৬৯ (keno maro sidh kata dhurte)

  কেন মার' সিঁধ-কাটা ধূর্তে।

  কাজ ওর দেয়ালটা খুঁড়তে।

তোমার পকেটটাকে করেছ কি ডোবা হে--

চিরদিন বহমান অর্থের প্রবাহে

  বাধা দেবে অপরের পকেটটি পূরতে?

আর, যত নীতিকথা সে তো ওর চেনা না--

ওর কাছে অর্থনীতিটা নয় জেনানা;

  বন্ধ ধনেরে তাই দেয় সদা ঘুরতে,

  হেথা হতে হোথা তারে চালায় মুহূর্তে।

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

দুঃখমূর্তি
Verses
দুখের বেশে এসেছ বলে
           তোমারে নাহি ডরিব হে।
    যেখানে ব্যথা তোমারে সেথা
           নিবিড় ক'রে ধরিব হে।
               আঁধারে মুখ ঢাকিলে স্বামী,
               তোমারে তবু চিনিব আমি;
               মরণরূপে আসিলে প্রভু,
                    চরণ ধরি মরিব হে--
               যেমন করে দাও-না দেখা
                    তোমারে নাহি ডরিব হে।
    নয়নে আজি ঝরিছে জল,
           ঝরুক জল নয়নে হে।
    বাজিছে বুকে, বাজুক তব
           কঠিন বাহুবাঁধনে হে।
               তুমি যে আছ বক্ষে ধরে
               বেদনা তাহা জানাক মোরে,
               চাব না কিছু, কব না কথা,
                    চাহিয়া রব বদনে হে।
               নয়নে আজি ঝরিছে জল,
                    ঝরুক জল নয়নে হে।
আরো দেখুন
বেলা আটটার কমে
Verses
বেলা আটটার কমে
     খোলে না তো চোখ সে।
সামলাতে পারে না যে
     নিদ্রার ঝোঁক সে।
   জরিমানা হলে বলে,--
     'এসেছি যে মা ফেলে,
   আমার চলে না দিন
     মাইনেটা না পেলে।
   তোমার চলবে কাজ
     যে ক'রেই হোক সে,
   আমারে অচল করে
      মাইনের শোক সে।'
আরো দেখুন
বৈজ্ঞানিক
Verses
যেম্‌নি মা গো গুরু গুরু
          মেঘের পেলে সাড়া
যেম্‌নি এল আষাঢ় মাসে
          বৃষ্টিজলের ধারা,
পুবে হাওয়া মাঠ পেরিয়ে
          যেম্‌নি পড়ল আসি
    বাঁশ-বাগানে সোঁ সোঁ ক'রে
                 বাজিয়ে দিয়ে বাঁশি --
          অম্‌নি দেখ্‌ মা, চেয়ে --
          সকল মাটি ছেয়ে
     কোথা থেকে উঠল যে ফুল
                 এত রাশি রাশি।
     তুই যে ভাবিস ওরা কেবল
                 অম্‌নি যেন ফুল,
     আমার মনে হয় মা, তোদের
                 সেটা ভারি ভুল।
     ওরা সব ইস্‌কুলের ছেলে,
                 পুঁথি-পত্র কাঁখে
     মাটির নীচে ওরা ওদের
                 পাঠশালাতে থাকে।
          ওরা পড়া করে
          দুয়োর-বন্ধ ঘরে,
     খেলতে চাইলে গুরুমশায়
                 দাঁড় করিয়ে রাখে।
     বোশেখ-জষ্টি মাসকে ওরা
                 দুপুর বেলা কয়,
     আষাঢ় হলে আঁধার ক'রে
                 বিকেল ওদের হয়।
     ডালপালারা শব্দ করে
                 ঘনবনের মাঝে,
     মেঘের ডাকে তখন ওদের
                 সাড়ে চারটে বাজে।
অমনি ছুটি পেয়ে
          আসে সবাই ধেয়ে,
     হলদে রাঙা সবুজ সাদা
                কত রকম সাজে।
     জানিস মা গো, ওদের যেন
                আকাশেতেই বাড়ি,
     রাত্রে যেথায় তারাগুলি
                দাঁড়ায় সারি সারি।
     দেখিস নে মা, বাগান ছেয়ে
                ব্যস্ত ওরা কত!
     বুঝতে পারিস কেন ওদের
                তাড়াতাড়ি অত?
            জানিস কি কার কাছে
            হাত বাড়িয়ে আছে।
     মা কি ওদের নেইকো ভাবিস
                আমার মায়ের মতো?
আরো দেখুন