৪০ (ek je achhe buri)

      এক যে আছে বুড়ি

জন্মদিনে দিলেম তারে

      রঙিন সুরের ঘুড়ি।

পাঠ্যপুঁথির পাতাগুলো

      অবাক্‌ হয়ে রয়,

বৃদ্ধা মেয়ের উধাও চিত্ত

      ফেরে আকাশ-ময়।

কণ্ঠে ওঠে গুনগুনিয়ে

     সারে গামা পাধা

গানে গানে জাল বোনা হয়

     ম্যাট্রিকের এই বাধা।

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

বুদ্ধজন্মোৎসব
Verses
সংস্কৃত ছন্দের নিয়ম-অনুসারে পঠনীয়
           হিংসায় উন্মত্ত পৃথ্বী,
                 নিত্য নিঠুর দ্বন্দ্ব,
           ঘোর কুটিল পন্থ তার,
                 লোভজটিল বন্ধ।
      নূতন তব জন্ম লাগি কাতর যত প্রাণী,
      কর ত্রাণ মহাপ্রাণ, আন অমৃতবাণী,
           বিকশিত কর প্রেমপদ্ম
           চিরমধুনিষ্যন্দ।
শান্ত হে, মুক্ত হে, হে অনন্তপুণ্য,
           করুণাঘন, ধরণীতল কর কলঙ্কশূন্য।
           এসো দানবীর, দাও
                 ত্যাগকঠিন দীক্ষা,
           মহাভিক্ষু, লও সবার
                 অহংকার ভিক্ষা।
লোক লোক ভুলুক শোক, খণ্ডন কর মোহ,
উজ্জ্বল কর জ্ঞানসূর্য-উদয়-সমারোহ,
           প্রাণ লভুক সকল ভুবন,
                 নয়ন লভুক অন্ধ।
শান্ত হে, মুক্ত হে, হে অনন্তপুণ্য,
       করুণাঘন, ধরণীতল কর কলঙ্কশূন্য।
           ক্রন্দনময় নিখিলহৃদয়
                 তাপদহনদীপ্ত।
           বিষয়বিষ-বিকারজীর্ণ
                 খিন্ন অপরিতৃপ্ত।
           দেশ দেশ পরিল তিলক রক্তকলুষগ্লানি,
           তব মঙ্গলশঙ্খ আন, তব দক্ষিণ পাণি,
                 তব শুভ সংগীতরাগ,
                         তব সুন্দর ছন্দ।
           শান্ত হে, মুক্ত হে, হে অনন্তপুণ্য,
                 করুণাঘন, ধরণীতল কর কলঙ্কশূন্য।
আরো দেখুন
39
Verses
I.59. sadho, yah tan thath tanvure ka
O FRIEND! THIS body is His lyre;
He tightens its strings, and draws from it the melody of Brahma.
If the strings snap and the keys slacken, then to dust must this instrument of dust return:
Kabir says: 'None but Brahma can evoke its melodies.'
আরো দেখুন
তোমরা ও আমরা
Verses
তোমরা হাসিয়া বহিয়া চলিয়া যাও
            কুলুকুলুকল নদীর স্রোতের মতো।
   আমরা তীরেতে দাঁড়ায়ে চাহিয়া থাকি,
            মরমে গুমরি মরিছে কামনা কত।
   আপনা-আপনি কানাকানি কর সুখে,
   কৌতুকছটা উছসিছে চোখে মুখে,
   কমলচরণ পড়িছে ধরণী-মাঝে,
   কনকনূপুর রিনিকি ঝিনিকি বাঝে।
   অঙ্গে অঙ্গ বাঁধিছে রঙ্গপাশে,
            বাহুতে বাহুতে জড়িত ললিত লতা।
   ইঙ্গিতরসে ধ্বনিয়া উঠিছে হাসি,
            নয়নে নয়নে বহিছে গোপন কথা।
   আঁখি নত করি একেলা গাঁথিছ ফুল,
   মুকুর লইয়া যতনে বাঁধিছ চুল।
   গোপন হৃদয়ে আপনি করিছ খেলা,
   কী কথা ভাবিছ, কেমন কাটিছে বেলা।
   চকিতে পলকে অলক উড়িয়া পড়ে,
            ঈষৎ হেলিয়া আঁচল মেলিয়া যাও--
   নিমেষ ফেলিতে আঁখি না মেলিতে,ত্বরা
            নয়নের আড়ে না জানি কাহারে চাও।
   যৌবনরাশি টুটিতে লুটিতে চায়,
   বসনে শাসনে বাঁধিয়া রেখেছ তায়।
   তবু শতবার শতধা হইয়া ফুটে,
   চলিতে ফিরিতে ঝলকি চলকি উঠে।
   আমরা মূর্খ কহিতে জানি নে কথা,
            কী কথা বলিতে কী কথা বলিয়া ফেলি।
   অসময়ে গিয়ে লয়ে আপনার মন,
            পদতলে দিয়ে চেয়ে থাকি আঁখি মেলি।
   তোমরা দেখিয়া চুপি চুপি কথা কও,
   সখীতে সখীতে হাসিয়া অধীর হও,
   বসন-আঁচল বুকেতে টানিয়া লয়ে
   হেসে চলে যাও আশার অতীত হয়ে।
   আমরা বৃহৎ অবোধ ঝড়ের মতো
            আপন আবেগে ছুটিয়া চলিয়া আসি।
   বিপুল আঁধারে অসীম আকাশ ছেয়ে
      টুটিবারে চাহি আপন হৃদয়রাশি।
   তোমরা বিজুলি হাসিতে হাসিতে চাও,
   আঁধার ছেদিয়া মরম বিঁধিয়া দাও,
   গগনের গায়ে আগুনের রেখা আঁকি
  চকিতে চরণে চলে যাও দিয়ে ফাঁকি।
   অযতনে বিধি গড়েছে মোদের দেহ,
            নয়ন অধর দেয় নি ভাষায় ভরে।
   মোহন মধুর মন্ত্র জানি নে মোরা,
            আপনা প্রকাশ করিব কেমন করে?
   তোমরা কোথায় আমরা কোথায় আছি,
   কোনো সুলগনে হব না কি কাছাকাছি।
   তোমরা হাসিয়া বহিয়া চলিয়া যাবে,
   আমরা দাঁড়ায়ে রহিব এমনি ভাবে!
আরো দেখুন