Stray Birds (TIME is the wealth of change, but )

139

TIME is the wealth of change, but the clock in its parody makes it mere change and no wealth.

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

54
Verses
THE CLOUD said to me, 'I vanish'; the Night said, 'I plunge into the fiery dawn.'
The Pain said, I remain in deep silence as his footprint.'
'I die into the fulness,' said my life to me.
The Earth said, 'My lights kiss your thoughts every moment.'
'The days pass,' Love said, 'but I wait for you.'
Death said, 'I ply the boat of your life across the sea.'
আরো দেখুন
হিমালয়
Verses
যেখানে জ্বলিছে সূর্য,             উঠিছে সহস্র তারা,
          প্রজ্বলিত ধূমকেতু বেড়াইছে ছুটিয়া।
অসংখ্য জগৎযন্ত্র,                ঘুরিছে নিয়মচক্রে
          অসংখ্য উজ্জ্বল গ্রহ রহিয়াছে ফুটিয়া।
গম্ভীর অচল তুমি,               দাঁড়ায়ে দিগন্ত ব্যাপি,
          সেই আকাশের মাঝে শুভ্র শির তুলিয়া।
নির্ঝর ছুটিছে বক্ষে,            জলদ ভ্রমিছে শৃঙ্গে,
          চরণে লুটিছে নদী শিলারাশি ঠেলিয়া।
তোমার বিশাল ক্রোড়ে         লভিতে বিশ্রাম-সুখ
          ক্ষুদ্র নর আমি এই আসিয়াছি ছুটিয়া।
পৃথিবীর কোলাহল,             পারি না সহিতে আর ,
          পৃথিবীর সুখ দুখ গেছে সব মিটিয়া ।
সারাদিন, সারারাত,             সমুচ্চ শিখরে বসি,
          চন্দ্র-সূর্য-গ্রহময় শূন্যপানে চাহিয়া।
জীবনের সন্ধ্যাকাল              কাটাইব ধীরে ধীরে,
          নিরালয় মরমের গানগুলি গাহিয়া।
গভীর নীরব গিরি,               জোছনা ঢালিবে চন্দ্র,
          দূরশৈলমালাগুলি চিত্রসম শোভিবে।
ধীরে ধীরে ঝুরু ঝুরু,          কাঁপিবেক গাছপালা
          একে একে ছোটো ছোটো তারাগুলি নিভিবে।
তখন বিজনে বসি,               নীরবে নয়ন মুদি,
          স্মৃতির বিষণ্ণ ছবি আঁকিব এ মানসে।
শুনিব সুদূর শৈলে,             একতানে নির্ঝারিণী,
          ঝর ঝর ঝর ঝর মৃদুধ্বনি বরষে।
ক্রমে ক্রমে আসিবেক            জীবনের শেষ দিন,
          তুষার শয্যার ' পরে রহিব গো শুইয়া।
মর মর মর মর                   দুলিবে গাছের পাতা
          মাথার উপরে হুহু -- বায়ু যাবে বহিয়া।
চোখের সামনে ক্রমে ,         নিভিবে রবির আলো
          বনগিরি নির্ঝরিণী অন্ধকারে মিশিবে।
তটিনীর মৃদুধ্বনি,                নিঝরের ঝর ঝর
          ক্রমে মৃদুতর হয়ে কানে গিয়া পশিবে।
এতকাল যার বুকে,             কাটিয়া গিয়াছে দিন,
          দেখিতে সে ধরাতল শেষ বার চাহিব।
সারাদিন কেঁদে কেঁদে --          ক্লান্ত শিশুটির মতো
          অনন্তের কোলে গিয়া ঘুমাইয়া পড়িব।
সে ঘুম ভাঙিবে যবে,              নূতন জীবন ল'য়ে,
          নূতন প্রেমের রাজ্যে পুন আঁখি মেলিব।
যত কিছু পৃথিবীর                 দুখ,জ্বালা, কোলাহল,
          ডুবায়ে বিস্মৃতি-জলে মুছে সব ফেলিব।
ওই যে অসংখ্য তারা,           ব্যাপিয়া অনন্ত শূন্য
          নীরবে পৃথিবী-পানে রহিয়াছে চাহিয়া।
ওই জগতের মাঝে,               দাঁড়াইব এক দিন,
          হৃদয় বিস্ময়-গান উঠিবেক গাহিয়া।
রবি শশি গ্রহ তারা,                ধূমকেতু শত শত
          আঁধার আকাশ ঘেরি নিঃশবদে ছুটিছে।
বিস্ময়ে শুনিব ধীরে,              মহাস্তব্ধ প্রকৃতির
          অভ্যন্তর হতে এক গীতধ্বনি উঠিছে।
গভীর আনন্দ-ভরে,               বিস্ফারিত হবে মন
          হৃদয়ের ক্ষুদ্র ভাব যাবে সব ছিঁড়িয়া।
তখন অনন্ত কাল,                 অনন্ত জগত-মাঝে
          ভুঞ্জিব অনন্ত প্রেম মনঃপ্রাণ ভরিয়া।
আরো দেখুন
বিচিত্রা
Verses
         ছিলাম যবে মায়ের কোলে,
         বাঁশি বাজানো শিখাবে ব'লে
চোরাই করে এনেছ মোরে তুমি,
                  বিচিত্রা হে, বিচিত্রা,
যেখানে তব রঙের রঙ্গভূমি।
          আকাশতলে এলায়ে কেশ
                   বাজালে বাঁশি চুপে,
          সে মায়াসুরে স্বপ্নছবি
                  জাগিল কত রূপে;
          লক্ষ্যহারা মিলিল তারা
                  রূপকথার বাটে,
         পারায়ে গেল ধূলির সীমা
                   তেপান্তরী মাঠে।
         নারিকেলের ডালের আগে
         দুপুরবেলা কাঁপন লাগে,
ইশারা তারি লাগিত মোর প্রাণে,
                    বিচিত্রা হে, বিচিত্রা,
কী বলে তারা কে বলো তাহা জানে।
          অর্থহারা সুরের দেশে
                    ফিরালে দিনে দিনে,
          ঝলিত মনে অবাক বাণী,
                    শিশির যেন তৃণে।
          প্রভাত-আলো উঠিত কেঁপে
                    পুলকে কাঁপা বুকে,
          বারণহীন নাচিত হিয়া
                     কারণহীন সুখে।
          
          জীবনধারা অকূলে ছোটে,
          দুঃখে সুখে তুফান ওঠে,
আমারে নিয়ে দিয়েছ তাহে খেয়া,
          বিচিত্রা হে, বিচিত্রা,
কালো গগনে ডেকেছে ঘন দেয়া।
          প্রাণের সেই ঢেউয়ের তালে
                    বাজালে তুমি বীণ,
          ব্যথায় মোর জাগায়ে নিয়ে
                    তারের রিনিরিন।
          পালের 'পরে দিয়েছ বেগে
                   সুরের হাওয়া তুলে,
          সহসা বেয়ে নিয়েছ তরী
                   অপূর্বেরি কূলে।
    
          চৈত্রমাসে শুক্ল নিশা
          জুঁহিবেলির গন্ধে মিশা;
জলের ধ্বনি তটের কোলে কোলে
          বিচিত্রা হে, বিচিত্রা,
অনিদ্রারে আকুল করি তোলে।
         যৌবনে সে উতল রাতে
         করুণ কার চোখে
সোহিনী রাগে মিলাতে মিড়
      চাঁদের ক্ষীণালোকে।
কাহার ভীরু হাসির 'পরে
          মধুর দ্বিধা ভরি
শরমে-ছোঁওয়া নয়নজল
         কাঁপাতে থরথরি।
         হঠাৎ কভু জাগিয়া উঠি
         ছিন্ন করি ফেলেছে টুটি
নিশীথিনীর মৌন যবনিকা,
          বিচিত্রা হে, বিচিত্রা,
হেনেছ তারে বজ্রানলশিখা।
     গভীর রবে হাঁকিয়া গেছ,
                 "অলস থেকো না গো।'
      নিবিড় রাতে দিয়েছ নাড়া,
                 বলেছ, "জাগো জাগো।'
    বাসরঘরে নিবালে দীপ,
           ঘুচালে ফুলহার,
    ধূলি-আঁচল দুলায়ে ধরা
           করিল হাহাকার।
          বুকের শিরা ছিন্ন করে
          ভীষণ পূজা করেছি তোরে,
কখনো পূজা শোভন শতদলে,-
                    বিচিত্রা হে, বিচিত্রা,
          হাসিতে কভু, কখনো আঁখিজলে।
          ফসল যত উঠেছে ফলি
                   বক্ষ বিভেদিয়া
          কণাকণায় তোমারি পায়
                   দিয়েছি নিবেদিয়া।
          তবুও কেন এনেছ ডালি
                   দিনের অবসানে;
          নিঃশেষিয়া নিবে কি ভরি
                   নিঃস্ব-করা দানে।
আরো দেখুন