দুষ্টু (dushtu)

তোমার কাছে আমিই দুষ্টু

          ভালো যে আর সবাই।

মিত্তিরদের কালু নিলু

          ভারি ঠাণ্ডা ক-ভাই!

যতীশ ভালো, সতীশ ভালো,

          ন্যাড়া নবীন ভালো,

তুমি বল ওরাই কেমন

          ঘর করে রয় আলো।

মাখন বাবুর দুটি ছেলে

          দুষ্টু তো নয় কেউ--

গেটে তাদের কুকুর বাঁধা

          কর্তেছে ঘেউ ঘেউ।

পাঁচকড়ি ঘোষ লক্ষ্মী ছেলে,

          দত্তপাড়ার গবাই,

তোমার কাছে আমিই দুষ্টু

          ভালো যে আর সবাই।

তোমার কথা আমি যেন

          শুনি নে কক্‌খনোই,

জামাকাপড় যেন আমার

          সাফ থাকে না কোনোই!

খেলা করতে বেলা করি,

          বৃষ্টিতে যাই ভিজে,

দুষ্টুপনা আরো আছে

          অমনি কত কী যে!

বাবা আমার চেয়ে ভালো?

          সত্যি বলো তুমি,

তোমার কাছে করেন নি কি

          একটুও দুষ্টুমি?

যা বল সব শোনেন তিনি,

          কিচ্ছু ভোলেন নাকো?

খেলা ছেড়ে আসেন চলে

          যেমনি তুমি ডাক?

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

৯২
Verses
৯২
সকল চাঁপাই দেয় মোর প্রাণে আনি
চির পুরাতন একটি চাঁপার বাণী॥    
আরো দেখুন
219
Verses
রাতের বাদল মাতে
     তমালের শাখে;
পাখির বাসায় এসে
     "জাগো জাগো' ডাকে।
আরো দেখুন
অবারিত
Verses
              ওগো, তোরা বল্‌ তো এরে
                        ঘরে বলি কোন্‌ মতে।
  এরে       কে বেঁধেছে হাটের মাঝে
                        আনাগোনার পথে।
              আসতে যেতে বাঁধে তরী
                        আমারি এই ঘাটে,
              যে খুশি সেই আসে--আমার
                        এই ভাবে দিন কাটে।
              ফিরিয়ে দিতে পারি না যে
                        হায় রে--
              কী কাজ নিয়ে আছি, আমার
              বেলা বহে যায় যে, আমার
                        বেলা বহে যায় রে।
              পায়ের শব্দ বাজে তাদের,
                        রজনীদিন বাজে।
  ওগো,     মিথ্যে তাদের ডেকে বলি,
                        "তোদের চিনি না যে!'
              কাউকে চেনে পরশ আমার,
                        কাউকে চেনে ঘ্রাণ,
              কাউকে চেনে বুকের রক্ত,
                        কাউকে চেনে প্রাণ।
              ফিরিয়ে দিতে পারি না যে
                        হায় রে--
              ডেকে বলি, "আমার ঘরে
              যার খুশি সেই আয় রে, তোরা
                        যার খুশি সেই আয় রে।'
              সকালবেলায় শঙ্খ বাজে
                        পুবের দেবালয়ে--
   ওগো,    স্নানের পরে আসে তারা
                        ফুলের সাজি লয়ে।
              মুখে তাদের আলো পড়ে
                        তরুণ আলোখানি;
              অরুণ পায়ের ধুলোটুকু
                        বাতাস লহে টানি।
              ফিরিয়ে দিতে পারি না যে
                        হায় রে--
              ডেকে বলি, "আমার বনে
              তুলিবি ফুল আয় রে তোরা,
                        তুলিবি ফুল আয় রে।'
              দুপুরবেলা ঘণ্টা বাজে
                        রাজার সিংহদ্বারে।
  ওগো,     কী কাজ ফেলে আসে তারা
                        এই বেড়াটির ধারে।
              মলিনবরন মালাখানি
                        শিথিল কেশে সাজে,
              ক্লিষ্টকরুণ রাগে তাদের
                        ক্লান্ত বাঁশি বাজে।
              ফিরিয়ে দিতে পারি না যে
                        হায় রে--
              ডেকে বলি, "এই ছায়াতে
              কাটাবি দিন আয় রে তোরা,
                        কাটাবি দিন আয় রে।'
              রাতের বেলা ঝিল্লি ডাকে
                        গহন বনমাঝে।
   ওগো,    ধীরে ধীরে দুয়ারে মোর
                        কার সে আঘাত বাজে।
              যায় না চেনা মুখখানি তার,
                        কয় না কোনো কথা,
              ঢাকে তারে আকাশ-ভরা
                        উদাস নীরবতা।
              ফিরিয়ে দিতে পারি না যে
                      হায় রে--
              চেয়ে থাকি সে মুখ-পানে--
              রাত্রি বহে যায়, নীরবে
                      রাত্রি বহে যায় রে।
আরো দেখুন