২৮ (tumi tabe eso naath)

তুমি তবে এসো নাথ, বোসো শুভক্ষণে

দেহে মনে গাঁথা এই মহা সিংহাসনে।

মোর দু নয়নে ব্যাপ্ত এই নীলাম্বরে

কোনো শূন্য রাখিয়ো না আর-কারো তরে,

আমার সাগরে শৈলে কান্তারে কাননে,

আমার হৃদয়ে দেহে; সজনে নির্জনে।

জ্যোৎস্নাসুপ্ত নিশীথের নিস্তব্ধ প্রহরে

আনন্দে বিষাদে গাঁথা ছায়ালোক-'পরে

বোসো তুমি মাঝখানে। শান্তিরস দাও

আমার অশ্রুর জলে,শ্রীহস্ত বুলাও

সকল স্মৃতির 'পরে, প্রেয়সীর প্রেমে

মধুর মঙ্গলরূপে তুমি এসো নেমে।

সকল সংসারবন্ধে বন্ধনবিহীন

তোমার মহান মুক্তি থাক্‌ রাত্রিদিন।

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

তাই তোমার আনন্দ আমার 'পর
Verses
       তাই  তোমার আনন্দ আমার 'পর
              তুমি  তাই এসেছ নীচে।
       আমায় নইলে ত্রিভুবনেশ্বর,
              তোমার     প্রেম হত যে মিছে।
                           আমায় নিয়ে মেলেছ এই মেলা,
                           আমার হিয়ায় চলছে রসের খেলা,
                           মোর জীবনে বিচিত্ররূপ ধরে
                                  তোমার     ইচ্ছা তরঙ্গিছে।
       তাই তো তুমি রাজার রাজা হয়ে
              তবু         আমার হৃদয় লাগি
       ফিরছ কত মনোহরণ-বেশে
              প্রভু        নিত্য আছ জাগি।
                           তাই তো, প্রভু, হেথায় এল নেমে,
                           তোমারি প্রেম ভক্ত প্রাণের প্রেমে,
                           মূর্তি তোমার যুগল-সম্মিলনে
                                 সেথায়       পূর্ণ প্রকাশিছে।
আরো দেখুন
32
Verses
AS THE TENDER twilight covers in its fold of dusk-veil marks of
hurt and wastage from the dusty day's prostration, even so
let my great sorrow for thy loss. Beloved, spread one
perfect golden-tinted silence of its sadness o'er my life.
Let all its jagged fractures and distortions, all unmeaning
scattered scraps and wrecks and random ruins, merge in
vastness of some evening stilled with thy remembrance,
filled with endless harmony of pain and peace united.
আরো দেখুন
কণ্টকের কথা
Verses
একদা পুলকে প্রভাত-আলোকে
      গাহিছে পাখি,
কহে কণ্টক বাঁকা কটাক্ষে
      কুসুমে ডাকি--
তুমি তো কোমল বিলাসী কমল,
      দুলায় বায়ু,
দিনের কিরণ ফুরাতে ফুরাতে
      ফুরায় আয়ু ;
এ পাশে মধুপ মধুমদে ভোর,
ও পাশে পবন পরিমল-চোর,
বনের দুলাল, হাসি পায় তোর
      আদর দেখে।
আহা মরি মরি  কী রঙিন বেশ,
সোহাগহাসির নাহি আর শেষ,
সারাবেলা ধরি রসালসাবেশ
      গন্ধ মেখে।
হায় কদিনের আদর-সোহাগ,
    সাধের খেলা
ললিত মাধুরী, রঙিন বিলাস,
      মধুপ-মেলা।
ওগো নহি আমি তোদের মতন
      সুখের প্রাণী--
হাব ভাব হাস, নানারঙা বাস
      নাহিকো জানি।
রয়েছি নগ্ন, জগতে লগ্ন
      আপন বলে;
কে পারে তাড়াতে, আমারে মাড়াতে
      ধরণীতলে।
তোদের মতন নহি নিমেষের,
আমি এ নিখিলে চিরদিবসের,
বৃষ্টি-বাদল ঝড়-বাতাসের
      না রাখি ভয়।
সতত একাকী, সঙ্গীবিহীন--
কারো কাছে কোনো নাহি প্রেম-ঋণ,
চাটুগান শুনি সারা নিশিদিন
      করি না ক্ষয়।
আসিবে তো শীত, বিহঙ্গগীত
      যাইবে থামি,
ফুলপল্লব ঝরে যাবে সব--
      রহিব আমি।
চেয়ে দেখো মোরে, কোনো বাহুল্য
      কোথাও নাই,
স্পষ্ট সকলি     আমার মূল্য
      জানে সবাই।
এ ভীরু জগতে যার কাঠিন্য
      জগৎ তারি।
নখের আঁচড়ে আপন চিহ্ন
      রাখিতে পারি।
কেহ জগতেরে চামর ঢুলায়,
চরণে কোমল হস্ত বুলায়,
নতমস্তকে লুটায়ে ধুলায়
      প্রণাম করে।
ভুলাইতে মন কত করে ছল--
কাহারো বর্ণ, কারো পরিমল,
বিফল বাসরসজ্জা, কেবল
      দুদিন-তরে।
কিছুই করি না, নীরবে দাঁড়ায়ে
      তুলিয়া শির
বিঁধিয়া রয়েছি অন্তর-মাঝে
      এ পৃথিবীর।
আমারে তোমরা চাহ না চাহিতে
      চোখের কোণে,
গরবে ফাটিয়া উঠেছ ফুটিয়া
      আপন মনে।
আছে তব মধু, থাক্‌ সে তোমার,
      আমার নাহি।
আছে তব রূপ--    মোর পানে কেহ
      দেখে না চাহি।
কারো আছে শাখা, কারো আছে দল,
কারো আছে ফুল, কারো আছে ফল,
আমারি হস্ত রিক্ত কেবল
     দিবসযামী।
ওহে তরু, তুমি বৃহৎ প্রবীণ,
আমাদের প্রতি অতি উদাসীন--
আমি বড়ো নহি, আমি ছায়াহীন,
    ক্ষুদ্র আমি।
হই না ক্ষুদ্র, তবুও রুদ্র
    ভীষণ ভয়--
আমার দৈন্য সে মোর সৈন্য,
    তাহারি জয়।
আরো দেখুন