
অস্তগামী রবিকর আদূর "নীলের' তীরে।
চেয়ে আছি, দেখিতেছি, নদীর সুদূর পারে,
          (কী জানি কিসের দুখ!)
          পশ্চিম দিকের মুখ
বিষণ্ণ হইয়া আসে সন্ধ্যার আঁধার ভারে।
প্রদোষ তারার মুখে হাসি আসি  উঁকি মারে!
রোমীয় স্বপন এক জাগিছে সম্মুখে মোর,
ঘুরিছে মাথার মাঝে, মাথায় লেগেছে ঘোর।
রোমীয় সমর-অস্ত্র ঝঞ্ঝনিয়া উঠে বাজি,
বিস্ফারিত নাসা চাহে রণ-ধূম পিতে আজি।
কিন্তু হায়! অমনি সে মুখ্‌ পানে হেসে চায়,
          কী জানি কী হয় মতি,
          হীন প্রমোদের প্রতি।
বীরের ভ্রূকুটিগুলি তখনি মিলায়ে যায়!
গরবিত, শূন্য হিয়া, জর্জর আবেশ-বাণে,
যে প্রমোদ ঘৃণা করি হেসে চাই তারি পানে।
অনাহূত হর্ষ এক জাগ্রতে স্বপনে আসি,
শৌর্যের সমাধি-পরে ঢালে রবি-কর রাশি!
কতবার ঘৃণি তারে! রমণী সে অবহেলে
পৌরুষ নিতেছে কাড়ি বিলাসের জালে ফেলে!
          কিন্তু সে অধর হতে
          অমনি অজস্র স্রোতে
ঝরে পড়ে মৃদু হাসি, চুম্বন অমৃত-মাখা
আমারে করিয়া তুলে, ভাঙাঘর ফুলে ঢাকা।
বীরত্বের মুখ খানি একবার মনে আনি,
তার পরে ওই মুখে ফিরাই নয়ন মম,
ওই মুখ! একখানি উজ্জ্বল কলঙ্ক সম!
ওই তার শ্যাম বাহু আমারে ধরেছে হায়!
অঙ্গুলির মৃদু স্পর্শে বল মোর চলে যায়!
মুখ ফিরাইয়া লই-- রমণী যেমনি ধীরি
মৃদু কণ্ঠে মৃদু কহে, অমনি আবার ফিরি।
রোমের আঁধার মেঘ দেখে যেই মুখ-'পরে,
অমনি দু বাহু দিয়ে কণ্ঠ জড়াইয়া ধরে,
বরষে নয়নবারি আমার বুকের মাঝ,
চুমিয়া সে অশ্রুবারি শুকানো বীরের কাজ।
তার পরে ত্যজি মোরে চরণ পড়িছে টলে,
থর থর কেঁপে বলে--"যাও, যাও, যাও চলে!'
ঢুলু ঢুলু আঁখিপাতা পুরে অশ্রু-মুকুতায়,
শ্যামল সৌন্দর্য তার হিম-শ্বেত হয়ে যায়!
জীবনের লক্ষ্য, আশা, ইচ্ছা, হারাইয়া ফেলি,
চেয়ে দেখি তার পানে কাতর নয়ন মেলি।
আবার ফিরাই মুখ, কটাক্ষেতে চেয়ে রই,
কল&ড়বঁ;ঙ্ক প্রমোদে মাতি তাহারে টানিয়া লই!
আরেকটি বার রোম, হইব সন্তান তোর
একটি বাসনা এই বন্দী এ হৃদয়ে মোর।
গৌরবে সম্মানে মরি এই এক আছে আশ,
চাহি না করিতে ব্যয় চুম্বনে অন্তিম শ্বাস!
বুঝি হায় সে আশাও পুরিবে না কোনো কালে
রোমীয় মৃত্যুও বুঝি ঘটিবে না এ কপালে!
          রোমীয় সমাধি চাই
          তাও বুঝি ভাগ্যে নাই,
ওই বুকে মরে যাব, বুঝি মরণের কালে!
আরো দেখুন
সন্ধ্যাতারা যে ফুল দিল
Verses
          সন্ধ্যাতারা যে ফুল দিল
                তোমার চরণ-তলে
          তারে আমি ধুয়ে দিলেম
                আমার নয়নজলে।
বিদায়-পথে যাবার বেলা ম্লান রবির রেখা
সারা দিনের ভ্রমণ-বাণী লিখল সোনার লেখা,
          আমি তাতেই সুর বসালেম
                আপন গানের ছলে।
          স্বর্ণ আলোর রথে চ'ড়ে
                নেমে এল রাতি--
          তারি আঁধার ভ'রে আমার
                হৃদয় দিনু পাতি।
মৌন-পারাবারের তলে হারিয়ে-যাওয়া কথায়,
বিশ্বহৃদয়-পূর্ণ-করা বিপুল নীরবতায়
          আমার বাণীর স্রোত মিলিছে
                নীরব কোলাহলে।
আরো দেখুন
নাম্নী - উষসী
Verses
ভোরের আগের যে প্রহরে
       স্তব্ধ অন্ধকার-'পরে
সুপ্তি-অন্তরাল হতে দূর সূর্যোদয়
              বনময়
পাঠায় নূতন জাগরণী,
              অতি মৃদু শিহরণী
              বাতাসের গায়ে;
          পাখির কুলায়ে
অস্পষ্ট কাকলি ওঠে আধোজাগা স্বরে,
              স্তম্ভিত আগ্রহভরে
অব্যক্ত বিরাট আশা ধ্যানে মগ্ন দিকে দিগন্তরে--
ও কোন্‌ তরুণ প্রাণে করিয়াছে ভর,
              অন্তর্গূঢ় সে প্রহর
              আত্ম-অগোচর।
          চিত্ত তার আপনার গভীর অন্তরে
              নিঃশব্দে প্রতীক্ষা করে
              পরিপূর্ণ সার্থকতা লাগি।
          সুপ্তি-মাঝে প্রতীক্ষিয়া আছে জাগি
              নির্মল নির্ভয়
              কোন্‌ দিব্য অভ্যুদয়।
কোন্‌ সে পরমা মুক্তি, কোন্‌ সেই আপনার
     দীপ্যমান মহা আবিষ্কার।
প্রভাতমহিমা ওর সম্‌বৃত রয়েছে নিশ্চেতনে,
     তাহারি আভাস পাই মনে।
          আমি ওই রথশব্দ শুনি,
সোনার বীণার তারে সংগীত আনিছে কোন্‌ গুণী।
              জাগিবে হৃদয়,
     ভুবন তাহার হবে বাণীময়;
          মানসকমল একমনা
নবোদিত তপনের করিবে প্রথম অভ্যর্থনা।
        জাগিবে নূতন দিবা উজ্জ্বল উল্লাসে
বর্ণে গন্ধে গানে প্রাণে মহোৎসবে তার চারি পাশে।
     নিরুদ্ধ চেতনা হতে হবে চ্যুত
     লালসা-আবেশে জড়ীভূত
          স্বপ্নের শৃঙ্খলপাশ।
বিলুপ্ত করিবে দূরে উন্মুক্ত বাতাস
দুর্বল দীপের গাঢ় বিষতপ্ত কলুষনিশ্বাস।
     আলোকের জয়ধ্বনি উঠিবে উচ্ছ্বসি--
          নাম কি উষসী।
আরো দেখুন