কীটের বিচার (kiter bichar)

মহাভারতের মধ্যে ঢুকেছেন কীট,

কেটেকুটে ফুঁড়েছেন এপিঠ-ওপিঠ।

পণ্ডিত খুলিয়া দেখি হস্ত হানে শিরে;

বলে, ওরে কীট, তুই এ কী করিলি রে!

তোর দন্তে শান দেয়, তোর পেট ভরে,

হেন খাদ্য কত আছে ধূলির উপরে।

কীট বলে, হয়েছে কী, কেন এত রাগ,

ওর মধ্যে ছিল কী বা, শুধু কালো দাগ!

আমি যেটা নাহি বুঝি সেটা জানি ছার,

আগাগোড়া কেটেকুটে করি ছারখার।

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

প্রত্যাশা
Verses
প্রাঙ্গণে মোর শিরীষশাখায় ফাগুন মাসে
                  কী উচ্ছ্বাসে
       ক্লান্তিবিহীন ফুল-ফোটানোর খেলা।
            ক্ষান্তকূজন শান্ত বিজন সন্ধ্যাবেলা
প্রত্যহ সেই ফুল্ল শিরীষ প্রশ্ন শুধায় আমায় দেখি,
                  "এসেছে কি।'
আর বছরেই এমনি দিনেই ফাগুন মাসে
                  কী উল্লাসে
       নাচের মাতন লাগল শিরীষ-ডালে,
            স্বর্গপুরের কোন্‌ নূপুরের তালে।
প্রত্যহ সেই চঞ্চল প্রাণ শুধিয়েছিল, "শুনাও দেখি,
                  আসে নি কি।'
আবার কখন্‌ এমনি দিনেই ফাগুন মাসে
                  কী বিশ্বাসে
       ডালগুলি তার রইবে শ্রবণ পেতে
            অলখ জনের চরণশব্দে মেতে।
প্রত্যহ তার মর্মরস্বর বলবে আমায় দীর্ঘশ্বাসে,
                  "সে কি আসে।'
প্রশ্ন জানাই পুষ্পবিভোর ফাগুন মাসে
                  কী আশ্বাসে,
       হায় গো আমার ভাগ্যরাতের তারা,
            নিমেষগণন হয় না কি মোর সারা।
       প্রত্যহ বয় প্রাঙ্গণময় বনের বাতাস এলোমেলো,
                  "সে কি এল।'
আরো দেখুন
37
Verses
I THOUGHT that my voyage had come to its end at the last limit of my power,-that the path before me was closed, that provisions were exhausted and the time come to take shelter in a silent obscurity.
But I find that thy will knows no end in me. And when old words die out on the tongue, new melodies break forth from the heart; and where the old tracks are lost, new country is revealed with its wonders.
আরো দেখুন
10
Verses
আমার মাঝারে যে আছে কে গো সে
       কোন্‌ বিরহিণী নারী?
আপন করিতে চাহিনু তাহারে,
       কিছুতেই নাহি পারি।
      রমণীরে কে বা জানে--
      মন তার কোন্‌খানে।
সেবা করিলাম দিবানিশি তার,
গাঁথি দিনু গলে কত ফুলহার,
মনে হল সুখে প্রসন্নমুখে
      চাহিল সে মোর পানে।
কিছু দিন যায়,একদিন হায়
      ফেলিল নয়নবারি--
"তোমাতে আমার কোনো সুখ নাই'
      কহে বিরহিণী নারী।
রতনে জড়িত নূপুর তাহারে
      পরায়ে দিলাম পায়ে,
রজনী জাগিয়া ব্যজন করিনু
      চন্দন-ভিজা বায়ে।
      রমণীরে কে বা জানে--
      মন তার কোন্‌খানে।
কনকখচিত পালঙ্ক'পরে
বসানু তাহারে বহু সমাদরে,
মনে হল হেন হাসিমুখে যেন
      চাহিল সে মোর পানে।
কিছু দিন যায়, লুটায়ে ধুলায়
      ফেলিল নয়নবারি--
"এ-সবে আমার কোনো সুখ নাই'
      কহে বিরহিণী নারী।
বাহিরে আনিনু তাহারে, করিতে
      হৃদয়দিগ্‌বিজয়।
সারথি হইয়া রথখানি তার
      চালানু ধরণীময়।
      রমণীরে কে বা জানে--
      মন তার কোন্‌খানে।
দিকে দিকে লোক সঁপি দিল প্রাণ,
দিকে দিকে তার উঠে চাটুগান,
মনে হল তবে দীপ্ত গরবে
      চাহিল সে মোর পানে।
কিছু দিন যায়,মুখ সে ফিরায়,
      ফেলে সে নয়নবারি--
"হৃদয় কুড়ায়ে কোনো সুখ নাই'
      কহে বিরহিণী নারী।
আমি কহিলাম,"কারে তুমি চাও
      ওগো বিরহিণী নারী।'
সে কহিল,"আমি যারে চাই,তার
      নাম না কহিতে পারি।'
      রমণীরে কে বা জানে--
      মন তার কোন্‌খানে।
সে কহিল,"আমি যারে চাই তারে
পলকে যদি গো পাই দেখিবারে,
পুলকে তখনি লব তারে চিনি
      চাহি তার মুখপানে।'
দিন চলে যায়, সে কেবল হায়
      ফেলে নয়নের বারি--
অজানারে কবে আপন করিব'
      কহে বিরহিণী নারী।
আরো দেখুন