জ্যোতিষ-শাস্ত্র (jyotish shastro)

আমি শুধু বলেছিলেম --

    "কদম গাছের ডালে

পূর্ণিমা-চাঁদ আটকা পড়ে

    যখন সন্ধেকালে

       তখন কি কেউ তারে

       ধরে আনতে পারে।'

শুনে দাদা হেসে কেন

    বললে আমায়, "খোকা,

    তোর মতো আর দেখি নাইকো বোকা।

চাঁদ যে থাকে অনেক দূরে

    কেমন করে ছুঁই;

       আমি বলি, "দাদা, তুমি

    জান না কিচ্ছুই।

মা আমাদের হাসে যখন

    ওই জানলার ফাঁকে

তখন তুমি বলবে কি, মা

    অনেক দূরে থাকে।'

   তবু দাদা বলে আমায়, "খোকা,

       তোর মতো আর দেখি নাই তো বোকা।'

দাদা বলে, "পাবি কোথায়

       অত বড়ো ফাঁদ।'

  আমি বলি, "কেন দাদা,

       ওই তো ছোটো চাঁদ,

            দুটি মুঠোয় ওরে

            আনতে পারি ধরে।'

  শুনে দাদা হেসে কেন

         বললে আমায়, "খোকা,

         তোর মতো আর দেখি নাই তো বোকা।

  চাঁদ যদি এই কাছে আসত

       দেখতে কত বড়ো।'

  আমি বলি, "কী তুমি ছাই

       ইস্কুলে যে পড়।

  মা আমাদের চুমো খেতে

       মাথা করে নিচু,

  তখন কি আর মুখটি দেখায়

       মস্ত বড়ো কিছু।'

         তবু দাদা বলে আমায়, "খোকা,

         তোর মতো আর দেখি নাই তো বোকা।'

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

39
Verses
I.59. sadho, yah tan thath tanvure ka
O FRIEND! THIS body is His lyre;
He tightens its strings, and draws from it the melody of Brahma.
If the strings snap and the keys slacken, then to dust must this instrument of dust return:
Kabir says: 'None but Brahma can evoke its melodies.'
আরো দেখুন
সম্পূর্ণ
Verses
প্রথম তোমাকে দেখেছি তোমার
     বোনের বিয়ের বাসরে
          নিমন্ত্রণের আসরে।
সেদিন তখনো দেখেও তোমাকে দেখি নি,
     তুমি যেন ছিলে সূক্ষ্মরেখিণী
          ছবির মতো--
পেন্সিলে-আঁকা ঝাপসা ধোঁয়াটে লাইনে
     চেহারার ঠিক ভিতর দিকের
          সন্ধানটুকু পাই নে।
     নিজের মনের রঙ মেলাবার বাটিতে
          চাঁপালি খড়ির মাটিতে
      গোলাপি খড়ির রঙ হয় নি যে গোলা,
সোনালি রঙের মোড়ক হয় নি খোলা।
দিনে দিনে শেষে সময় এসেছে আগিয়ে,
     তোমার ছবিতে আমারি মনের
          রঙ যে দিয়েছি লাগিয়ে।
বিধাতা তোমাকে সৃষ্টি করতে এসে
          আনমনা হয়ে শেষে
               কেবল তোমার ছায়া
     রচে দিয়ে, ভুলে ফেলে গিয়েছেন--
          শুরু করেন নি কায়া।
     যদি শেষ করে দিতেন, হয়তো
          হত সে তিলোত্তমা,
               একেবারে নিরুপমা।
     যত রাজ্যের যত কবি তাকে
          ছন্দের ঘের দিয়ে
     আপন বুলিটি শিখিয়ে করত
          কাব্যের পোষা টিয়ে।
আমার মনের স্বপ্নে তোমাকে
          যেমনি দিয়েছি দেহ
     অমনি তখন নাগাল পায় না
সাহিত্যিকেরা কেহ।
     আমার দৃষ্টি তোমার সৃষ্টি
          হয়ে গেল একাকার।
মাঝখান থেকে বিশ্বপতির ঘুচে গেল অধিকার।
     তুমি যে কেমন আমিই কেবল জানি,
          কোনো সাধারণ বাণী
               লাগে না কোনোই কাজে।
     কেবল তোমার নাম ধ'রে মাঝে-মাঝে
          অসময়ে দিই ডাক,
     কোনো প্রয়োজন থাক্‌ বা নাই-বা থাক্‌।
        অমনি তখনি কাঠিতে-জড়ানো উলে
হাত কেঁপে গিয়ে গুন্‌তিতে যাও ভুলে।
কোনো কথা আর নাই কোনো অভিধানে
     যার এত বড়ো মানে।
আরো দেখুন
10
Verses
আমার এ জন্মদিন-মাঝে আমি হারা
আমি চাহি বন্ধুজন যারা
তাহাদের হাতের পরশে
মর্ত্যের অন্তিম প্রীতিরসে
নিয়ে যাব জীবনের চরম প্রসাদ,
নিয়ে যাব মানুষের শেষ আশীর্বাদ।
শূন্য ঝুলি আজিকে আমার;
দিয়েছি উজাড় করি
যাহা-কিছু আছিল দিবার,
প্রতিদানে যদি কিছু পাই
কিছু স্নেহ, কিছু ক্ষমা
তবে তাহা সঙ্গে নিয়ে যাই
পারের খেয়ায় যাব যবে
ভাষাহীন শেষের উৎসবে।
আরো দেখুন