120 (blessings have i won)

BLESSINGS HAVE I won in this life

of the Beautiful.

In the vessel of man's affection I taste His own divine nectar.

Sorrow, hard to bear,

has shown me the unhurt, unconquered soul.

On the day when I felt death's impending shadow,

fear's defeat has not been mine.

The great ones of the Earth

have not deprived me of their touch,

their undying words have I stored in my heart.

Grace I had from the god of life:

this memory let me leave

in grateful words.

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

7
Verses
MY SONG HAS put off her adornments. She has no pride of dress and decoration. Ornaments would mar our union; they would come between thee and me; their jingling would drown thy whispers.
My poet's vanity dies in shame before thy sight. O master poet, I have sat down at thy feet. Only let me make my life simple and straight, like a flute of reed for thee to fill with music.
আরো দেখুন
মুক্তপথে
Verses
বাঁকাও ভুরু দ্বারে আগল দিয়া,
          চক্ষু করো রাঙা,
ওই আসে মোর জাত-খোয়ানো প্রিয়া
          ভদ্র-নিয়ম-ভাঙা।
আসন পাবার কাঙাল ও নয় তো
          আচার-মানা ঘরে--
আমি ওকে বসাব হয়তো
          ময়লা কাঁথার 'পরে।
সাবধানে রয় বাজার-দরের খোঁজে
          সাধু গাঁয়ের লোক,
ধুলার বরন ধূসর বেশে ও যে
          এড়ায় তাদের চোখ।
বেশের আদর করতে গিয়ে ওরা
          রূপের আদর ভোলে--
আমার পাশে ও মোর মনোচোরা,
          একলা এসো চলে।
হঠাৎ কখন এসেছ ঘর ফেলে
          তুমি পথিক-বধূ,
মাটির ভাঁড়ে কোথার থেকে পেলে
          পদ্মবনের মধু।
ভালোবাসি ভাবের সহজ খেলা
          এসেছ তাই শুনে--
মাটির পাত্রে নাইকো আমার হেলা
          হাতের পরশগুণে।
পায়ে নূপুর নাই রহিল বাঁধা,
          নাচেতে কাজ নাই,
যে-চলনটি রক্তে তোমার সাধা
          মন ভোলাবে তাই।
লজ্জা পেতে লাগে তোমার লাজ
          ভূষণ নেইকো ব'লে,
নষ্ট হবে নেই তো এমন সাজ
          ধুলোর 'পরে চ'লে।
গাঁয়ের কুকুর ফেরে তোমার পাশে,
          রাখালরা হয় জড়ো,
বেদের মেয়ের মতন অনায়াসে
          টাট্টু ঘোড়ায় চড়ো।
ভিজে শাড়ি হাঁটুর 'পরে তুলে
          পার হয়ে যাও নদী,
বামুনপাড়ার রাস্তা যে যাই ভুলে
          তোমায় দেখি যদি।
হাটের দিনে শাক তুলে নাও ক্ষেতে
          চুপড়ি নিয়ে কাঁখে,
মটর কলাই খাওয়াও আঁচল পেতে
          পথের গাধাটাকে।
মানো' নাকো বাদল দিনের মানা,
          কাদায়-মাখা পায়ে
মাথায় তুলে কচুর পাতাখানা
          যাও চলে দূর গাঁয়ে।
পাই তোমারে যেমন খুশি তাই
          যেথায় খুশি সেথা।
আয়োজনের বালাই কিছু নাই
          জানবে বলো কে তা।
সতর্কতার দায় ঘুচায়ে দিয়ে
          পাড়ার অনাদরে
এসো ও মোর জাত-খোয়ানো প্রিয়ে,
          মুক্ত পথের 'পরে।
আরো দেখুন
11
Verses
"ওগো পথিক দিনের শেষে
যাত্রা তোমার সে কোন্‌ দেশে,
     এ পথ গেছে কোন্‌খানে?"
     "কে জানে ভাই, কে জানে।
চন্দ্রসূর্য-গ্রহতারার
আলোক দিয়ে প্রাচীর-ঘেরা
     আছে যে এক নিকুঞ্জবন নিভৃতে,
চরাচরের হিয়ার কাছে
তারি গোপন দুয়ার আছে
     সেইখানে ভাই, করব গমন নিশীথে।"
"ওগো পথিক, দিনের শেষে
চলেছ যে এমন বেশে
     কে  আছে বা সেইখানে?"
     "কে জানে ভাই, কে জানে।
বুকের কাছে প্রাণের সেতার
গুঞ্জরি নাম কহে যে তার,
     শুনেছিলাম জোৎস্নারাতের স্বপনে।
অপূর্ব তার চোখের চাওয়া,
অপূর্ব তার গায়ের হাওয়া,
     অপূর্ব তার আসা-যাওয়া গোপনে।"
"ওগো পথিক, দিনের শেষে
চলেছ যে এমন হেসে,
     কিসের বিলাস সেইখানে?"
     "কে জানে ভাই, কে জানে।
জগৎজোড়া সেই সে ঘরে
কেবল দুটি মানুষ ধরে
     আর সেখানে ঠাঁই নাহি তো কিছুরি;
সেথা মেঘের কোণে কোণে
কেবলি দেখি ক্ষণে ক্ষণে
     একটি নাচে আনন্দময় বিজুরি।"
"ওগো পথিক, দিনের শেষে
চলেছ যে,কেই বা এসে,
     পথ দেখাবে সেইখানে?"
     "কে জানে গো, কে জানে।
শুনেছি সেই একটি বাণী
পথ দেখাবার মন্ত্রখানি,
     লেখা আছে সকল আকাশ-মাঝে গো;
সে মন্ত্র এই প্রাণের পারে
অনাহত বীণার তারে
     গভীর সুরে বাজে সকাল-সাঁঝে গো।"
আরো দেখুন