৫৪ (nodi bohe jay nutan nutan bake)

নদী বহে যায় নূতন নূতন বাঁকে,

       সাগর সমান থাকে।

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

গান গাওয়ালে আমায় তুমি
Verses
       গান গাওয়ালে আমায় তুমি
              কতই ছলে যে,
       কত সুখের খেলায়, কত
              নয়নজলে হে।
                           ধরা দিয়ে দাও না ধরা,
                           এস কাছে, পালাও ত্বরা,
                                  পরান কর ব্যথায় ভরা
                                         পলে পলে হে।
                                  গান গাওয়ালে এমনি করে
                                         কতই ছলে যে।
       কত তীব্র তারে, তোমার
              বীণা সাজাও যে,
       শত ছিদ্র করে জীবন
              বাঁশি বাজাও হে।
                           তব সুরের লীলাতে মোর
                           জনম যদি হয়েছে ভোর,
                                  চুপ করিয়ে রাখো এবার
                                         চরণতলে হে,
                                  গান গাওয়ালে চিরজীবন
                                         কতই ছলে যে।
আরো দেখুন
25
Verses
জীবনের তপস্যায় এই লক্ষ্য মনে দিয়ো রেখে
স্বর্গেরে বাঁচাতে হবে দানবের আক্রমণ থেকে॥
আরো দেখুন
অস্থানে
Verses
একই লতাবিতান বেয়ে চামেলি আর মধুমঞ্জরী
        দশটি বছর কাটিয়েছে গায়ে গায়ে,
রোজ সকালে সূর্য-আলোর ভোজে
        পাতাগুলি মেলে বলেছে
           "এই তো এসেছি'।
        অধিকারের দ্বন্দ্ব ছিল ডালে ডালে দুই শরিকে,
তবু তাদের প্রাণের আনন্দে
           রেষারেষির দাগ পড়ে নি কিছু।
কখন যে কোন্‌ কুলগ্নে ওই
        সংশয়হীন অবোধ চামেলি
কোমল সবুজ ডাল মেলে দিল
        বিজ্‌লিবাতির লোহার তারে তারে,
           বুঝতে পারে নি যে ওরা জাত আলাদা।
শ্রাবণ মাসের অবসানে আকাশকোণে
        সাদা মেঘের গুচ্ছগুলি
    নেমে নেমে পড়েছিল শালের বনে,
সেই সময়ে সোনায় রাঙা স্বচ্ছ সকালে
    চামেলি মেতেছিল অজস্র ফুলের গৌরবে।
কোথাও কিছু বিরোধ ছিল না,
        মৌমাছিদের আনাগোনায়
    উঠত কেঁপে শিউলিতলার ছায়া।
ঘুঘুর ডাকে দুই প্রহরে
        বেলা হত আলস্যে শিথিল।
    সেই ভরা শরতের দিনে সূর্য-ডোবার সময়
মেঘে মেঘে লাগল যখন নানা রঙের খেয়াল,
        সেই বেলাতে কখন এল
           বিজ্‌লিবাতির অনুচরের দল।
        চোখ রাঙালো চামেলিটার স্পর্ধা দেখে--
           শুষ্ক শূন্য আধুনিকের রূঢ় প্রয়োজনের 'পরে
নিত্যকালের লীলামধুর নিষ্প্রয়োজন অনধিকার
           হাত বাড়ালো কেন।
    তীক্ষ্ণ কুটিল আঁক্‌শি দিয়ে
           টেনে টেনে ছিনিয়ে ছিঁড়ে নিল
        কচি কচি ডালগুলি সব ফুলে-ভরা।
এত দিনে বুঝল হঠাৎ অবোধ চামেলিটা
        মৃত্যু-আঘাত বক্ষে নিয়ে,
               বিজ্‌লিবাতির তারগুলো ওই জাত আলাদা।
আরো দেখুন