Stray Birds (I HAVE sung the songs of thy day)

266

I HAVE sung the songs of thy day.

In the evening let me carry thy lamp through the stormy path.

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

অস্থানে
Verses
একই লতাবিতান বেয়ে চামেলি আর মধুমঞ্জরী
        দশটি বছর কাটিয়েছে গায়ে গায়ে,
রোজ সকালে সূর্য-আলোর ভোজে
        পাতাগুলি মেলে বলেছে
           "এই তো এসেছি'।
        অধিকারের দ্বন্দ্ব ছিল ডালে ডালে দুই শরিকে,
তবু তাদের প্রাণের আনন্দে
           রেষারেষির দাগ পড়ে নি কিছু।
কখন যে কোন্‌ কুলগ্নে ওই
        সংশয়হীন অবোধ চামেলি
কোমল সবুজ ডাল মেলে দিল
        বিজ্‌লিবাতির লোহার তারে তারে,
           বুঝতে পারে নি যে ওরা জাত আলাদা।
শ্রাবণ মাসের অবসানে আকাশকোণে
        সাদা মেঘের গুচ্ছগুলি
    নেমে নেমে পড়েছিল শালের বনে,
সেই সময়ে সোনায় রাঙা স্বচ্ছ সকালে
    চামেলি মেতেছিল অজস্র ফুলের গৌরবে।
কোথাও কিছু বিরোধ ছিল না,
        মৌমাছিদের আনাগোনায়
    উঠত কেঁপে শিউলিতলার ছায়া।
ঘুঘুর ডাকে দুই প্রহরে
        বেলা হত আলস্যে শিথিল।
    সেই ভরা শরতের দিনে সূর্য-ডোবার সময়
মেঘে মেঘে লাগল যখন নানা রঙের খেয়াল,
        সেই বেলাতে কখন এল
           বিজ্‌লিবাতির অনুচরের দল।
        চোখ রাঙালো চামেলিটার স্পর্ধা দেখে--
           শুষ্ক শূন্য আধুনিকের রূঢ় প্রয়োজনের 'পরে
নিত্যকালের লীলামধুর নিষ্প্রয়োজন অনধিকার
           হাত বাড়ালো কেন।
    তীক্ষ্ণ কুটিল আঁক্‌শি দিয়ে
           টেনে টেনে ছিনিয়ে ছিঁড়ে নিল
        কচি কচি ডালগুলি সব ফুলে-ভরা।
এত দিনে বুঝল হঠাৎ অবোধ চামেলিটা
        মৃত্যু-আঘাত বক্ষে নিয়ে,
               বিজ্‌লিবাতির তারগুলো ওই জাত আলাদা।
আরো দেখুন
জাগরণ
Verses
  কৃষ্ণপক্ষে আধখানা চাঁদ
            উঠল অনেক রাতে,
  খানিক কালো খানিক আলো
            পড়ল আঙিনাতে।
  ওরে আমার নয়ন, আমার
            নয়ন নিদ্রাহারা,
  আকাশ-পানে চেয়ে চেয়ে
            কত গুনবি তারা।
  সাড়া কারো নাই রে, সবাই
            ঘুমায় অকাতরে।
  প্রদীপগুলি নিবে গেল
        দুয়ার-দেওয়া ঘরে।
  তুই কেন আজ বেড়াস ফিরি
        আলোয় অন্ধকারে।
  তুই কেন আজ দেখিস চেয়ে
        বনপথের পারে।
  শব্দ কোথাও শুনতে কি পাস
        মাঠে তেপান্তরে।
  মাটি কোথাও উঠছে কেঁপে
        ঘোড়ার পদভরে?
  কোথাও ধুলো উড়ছে কি রে
        কোনো আকাশ-কোণে।
  আগুনশিখা যায় কি দেখা
        দূরের আম্রবনে।
  সন্ধ্যাবেলা তুই কি কারো
        লিখন পেয়েছিলি।
  বুকের কাছে লুকিয়ে রেখে
        শান্তি হারাইলি?
  নাচে রে তাই রক্ত নাচে
        সকল দেহ-মাঝে,
  বাজে রে তাই কী কথা তোর
        পাঁজর জুড়ে বাজে।
  আজিকে এই খণ্ড চাঁদের
        ক্ষীণ আলোকের 'পরে
  ব্যাকুল হয়ে অশান্ত প্রাণ
        আঘাত করে মরে।
  কী লুকিয়ে আছে ওরে,
        কী রেখেছে ঢেকে--
  কিসের কাঁপন কিসের আভাস
        পাই যে থেকে থেকে।
  ওরে, কোথাও নাই রে হাওয়া,
        স্তব্ধ বাঁশের শাখা--
  বালুতটের পাশে নদী
        কালির বর্ণে আঁকা।
  বনের 'পরে চেপে আছে
        কাহার অভিশাপ--
  ধরণীতল মূর্ছা গেছে
        লয়ে আপন তাপ।
  ওরে, হেথায় আনন্দ নেই--
        পুরানো তোর বাড়ি,
  ভাঙা দুয়ার বাদুড়কে ওই
        দিয়েছে পথ ছাড়ি।
  সন্ধ্যা হতে ঘুমিয়ে পড়ে
        যে যেথা পায় স্থান--
  জাগে না কেউ বীণা হাতে,
        গাহে না কেউ গান।
  হেথা কি তোর দুয়ারে কেউ
        পৌঁছোবে আজ রাতে--
  এক হাতে তার ধ্বজা তুলে,
        আলো আর-এক হাতে?
  হঠাৎ কিসের চঞ্চলতা
        ছুটে আসবে বেগে,
  গ্রামের পথে পাখিরা সব
        গেয়ে উঠবে জেগে।
উঠবে মৃদঙ বেজে বেজে
        গর্জি গুরুগুরু,
  অঙ্গে হঠাৎ দেবে কাঁটা,
        বক্ষ দুরুদুরু।
  ওরে নিদ্রাবিহীন আঁখি,
        ওরে শান্তিহারা,
  আঁধার পথে চেয়ে চেয়ে
        কার পেয়েছিস সাড়া।
আরো দেখুন
39
Verses
কল্যাণীয় শ্রীমান্‌ সরিৎচন্দ্রের শুভ পরিণয়
                 উপলক্ষে আশীর্বাদ--
             যুগলে তোমারা করো এক-চিতে
                   নব সংসার সৃষ্টি,
             তাহে বিধাতার প্রসাদ-অমৃতে
                   হোক কল্যাণ বৃষ্টি।
             চিরদিন ভ'রে অক্ষয় হোক্‌
                   প্রেমের মধুর বন্ধ,
             নবজীবনের জ্বলুক আলোক
                   মিলনের চিরানন্দ।
আরো দেখুন