45 (bring beauty and order)

BRING BEAUTY and order into my forlorn life, woman, as you brought them into my house when you lived. Sweep away the dusty fragments of the hours, fill the empty jars and mend all neglects. Then open the inner door of the shrine, light the candle, and let us meet there in silence before our God.

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

63
Verses
MY KING'S road that lies still before my house makes my heart wistful.
It stretches its beckoning hand towards me; its silence calls me out of my home; with dumb entreaties it kisses my feet at every step.
It leads me on I know not to what abandonment, to what sudden gain or surprises of distress.
I know not where its windings end-
But my King's road that lies still before my house makes my heart
wistful.
আরো দেখুন
কালিদাসের প্রতি
Verses
আজ তুমি কবি শুধু, নহ আর কেহ--
কোথা তব রাজসভা, কোথা তব গেহ,
কোথা সেই উজ্জয়িনী--কোথা গেল আজ
প্রভু তব, কালিদাস, রাজ-অধিরাজ।
কোনো চিহ্ন নাহি কারো। আজ মনে হয়
ছিলে তুমি চিরদিন চিরানন্দময়
অলকার অধিবাসী। সন্ধ্যাভ্রশিখরে
ধ্যান ভাঙি উমাপতি ভূমানন্দভরে
নৃত্য করিতেন যবে, জলদ সজল
গর্জিত মৃদঙ্গরবে, তড়িৎ চপল
ছন্দে ছন্দে দিত তাল, তুমি সেই ক্ষণে
গাহিতে বন্দনাগান--গীতিসমাপনে
কর্ণ হতে বর্হ খুলি স্নেহহাস্যভরে
পরায়ে দিতেন গৌরী তব চূড়া-'পরে।
আরো দেখুন
প্রাণের রস
Verses
আমাকে শুনতে দাও,
                 আমি কান পেতে আছি।
                     পড়ে আসছে বেলা;
              পাখিরা গেয়ে নিচ্ছে দিনের শেষে
                কণ্ঠের সঞ্চয় উজাড়-করে-দেবার গান।
                     ওরা আমার দেহ-মনকে নিল টেনে
                  নানা সুরের, নানা রঙের,
                       নানা খেলার
                            প্রাণের মহলে।
                ওদের ইতিহাসের আর কোনো সাড়া নেই,
                কেবল এইটুকু কথা--
                        আছি, আমরা আছি, বেঁচে আছি,
                  বেঁচে আছি এই আশ্চর্য মুহূর্তে।--
                   এই কথাটুকু পৌঁছল আমার মর্মে।
         বিকালবেলায় মেয়েরা জল ভরে নিয়ে যায় ঘটে,
               তেমনি করে ভরে নিচ্ছি প্রাণের এই কাকলি
                          আকাশ থেকে
                               মনটাকে ডুবিয়ে দিয়ে।
            আমাকে একটু সময় দাও।
                আমি মন পেতে আছি।
ভাঁটা-পড়া বেলায়,
              ঘাসের উপরে ছড়িয়ে-পড়া বিকেলের আলোতে
                      গাছেদের নিস্তব্ধ খুশি,
                মজ্জার মধ্যে লুকোনো খুশি,
                      পাতায় পাতায় ছড়ানো খুশি।
            আমার প্রাণ নিজেকে বাতাসে মেলে দিয়ে
                নিচ্ছে বিশ্বপ্রাণের স্পর্শরস
                     চেতনার মধ্যে দিয়ে ছেঁকে।
                এখন আমাকে বসে থাকতে দাও,
                               আমি চোখ মেলে থাকি।
                                    তোমরা এসেছ তর্ক নিয়ে।
                               আজ দিনান্তের এই পড়ন্ত রোদ্দুরে
                                    সময় পেয়েছি একটুখানি;
                                এর মধ্যে ভালো নেই, মন্দ নেই,
                                    নিন্দা নেই, খ্যাতি নেই।
                               দ্বন্দ্ব নেই, দ্বিধা নেই--
                                    আছে বনের সবুজ,
                                জলের ঝিকিমিকি--
                               জীবনস্রোতের উপর তলে
               অল্প একটু কাঁপন, একটু কল্লোল,
                     একটু ঢেউ।
                    আমার এই একটুখানি অবসর
                         উড়ে চলেছে
                    ক্ষণজীবী পতঙ্গের মতো
              সূর্যাস্তবেলার আকাশে
                   রঙিন ডানার শেষ খেলা চুকিয়ে দিতে--
                           বৃথা প্রশ্ন কোরো না।
                  বৃথা এনেছ তোমাদের যত দাবি।
           আমি বসে আছি বর্তমানের পিছন মুখে
অতীতের দিকে গড়িয়ে-পড়া ঢালুতটে।
                   নানান বেদনায় ধেয়ে-বেড়ানো প্রাণ
                        একদিন করে গেছে লীলা
              ওই বনবীথির ডাল দিয়ে বিনুনি-করা
                                   আলোছায়ায়।
         আশ্বিনে দুপুর বেলা
              এই কাঁপনলাগা ঘাসের উপর,
                   মাঠের পারে, কাশের বনে,
                        হাওয়ায় হাওয়ায় স্বগত উক্তি
                   মিলেছে আমার জীবনবীণার ফাঁকে ফাঁকে।
                যে সমস্যাজাল
              সংসারের চারি দিকে পাকে-পাকে জড়ানো
                        তার সব গিঁঠ গেছে ঘুচে।
              যাবার পথের যাত্রী পিছনে যায় নি ফেলে
                কোনো উদ্‌যোগ, কোনো উদ্‌বেগ, কোনো আকাঙক্ষা;
                   কেবল গাছের পাতার কাঁপনে
                           এই বাণীটি রয়ে গেছে--
                                         তারাও ছিল বেঁচে,
                     তারা যে নেই তার চেয়ে সত্য ওই কথাটি।
                          শুধু আজ অনুভবে লাগে
                     তাদের কাপড়ের রঙের আভাস,
                          পাশ দিয়ে চলে যাওয়ার হাওয়া,
                               চেয়ে দেখার বাণী,
                                    ভালোবাসার ছন্দ--
                          প্রাণগঙ্গার পূর্বমুখী ধারায়
                               পশ্চিম প্রাণের যমুনার স্রোত।
আরো দেখুন