১৬৭ (batase nibile deep)

বাতাসে নিবিলে দীপ

      দেখা যায় তারা,

আঁধারেও পাই তবে

      পথের কিনারা।

সুখ-অবসানে আসে

      সম্ভোগের সীমা,

দুঃখ তবে এনে দেয়

      শান্তির মহিমা।

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

গানের সাজি
Verses
গানের সাজি এনেছি আজি,
     ঢাকাটি তার লও গো খুলে--
         দেখো তো চেয়ে কী আছে।
যে থাকে মনে স্বপন-বনে
     ছায়ার দেশে ভাবের কূলে
         সে বুঝি কিছু দিয়াছে।
কী যে সে তাহা আমি কি জানি,
ভাষায়-চাপা কোন্‌ সে বাণী
সুরের ফুলে গন্ধখানি
         ছন্দে বাঁধি গিয়াছে--
সে ফুল বুঝি হয়েছে পুঁজি,
         দেখো তো চেয়ে কী আছে।
দেখো তো, সখী দিয়েছে ও কি
     সুখের কাঁদা, দুখের হাসি,
         দুরাশাভরা চাহনি।
দিয়েছে কি না ভোরের বীণা,
     দিয়েছে কি সে রাতের বাঁশি
         গহন-গান-গাহনি।
বিপুল ব্যথা ফাগুন-বেলা,
সোহাগ কভু, কভু বা হেলা,
আপন মনে আগুন-খেলা
         পরানমন-দাহনি--
দেখো তো ডালা, সে স্মৃতি-ঢালা
             আছে আকুল চাহনি?
ডেকেছ কবে মধুর রবে,
     মিটালে কবে প্রাণের ক্ষুধা
         তোমার করপরশে,
সহসা এসে করুণ হেসে
     কখন চোখে ঢালিলে সুধা
         ক্ষণিক  তব দরশে--
বাসনা জাগে নিভৃতে চিতে
সে-সব দান ফিরায়ে দিতে
আমার দিনশেষের গীতে--
         সফল তারে করো-সে।
গানের সাজি খোলো গো আজি
         করুণ করপরশে।
রসে বিলীন সে-সব দিন
     ভরেছে আজি বরণডালা
         চরম তব বরণে!
সুরের ডোরে গাঁথনি করে
     রচিয়া মম বিরহমালা
রাখিয়া যাব চরণে।
একদা তব মনে না রবে,
স্বপনে এরা মিলাবে কবে,
তাহারি আগে মরুক তবে
         অমৃতময় মরণে
ফাগুনে তোরে বরণ করে
         সকল শেষ বরণে।
আরো দেখুন
রূপ-বিরূপ
Verses
এই মোর জীবনের মহাদেশে
     কত প্রান্তরের শেষে,
          কত প্লাবনের স্রোতে
               এলেম ভ্রমণ করি শিশুকাল হতে--
     কোথাও রহস্যঘন অরণ্যের ছায়াময় ভাষা,
          কোথাও পাণ্ডুর শুষ্ক মরুর নৈরাশা,
     কোথাও-বা যৌবনের কুসুমপ্রগল্‌ভ বনপথ,
          কোথাও-বা ধ্যানমগ্ন প্রাচীন পর্বত
     মেঘপুঞ্জে স্তব্ধ যার দুর্বোধ কী বাণী,
               কাব্যের ভাণ্ডারে আনি
          স্মৃতিলেখা ছন্দে রাখিয়াছি ঢাকি,
               আজ দেখি, অনেক রয়েছে বাকি।
     সুকুমারী লেখনীর লজ্জা ভয়
যা পুরুষ, যা নিষ্ঠুর, উৎকট যা, করে নি সঞ্চয়
                   আপনার চিত্রশালে;
          তার সংগীতের তালে
                   ছন্দোভঙ্গ হল তাই,
               সংকোচে সে কেন বোঝে নাই।
          সৃষ্টিরঙ্গভূমিতলে
রূপ-বিরূপের নৃত্য একসঙ্গে নিত্যকাল চলে,
     সে দ্বন্দ্বের করতালঘাতে
          উদ্দাম চরণপাতে
সুন্দরের ভঙ্গী যত অকুণ্ঠিত শক্তিরূপ ধরে,
     বাণীর সম্মোহবন্ধ ছিন্ন করে অবজ্ঞার ভরে।
তাই আজ বেদমন্ত্রে হে বজ্রী, তোমার করি স্তব--
               তব মন্ত্ররব
            করুক ঐশ্বর্যদান,
রৌদ্রী রাগিণীর দীক্ষা নিয়ে যাক মোর শেষগান,
          আকাশের রন্ধ্রে রন্ধ্রে
     রূঢ় পৌরুষের ছন্দে
          জাগুক হুংকার,
বাণীবিলাসীর কানে ব্যপ্ত হোক ভর্ৎসনা তোমার।
আরো দেখুন
33
Verses
আলো তার পদচিহ্ন
      আকাশে না রাখে--
চলে যেতে জানে, তাই
      চিরদিন থাকে।
আরো দেখুন