34 (translations: baul songs)

I

THIS LONGING TO meet in the play of love, my Lover, is not only mine but yours.

        Your lips can smile, your flute make music, only through delight in my love; therefore you are importunate even as 1.

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

ব্যর্থ মিলন
Verses
বুঝিলাম, এ মিলন ঝড়ের মিলন,
কাছে এনে দূরে দিল ঠেলি।
                   ক্ষুব্ধ মন
যতই ধরিতে চায়, বিরুদ্ধ আঘাতে
তোমারে হারায় হতাশ্বাস।
                   তব হাতে
দাক্ষিণ্য যে নাই, শুধু শিথিল পরশে
করিছে কৃপণ কৃপা। কর্তব্যের বশে
যে-দান করিলে তার মূল্য অপহরি
লুকায়ে রাখিলে কোথা
                   আমি খুঁজে মরি
                   পাই নে নাগাল। শরতের মেঘ তুমি
ছায়া মাত্র দিয়ে ভেসে যাও
                   --মরুভূমি
শূন্য-পানে চেয়ে থাকে, পিপাসা তাহার
সমস্ত হৃদয় ব্যাপি করে হাহাকার।
ভয় করিয়ো না মোরে।
                   এ করুণাকণা
রেখো মনে--ভুল করে মনে করিয়ো না
দস্যু আমি, লোভেতে নিষ্ঠুর।
                   জেনো মোরে
প্রেমের তাপস।
                   সুকঠোর ব্রত ধ'রে
করিব সাধনা,
                   আশাহীন ক্ষোভহীন
বহ্নিতপ্ত ধ্যানাসনে রব রাত্রিদিন।
ছাড়িয়া দিলাম হাত।
                   যদি কভু হয়
তপস্যা সার্থক, তবে পাইব হৃদয়।
না-ও যদি ঘটে, তবে আশাচঞ্চলতা
দাহিয়া হইবে শান্ত। সেও সফলতা।
আরো দেখুন
49
Verses
YOU CAME down from your throne and stood at my cottage door.
I was singing all alone in a corner, and the melody caught your ear. You came down and stood at my cottage door.
Masters are many in your hall, and songs are sung there at all hours. But the simple carol of this novice struck at your love. One plaintive little strain mingled with the great music of the world, and with a flower for a prize you came down and stopped at my cottage door.
আরো দেখুন
কাঁচা আম
Verses
               তিনটে কাঁচা আম পড়ে ছিল গাছতলায়
                       চৈত্রমাসের সকালে মৃদু রোদ্‌দুরে।
               যখন-দেখলুম অস্থির ব্যগ্রতায়
                          হাত গেল না কুড়িয়ে নিতে।
                   তখন চা খেতে খেতে মনে ভাবলুম,
                          বদল হয়েছে পালের হাওয়া
                   পুব দিকের খেয়ার ঘাট ঝাপসা হয়ে এলে।
           সেদিন গেছে যেদিন দৈবে-পাওয়া দুটি-একটি কাঁচা আম
                          ছিল আমার সোনার চাবি,
                       খুলে দিত সমস্ত দিনের খুশির গোপন কুঠুরি;
                          আজ সে তালা নেই, চাবিও লাগে না।
                   গোড়াকার কথাটা বলি।
           আমার বয়সে এ বাড়িতে যেদিন প্রথম আসছে বউ
                       পরের ঘর থেকে,
           সেদিন যে-মনটা ছিল নোঙর-ফেলা নৌকো
               বান ডেকে তাকে দিলে তোলপাড় করে।
                   জীবনের বাঁধা বরাদ্দ ছাপিয়ে দিয়ে
                       এল অদৃষ্টের বদান্যতা।
               পুরোনো ছেঁড়া আটপৌরে দিনরাত্রিগুলো
                       খসে পড়ল সমস্ত বাড়িটা থেকে।
               কদিন তিনবেলা রোশনচৌকিতে
                       চার দিকের প্রাত্যহিক ভাষা দিল বদলিয়ে;
                                ঘরে ঘরে চলল আলোর গোলমাল
                                        ঝাড়ে লণ্ঠনে।
                       অত্যন্ত পরিচিতের মাঝখানে
                                ফুটে উঠল অত্যন্ত আশ্চর্য।
                       কে এল রঙিন সাজে সজ্জায়,
                                আলতা-পরা পায়ে পায়ে--
           ইঙ্গিত করল যে, সে এই সংসারের পরিমিত দামের মানুষ নয়--
                   সেদিন সে ছিল একলা অতুলনীয়।
                          বালকের দৃষ্টিতে এই প্রথম প্রকাশ পেল--
           জগতে এমন কিছু যাকে দেখা যায় কিন্তু জানা যায় না।
                          বাঁশি থামল, বাণী থামল না--
                                আমাদের বধূ রইল
                          বিস্ময়ের অদৃশ্য রশ্মি দিয়ে ঘেরা।
           তার ভাব, তার আড়ি, তার খেলাধুলো ননদের সঙ্গে।
               অনেক সংকোচে অল্প একটু কাছে যেতে চাই,
                       তার ডুরে শাড়িটি মনে ঘুরিয়ে দেয় আবর্ত;
               কিন্তু, ভ্রূকুটিতে বুঝতে দেরি হয় না, আমি ছেলেমানুষ,
                   আমি মেয়ে নই, আমি অন্য জাতের।
               তার বয়স আমার চেয়ে দুই-এক মাসের
                       বড়োই হবে বা ছোটোই হবে।
                   তা হোক, কিন্তু এ কথা মানি,
                          আমরা ভিন্ন মসলায় তৈরি।
               মন একান্তই চাইত, ওকে কিছু একটা দিয়ে
                          সাঁকো বানিয়ে নিতে।
               একদিন এই হতভাগা কোথা থেকে পেল
                          কতকগুলো রঙিন পুথি;
                   ভাবলে, চমক লাগিয়ে দেবে।
                          হেসে উঠল সে; বলল,
                                "এগুলো নিয়ে করব কী।"
               ইতিহাসের উপেক্ষিত এই-সব ট্র্যাজেডি
                       কোথাও দরদ পায় না,
               লজ্জার ভারে বালকের সমস্ত দিনরাত্রির
                       দেয় মাথা হেঁট করে।
           কোন্‌ বিচারক বিচার করবে যে, মূল্য আছে
                                সেই পুঁথিগুলোর।
                   তবু এরই মধ্যে দেখা গেল, শস্তা খাজনা চলে
                       এমন দাবিও আছে ওই উচ্চাসনার--
                   সেখানে ওর পিড়ে পাতা মাটির কাছে।
                          ও ভালোবাসে কাঁচা আম খেতে
                       শুল্পো শাক আর লঙ্কা দিয়ে মিশিয়ে।
           প্রসাদলাভের একটি ছোট্ট দরজা খোলা আছে
               আমার মতো ছেলে আর ছেলেমানুষের জন্যেও।
                       গাছে চড়তে ছিল কড়া নিষেধ।
                          হাওয়া দিলেই ছুটে যেতুম বাগানে,
                       দৈবে যদি পাওয়া যেত একটিমাত্র ফল
                          একটুখানি দুর্লভতার আড়াল থেকে,
                       দেখতুম, সে কী শ্যামল, কী নিটোল, কী সুন্দর,
                          প্রকৃতির সে কী আশ্চর্য দান।
                       যে লোভী চিরে চিরে ওকে খায়
                          সে দেখতে পায় নি ওর অপরূপ রূপ।
           একদিন শিলবৃষ্টির মধ্যে আম কুড়িয়ে এনেছিলুম;
               ও বলল, "কে বলেছে তোমাকে আনতে।"
                       আমি বললুম, "কেউ না।"
                   ঝুড়িসুদ্ধ মাটিতে ফেলে চলে গেলুম।
           আর-একদিন মৌমাছিতে আমাকে দিলে কামড়ে;
                   সে বললে, "এমন করে ফল আনতে হবে না।"
                          চুপ করে রইলুম।
                                বয়স বেড়ে গেল।
           একদিন সোনার আংটি পেয়েছিলুম ওর কাছ থেকে;
               তাতে স্মরণীয় কিছু লেখাও ছিল।
           স্নান করতে সেটা পড়ে গেল গঙ্গার জলে--
                   খুঁজে পাই নি।
           এখনো কাঁচা আম পড়ছে খসে খসে
               গাছের তলায়, বছরের পর বছর।
                   ওকে আর খুঁজে পাবার পথ নেই।
আরো দেখুন