হৃদয়-আকাশ (hriday akash)

আমি ধরা দিয়েছি গো আকাশের পাখি,

নয়নে দেখেছি তব নূতন আকাশ।

দুখানি আঁখির পাতে কী রেখেছ ঢাকি,

হাসিলে ফুটিয়া পড়ে উষার আভাস।

হৃদয় উড়িতে চায় হোথায় একাকী

আঁখি-তারকার দেশে করিবারে বাস।

ঐ গগনেতে চেয়ে উঠিয়াছে ডাকি,

হোথায় হারাতে চায় এ গীত-উচ্ছ্বাস।

তোমার হৃদয়াকাশ অসীম বিজন--

বিমল নীলিমা তার শান্ত সুকুমার,

যদি নিয়ে যাই ওই শূন্য হয়ে পার

আমার দুখানি পাখা কনক বরন।

হৃদয় চাতক হয়ে চাবে অশ্রুধার,

হৃদয় চকোর চাবে হাসির কিরণ।

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

78
Verses
FEAR NOT, FOR thou shalt conquer,
thy doors will open, thy bonds break.
Often thou losest thyself in sleep,
and yet must find back thy world
again and again.
The call comes to thee from the earth and sky
the call from among men,
the call to sing of gladness and pain,
of shame and fear.
The leaves and the flowers,
the waters that fall and flow,
ask for thy notes to mingle with their own,
the darkness and light
to tremble in the rhythm of thy song.
আরো দেখুন
কণ্টকের কথা
Verses
একদা পুলকে প্রভাত-আলোকে
      গাহিছে পাখি,
কহে কণ্টক বাঁকা কটাক্ষে
      কুসুমে ডাকি--
তুমি তো কোমল বিলাসী কমল,
      দুলায় বায়ু,
দিনের কিরণ ফুরাতে ফুরাতে
      ফুরায় আয়ু ;
এ পাশে মধুপ মধুমদে ভোর,
ও পাশে পবন পরিমল-চোর,
বনের দুলাল, হাসি পায় তোর
      আদর দেখে।
আহা মরি মরি  কী রঙিন বেশ,
সোহাগহাসির নাহি আর শেষ,
সারাবেলা ধরি রসালসাবেশ
      গন্ধ মেখে।
হায় কদিনের আদর-সোহাগ,
    সাধের খেলা
ললিত মাধুরী, রঙিন বিলাস,
      মধুপ-মেলা।
ওগো নহি আমি তোদের মতন
      সুখের প্রাণী--
হাব ভাব হাস, নানারঙা বাস
      নাহিকো জানি।
রয়েছি নগ্ন, জগতে লগ্ন
      আপন বলে;
কে পারে তাড়াতে, আমারে মাড়াতে
      ধরণীতলে।
তোদের মতন নহি নিমেষের,
আমি এ নিখিলে চিরদিবসের,
বৃষ্টি-বাদল ঝড়-বাতাসের
      না রাখি ভয়।
সতত একাকী, সঙ্গীবিহীন--
কারো কাছে কোনো নাহি প্রেম-ঋণ,
চাটুগান শুনি সারা নিশিদিন
      করি না ক্ষয়।
আসিবে তো শীত, বিহঙ্গগীত
      যাইবে থামি,
ফুলপল্লব ঝরে যাবে সব--
      রহিব আমি।
চেয়ে দেখো মোরে, কোনো বাহুল্য
      কোথাও নাই,
স্পষ্ট সকলি     আমার মূল্য
      জানে সবাই।
এ ভীরু জগতে যার কাঠিন্য
      জগৎ তারি।
নখের আঁচড়ে আপন চিহ্ন
      রাখিতে পারি।
কেহ জগতেরে চামর ঢুলায়,
চরণে কোমল হস্ত বুলায়,
নতমস্তকে লুটায়ে ধুলায়
      প্রণাম করে।
ভুলাইতে মন কত করে ছল--
কাহারো বর্ণ, কারো পরিমল,
বিফল বাসরসজ্জা, কেবল
      দুদিন-তরে।
কিছুই করি না, নীরবে দাঁড়ায়ে
      তুলিয়া শির
বিঁধিয়া রয়েছি অন্তর-মাঝে
      এ পৃথিবীর।
আমারে তোমরা চাহ না চাহিতে
      চোখের কোণে,
গরবে ফাটিয়া উঠেছ ফুটিয়া
      আপন মনে।
আছে তব মধু, থাক্‌ সে তোমার,
      আমার নাহি।
আছে তব রূপ--    মোর পানে কেহ
      দেখে না চাহি।
কারো আছে শাখা, কারো আছে দল,
কারো আছে ফুল, কারো আছে ফল,
আমারি হস্ত রিক্ত কেবল
     দিবসযামী।
ওহে তরু, তুমি বৃহৎ প্রবীণ,
আমাদের প্রতি অতি উদাসীন--
আমি বড়ো নহি, আমি ছায়াহীন,
    ক্ষুদ্র আমি।
হই না ক্ষুদ্র, তবুও রুদ্র
    ভীষণ ভয়--
আমার দৈন্য সে মোর সৈন্য,
    তাহারি জয়।
আরো দেখুন
৪৬
Verses
৪৬
স্খলিত পালখ ধূলায় জীর্ণ
            পড়িয়া থাকে।
আকাশে ওড়ার স্মরণচিহ্ন
            কিছু না রাখে॥  
আরো দেখুন