৩৪ (jokhon binay mor anmona sure)

যখন বীণায় মোর আনমনা সুরে

গান বেঁধেছিনু বসি একা

তখনো যে ছিলে তুমি দূরে,

দাও নাই দেখা;

কেমনে জানিব, সেই গান

অপরিচয়ের তীরে তোমারেই করিছে সন্ধান।

দেখিলাম, কাছে তুমি আসিলে যেমনি

তোমারি গতির তালে বাজে মোর এ ছন্দের ধ্বনি;

মনে হল, সুরের সে মিলে

উচ্ছ্বসিল আনন্দের নিশ্বাস নিখিলে।

বর্ষে বর্ষে পুষ্পবনে পুষ্পগুলি ফুটে আর ঝরে

এ মিলের তরে।

কবির সংগীতে বাণী অঞ্জলি পাতিয়া আছে জাগি

অনাগত প্রসাদের লাগি।

চলে লুকাচুরি খেলা বিশ্বে অনিবার

অজানার সাথে অজানার।

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

23
Verses
I CAME NEAREST to you, though I did not know it,-when I came to hurt you.
I owned you at last as my master when I fought against you to be defeated.
I merely made my debt to you burdensome when I robbed you in secret.
I struggled in my pride against your current only to feel all your force in my breast.
Rebelliously I put out the light in my house and your sky surprised me with its stars.
আরো দেখুন
16
Verses
এবার     ভাসিয়ে দিতে হবে আমার
             এই তরী।      
  তীরে বসে যায় যে বেলা,
            মরি গো মরি।
  ফুল-ফোটানো সারা ক'রে
  বসন্ত যে গেল স'রে,
  নিয়ে ঝরা ফুলের ডালা
            বলো কী করি।
  জল উঠেছে ছলছলিয়ে
            ঢেউ উঠেছে দুলে,
  মর্মরিয়ে ঝরে পাতা
            বিজন তরুমূলে।
  শূন্য মনে কোথায় তাকাস।
  সকল বাতাস সকল আকাশ
  ওই পারের ওই বাঁশির সুরে
            উঠে শিহরি।
আরো দেখুন
আঠারো
Verses
শ্রীযুক্ত চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য সুহৃদ্‌বরেষু
আমরা কি সত্যই চাই শোকের অবসান?
আমাদের গর্ব আছে নিজের শোককে নিয়েও।
আমাদের অতি তীব্র বেদনাও
বহন করে না স্থায়ী সত্যকে--
সান্ত্বনা নেই এমন কথায়;
এতে আঘাত লাগে আমাদের দুঃখের অহংকারে।
জীবনটা আপন সকল সঞ্চয়
ছড়িয়ে রাখে কালের চলাচলের পথে;
তার অবিরাম-ধাবিত চাকার তলায়
গুরুতর বেদনার চিহ্নও যায়
জীর্ণ হয়ে, অস্পষ্ট হয়ে।
আমাদের প্রিয়তমের মৃত্যু
একটিমাত্র দাবি করে আমাদের কাছে
সে বলে--"মনে রেখো।"
কিন্তু সংখ্যা নেই প্রাণের দাবির,
তার আহ্বান আসে চারিদিক থেকেই
মনের কাছে;
সেই উপস্থিত কালের ভিড়ের মধ্যে
অতীতকালের একটিমাত্র আবেদন
কখন হয় অগোচর।
যদি বা তার কথাটা থাকে
তার ব্যথাটা যায় চলে।
তবু শোকের অভিমান
জীবনকে চায় বঞ্চিত করতে।
স্পর্ধা ক'রে প্রাণের দূতগুলিকে বলে--
খুলব না দ্বার।
প্রাণের ফসলখেত বিচিত্র শস্যে উর্বর,
অভিমানী শোক তারি মাঝখানে
ঘিরে রাখতে চায় শোকের দেবত্র জমি,--
সাধের মরুভূমি বানায় সেখানটাতে,
তার খাজনা দেয় না জীবনকে।
মৃত্যুর সঞ্চয়গুলি নিয়ে
কালের বিরুদ্ধে তার অভিযোগ।
সেই অভিযোগে তার হার হতে থাকে দিনে দিনে।
কিন্তু চায় না সে হার মানতে;
মনকে সমাধি দিতে চায়
তার নিজকৃত কবরে।
সকল অহংকারই বন্ধন,
কঠিন বন্ধন আপন শোকের অহংকার।
ধন জন মান সকল আসক্তিতেই মোহ,
নিবিড় মোহ আপন শোকের আসক্তিতে।
আরো দেখুন