৮৫ (gonite relativity promaner bhabnay)

গণিতে রেলেটিভিটি প্রমাণের ভাবনায়

দিনরাত একা ব'সে কাটালো সে পাবনায়--

     নাম তার চুনিলাল, ডাক নাম ঝোড়্‌কে।

১ গুলো সবই ১ সাদা আর কালো কি,

গণিতের গণনায় এ মতটা ভালো কি।

     অবশেষে সাম্যের সামলাবে তোড় কে।

 

          একের বহর কভু বেশি কভু কম হবে,

          এক রীতি হিসাবের তবুও কি সম্ভবে।

              ৭ যদি বাঁশ হয়, ৩ হয় খড়কে,

              তবু শুধু ১০ দিয়ে জুড়বে সে জোড় কে।

 

যোগ যদি করা যায় হিড়িম্বা কুন্তীতে,

সে কি ২ হতে পারে গণিতের গুন্‌তিতে।

     যতই না কষে নাও মোচা আর থোড়কে

     তার গুণফল নিয়ে আঁক যাবে ভড়কে।

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

মাতাল
Verses
ওরে মাতাল, দুয়ার ভেঙে দিয়ে
            পথেই যদি করিস মাতামাতি,
থলিঝুলি উজাড় করে ফেলে
            যা আছে তোর ফুরাস রাতারাতি,
অশ্লেষাতে যাত্রা করে শুরু
            পাঁজিপুঁথি করিস পরিহাস,
অকারণে অকাজ লয়ে ঘাড়ে
            অসময়ে অপথ দিয়ে যাস,
হালের দড়ি নিজের হাতে কেটে
       পালের 'পরে লাগাস ঝোড়ো হাওয়া,
             আমিও ভাই, তোদের ব্রত লব
                 মাতাল হয়ে পাতাল-পানে ধাওয়া।
পাড়ার যত জ্ঞানীগুণীর সাথে
            নষ্ট হল দিনের পর দিন--
অনেক শিখে পক্ব হল মাথা
            অনেক দেখে দৃষ্টি হল ক্ষীণ,
কত কালের কত মন্দ ভালো
           বসে বসে কেবল জমা করি,
ফেলাছড়া-ভাঙাছেঁড়ার বোঝা
          বুকের মাঝে উঠছে ভরি ভরি,
গুঁড়িয়ে সে-সব উড়িয়ে ফেলে দিক
            দিক্‌-বিদিকে তোদের ঝোড়ো হাওয়া।
                 বুঝেছি ভাই, সুখের মধ্যে সুখ
                      মাতাল হয়ে পাতাল-পানে ধাওয়া।
হোক রে সিধা কুটিল দ্বিধা যত,
            নেশায় মোরে করুক দিশাহারা,    
দানোয় এসে হঠাৎ কেশে ধরে  
            এক দমকে করুক লক্ষ্মীছাড়া।
সংসারেতে সংসারী তো ঢের
            কাজের হাটে অনেক আছে কেজো,
মেলাই আছে মস্ত বড়ো লোক--
            সঙ্গে তাঁদের অনেক সেজো মেজো।
থাকুন তাঁরা ভবের কাজে লেগে,
        লাগুক মোরে সৃষ্টিছাড়া হাওয়া--
             বুঝেছি ভাই, কাজের মধ্যে কাজ
                  মাতাল হয়ে পাতাল-পানে ধাওয়া।
শপথ করে দিলাম ছেড়ে আজই
            যা আছে মোর বুদ্ধি বিবেচনা,
বিদ্যা যত ফেলব ঝেড়ে ঝুড়ে
           ছেড়ে ছুড়ে তত্ত্ব-আলোচনা।
স্মৃতির ঝারি উপুড় করে ফেলে
            নয়নবারি শূন্য করি দিব,
উচ্ছ্বসিত মদের ফেনা দিয়ে
           অট্টহাসি শোধন করি নিব।
ভদ্রলোকের তকমা-তাবিজ ছিঁড়ে
          উড়িয়ে দেবে মদোন্মত্ত হাওয়া,
                 শপথ করে বিপথ-ব্রত নেব--
                      মাতাল হয়ে পাতাল-পানে ধাওয়া।
আরো দেখুন
ছবি
Verses
একলা বসে, হেরো, তোমার ছবি
                   এঁকেছি আজ বসন্তী রঙ দিয়া--
খোঁপার ফুলে একটি মধুলোভী
          মৌমাছি ওই গুঞ্জরে বন্দিয়া।
                   সমুখ-পানে বালুতটের তলে
                   শীর্ণ নদী শান্ত ধারায় চলে,
                   বেণুচ্ছায়া তোমার চেলাঞ্চলে
                             উঠিছে স্পন্দিয়া।
মগ্ন তোমার স্নিগ্ধ নয়ন দুটি
          ছায়ায় ছন্ন অরণ্য-অঙ্গনে
          প্রজাপতির দল যেখানে জুটি
                   রঙ ছড়ালো প্রফুল্ল রঙ্গনে।
                             তপ্ত হাওয়ায় শিথিলমঞ্জরি
                             গোলকচাঁপা একটি দুটি করি
                             পায়ের কাছে পড়ছে ঝরি ঝরি
                                      তোমারে নন্দিয়া।
          ঘাটের ধারে কম্পিত ঝাউশাখে
                   দোয়েল দোলে সংগীতে চঞ্চলি--
আকাশ ঢালে পাতার ফাঁকে ফাঁকে
          তোমার কোলে সুবর্ণ-অঞ্জলি।
                   বনের পথে কে যায় চলি দূরে,
                   বাঁশির ব্যথা পিছন-ফেরা সুরে
                   তোমায় ঘিরে হাওয়ায় ঘুরে ঘুরে
                             ফিরিছে ক্রন্দিয়া।
আরো দেখুন
বিলাপ
Verses
     ওগো     এত প্রেম-আশা প্রাণের তিয়াষা
                   কেমনে আছে সে পাসরি।
     তবে      সেথা কি হাসে না চাঁদিনী যামিনী,
                   সেথা কি বাজে না বাঁশরি।
     সখী      হেথা সমীরণ লুটে ফুলবন,
                   সেথা কি পবন বহে না।
     সে যে    তার কথা মোরে কহে অনুক্ষণ
                   মোর কথা তারে কহে না।
     যদি      আমারে আজি সে ভুলিবে সজনী
                   আমারে ভুলাল কেন সে?
    ওগো      এ চিরজীবন করিব রোদন
                   এই ছিল তার মানসে।
     যবে      কুসুমশয়নে নয়নে নয়নে
                   কেটেছিল সুখরাতি রে,
     তবে      কে জানিত তার বিরহ আমার
                   হবে জীবনের সাথী রে॥
     যদি      মনে নাহি রাখে সুখে যদি থাকে
                   তোরা একবার দেখে আয়,
     এই       নয়নের তৃষা পরানের আশা
                   চরণের তলে রেখে আয়।
     আর       নিয়ে যা রাধার বিরহের ভার
                   কত আর ঢেকে রাখি বল্‌।
     আর       পারিস যদি তো আনিস হরিয়ে
                   এক ফোঁটা তার আঁখিজল।
     না না,   এত প্রেম সখী ভুলিতে যে পারে
                   তারে আর কেহ সেধো না।
     আমি      কথা নাহি কব, দুখ লয়ে রব,
                   মনে মনে স'ব বেদনা।
     ওগো     মিছে, মিছে সখী, মিছে এই প্রেম,
                   মিছে পরানের বাসনা।
     ওগো     সুখদিন হায় যবে চলে যায়
                   আর ফিরে আর আসে না॥
আরো দেখুন