৩৮ (ei jeno bhokter mon)

এই যেন ভক্তের মন

      বট অশ্বত্থের বন।

রচে তার সমুদার কায়াটি,

      ধ্যানঘন গম্ভীর ছায়াটি,

মর্মরে বন্দনমন্ত্র জাগায় রে

      বৈরাগী কোন্‌ সমীরণ।

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

67
Verses
বৈশাখের বেলফুল
         তারি গন্ধখানি
মিশায় কথার ছাঁদ
         রবি-আশীর্বাদ।
আরো দেখুন
2
Verses
লিখব তোমার রঙিন পাতায় কোন্‌ বারতা?
          রঙের তুলি পাব কোথায়?
সে রঙ তো নেই চোখের জলে, আছে কেবল হৃদয় তলে
                   প্রকাশ করি কিসের ছলে মনের কথা?
                   কইতে গেলে রইবে কি তার সরলতা?
                   বন্ধু তুমি বুঝবে কি মোর সহজ বলা?
                   নাই যে আমার ছলা-কলা।
          সুর যা ছিল বাহির ত্যেজে      অন্তরেতে উঠল বেজে,
                   একলা কেবল জানে সে-যে মোর দেবতা।
                   কেমন করে করব বাহির মনের কথা?
আরো দেখুন
কষ্টের জীবন
Verses
মানুষ কাঁদিয়া হাসে,
পুনরায় কাঁদে গো হাসিয়া।
পাদপ শুকায়ে গেলে,
তবুও সে না হয় পতিত,
তরণী ভাঙিয়া গেলে
তবু ধীরে যায় সে ভাসিয়া,
ছাদ যদি পড়ে যায়,
দাঁড়াইয়া রহে তবু ভিত।
বন্দী চলে যায় বটে,
তবুও তো রহে কারাগার,
মেঘে ঢাকিলেও সূর্য
কোনোমতে দিন অস্ত হয়,
তেমনি হৃদয় যদি
ভেঙেচুরে হয় চুরমার,
কোনোক্রমে বেঁচে থাকে
তবুও সে ভগন হৃদয়।
ভগন দর্পণ যথা,
ক্রমশ যতই ভগ্ন হয়,
ততই সে শত শত,
প্রতিবিম্ব করয়ে ধারণ,
তেমনি হৃদয় হতে,
কিছুই গো যাইবার নয়।
হোক না শীতল স্তব্ধ,
শত খন্ডে ভগ্ন চূর্ণ মন,
হউক-না রক্তহীন,
হীনতেজ তবুও তাহারে,
বিনিদ্র জ্বলন্ত জ্বালা,
ক্রমাগত করিবে দাহন,
শুকায়ে শুকায়ে যাবে,
অন্তর বিষম শোকভারে,
অথচ বাহিরে তার,
চিহ্নমাত্র না পাবে দর্শন।
আরো দেখুন