৪৮ (amar kontho tare dake)

আমার    কণ্ঠ তাঁরে ডাকে,

তখন     হৃদয় কোথায় থাকে?

  যখন              হৃদয় আসে ফিরে

                     আপন নীরব নীড়ে

আমার    জীবন তখন কোন্‌ গহনে

                     বেড়ায় কিসের পাকে?

 

যখন        মোহ আমায় ডাকে

তখন       লজ্জা কোথায় থাকে?

  যখন              আনেন তমোহারী

                     আলোক-তরবারি

তখন       পরান আমার কোন্‌ কোণে যে

                     লজ্জাতে মুখ ঢাকে?

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

ঐশ্বর্য
Verses
ক্ষুদ্র এই তৃণদল ব্রহ্মান্ডের মাঝে
সরল মাহাত্ম্য লয়ে সহজে বিরাজে।
পূরবের নবসূর্য, নিশীথের শশী,
তৃণটি তাদেরি সাথে একাসনে বসি।
আমার এ গান এও জগতের গানে
মিশে যায় নিখিলের মর্মমাঝখানে;
শ্রাবণের ধারাপাত, বনের মর্মর
সকলের মাঝে তার আপনার ঘর।
কিন্তু, হে বিলাসী, তব ঐশ্বর্যের ভার
ক্ষুদ্র রুদ্ধদ্বারে শুধু একাকী তোমার।
নাহি পড়ে সূর্যালোক, নাহি চাহে চাঁদ,
নাহি তাহে নিখিলের নিত্য আশীর্বাদ।
সম্মুখে দাঁড়ালে মৃত্যু মুহূর্তেই হায়
পাংশুপান্ডু শীর্ণম্লান মিথ্যা হয়ে যায়।
আরো দেখুন
যেন শেষ গানে মোর
Verses
       যেন  শেষ গানে মোর সব রাগিণী পূরে--
       আমার      সব আনন্দ মেলে তাহার সুরে।
                    যে আনন্দে মাটির ধরা হাসে
                    অধীর হয়ে তরুলতায় ঘাসে,
                    যে আনন্দে দুই পাগলের মতো
                           জীবন-মরণ বেড়ায় ভুবন ঘুরে--
                           সেই আনন্দ মেলে তাহার সুরে।
       যে আনন্দ আসে ঝড়ের বেশে,
       ঘুমন্ত প্রাণ জাগায় অট্ট হেসে।
              যে আনন্দ দাঁড়ায় আঁখিজলে
              দুঃখ-ব্যথার রক্তশতদলে,
              যা আছে সব ধুলায় ফেলে দিয়ে
                    যে আনন্দে বচন নাহি ফুরে
                    সেই আনন্দ মেলে তাহার সুরে।
আরো দেখুন
প্রাণ
Verses
বহু লক্ষ বর্ষ ধরে জ্বলে তারা,
              ধাবমান অন্ধকার কালস্রোতে
                    অগ্নির আবর্ত ঘুরে ওঠে।
      সেই স্রোতে এ ধরণী মাটির বুদ্‌বুদ্‌;
           তারি মধ্যে এই প্রাণ
                 অণুতম কালে
      কণাতম শিখা লয়ে
                 অসীমের করে সে আরতি।
      সে না হলে বিরাটের নিখিলমন্দিরে
                 উঠত না শঙ্খধ্বনি,
               মিলত না যাত্রী কোনোজন,
      আলোকের সামমন্ত্র ভাষাহীন হয়ে
                 রইত নীরব।
আরো দেখুন