৮ (aj dhaner khete roudro chhayay)

আজ  ধানের খেতে রৌদ্রছায়ায়

                 লুকোচুরি খেলা।

              নীল আকশে কে ভাসালে

                 সাদা মেঘের ভেলা।

                           আজ  ভ্রমর ভোলে মধু খেতে,

                                  উড়ে বেড়ায় আলোয় মেতে;

                           আজ  কিসের তরে নদীর চরে

                                    চখাচখির মেলা।

 

ওরে  যাব না আজ ঘরে রে ভাই,

              যাব না আজ ঘরে।

ওরে  আকাশ ভেঙে বাহিরকে আজ

              নেব রে লুঠ করে।

              যেন  জোয়ার-জলে ফেনার রাশি

                                  বাতাসে আজ ছুটছে হাসি।

                           আজ  বিনা কাজে বাজিয়ে বাঁশি

                                         কাটবে সকল বেলা।

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুর
Verses
গগনেন্দ্রনাথ,
                   রেখার রঙের তীর হতে তীরে
                             ফিরেছিল তব মন,
                         রূপের গভীরে হয়েছিল নিমগন।
                   গেল চলি তব জীবনের তরী
                             রেখার সীমার পার
                   অরূপ ছবির রহস্যমাঝে
                             অমল শুভ্রতার।
আরো দেখুন
শ্রান্তি
Verses
কত বার মনে করি             পূর্ণিমানিশীথে
                        স্নিগ্ধ সমীরণ,
         নিদ্রালস আঁখি-সম       ধীরে যদি মুদে আসে
                        এ শ্রান্ত জীবন।
         গগনের অনিমেষ           জাগ্রত চাঁদের পানে
                     মুক্ত দুটি বাতায়নদ্বার--
         সুদূরে প্রহর বাজে,      গঙ্গা কোথা বহে চলে,
                     নিদ্রায় সুষুপ্ত দুই পার।
         মাঝি গান গেয়ে যায়               বৃন্দাবনগাথা
                         আপনার মনে,
         চিরজীবনের স্মৃতি        অশ্রু হয়ে গলে আসে
                         নয়নের কোণে।
         স্বপ্নের সুধীর স্রোতে       দূরে ভেসে যায় প্রাণ
                     স্বপ্ন হতে নিঃস্বপ্ন অতলে,
         ভাসানো প্রদীপ যথা         নিবে গিয়ে সন্ধ্যাবায়ে
                     ডুবে যায় জাহ্নবীর জলে।
আরো দেখুন
অজয় নদী
Verses
  এককালে এই অজয়নদী ছিল যখন জেগে
                   স্রোতের প্রবল বেগে
            পাহাড় থেকে আনত সদাই ঢালি
       আপন জোরের গর্ব ক'রে চিকন-চিকন বালি।
  অচল বোঝা বাড়িয়ে দিয়ে যখন ক্রমে ক্রমে
              জোর গেল তার কমে,
নদীর আপন আসন বালি নিল হরণ করে,
     নদী গেল পিছনপানে সরে;
                 অনুচরের মতো
     রইল তখন আপন বালির নিত্য-অনুগত।
কেবল যখন বর্ষা নামে ঘোলা জলের পাকে
                 বালির প্রতাপ ঢাকে।
পূর্বযুগের আক্ষেপে তার ক্ষোভের মাতন আসে,
বাঁধনহারা ঈর্ষা ছোটে সবার সর্বনাশে।
আকাশেতে গুরুগুরু মেঘের ওঠে ডাক,
বুকের মধ্যে ঘুরে ওঠে হাজার ঘূর্ণিপাক।
তারপরে আশ্বিনের দিনে শুভ্রতার উৎসবে
সুর আপনার পায় না খুঁজে শুভ্র আলোর স্তবে।
দূরের তীরে কাশের দোলা, শিউলি ফুটে দূরে,
শুষ্ক বুকে শরৎ নামে বালিতে রোদ্‌দুরে।
চাঁদের কিরণ পড়ে যেথায় একটু আছে জল
যেন বন্ধ্যা কোন্‌ বিধবার লুটানো অঞ্চল।
নিঃস্ব দিনের লজ্জা সদাই বহন করতে হয়,
আপনাকে হায় হারিয়ে-ফেলা অকীর্তি অজয়।
আরো দেখুন