৯৯ (abar esechhe asharh)

              আবার এসেছে আষাঢ় আকাশ ছেয়ে--

              আসে বৃষ্টির সুবাস বাতাস বেয়ে।

                  এই পুরাতন হৃদয় আমার আজি

                  পুলকে দুলিয়া উঠিছে আবার বাজি

                         নূতন মেঘের ঘনিমার পানে চেয়ে

                         আবার এসেছে আষাঢ় আকাশ ছেয়ে।      

 

              রহিয়া রহিয়া বিপুল মাঠের 'পরে

              নব তৃণদলে বাদলের ছায়া পড়ে।

       এসেছে এসেছে এই কথা বলে প্রাণ,

       এসেছে এসেছে উঠিতেছে এই গান,

              নয়নে এসেছে, হৃদয়ে এসেছে ধেয়ে।

              আবার আষাঢ় এসেছে আকাশ ছেয়ে।

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

3
Verses
আমরা চলি সমুখপানে,
     কে আমাদের বাঁধবে।
রইল যারা পিছুর টানে
     কাঁদবে তারা কাঁদবে।
ছিঁড়ব বাধা রক্ত-পায়ে,
চলব ছুটে রৌদ্রে ছায়ে,
জড়িয়ে ওরা আপন গায়ে
     কেবলি ফাঁদ ফাঁদবে।
     কাঁদবে ওরা কাঁদবে।
রুদ্র মোদের হাঁক দিয়েছে
     বাজিয়ে আপন তূর্য।
মাথার 'পরে ডাক দিয়েছে
     মধ্যদিনের সূর্য।
মন ছড়াল আকাশ ব্যেপে,
আলোর নেশায় গেছি খেপে,
ওরা আছে দুয়ার ঝেঁপে,
     চক্ষু ওদের ধাঁধবে।
     কাঁদবে ওরা কাঁদবে।
সাগর-গিরি করব রে জয়,
     যাব তাদের লঙ্ঘি।
একলা পথে করি নে ভয়,
     সঙ্গে ফেরেন সঙ্গী।
আপন ঘোরে আপনি মেতে
আছে ওরা গণ্ডী পেতে,
ঘর ছেড়ে আঙিনায় যেতে
     বাধবে ওদের বাধবে।
     কাঁদবে ওরা কাঁদবে।
আরো দেখুন
33
Verses
MY EYES FEEL the deep peace of this sky, and there stirs through me what a tree feels when it holds out its leaves like cups to be filled with sunshine.
A thought rises in my mind, like the warm breath from grass in the sun; it mingles with the gurgle of lapping water and the sigh of weary wind in village lanes,the thought that I have lived along with the whole life of this world and have given to it my own love and sorrows.
আরো দেখুন
কীটের সংসার
Verses
এক দিকে কামিনীর ডালে
মাকড়সা শিশিরের ঝালর দুলিয়েছে,
    আর-এক দিকে বাগানে রাস্তার ধারে
        লাল-মাটির-কণা-ছড়ানো
                   পিঁপড়ের বাসা।
যাই আসি তারি মাঝখান দিয়ে
               সকালে বিকালে।
আনমনে দেখি শিউলিগাছে কুঁড়ি ধরেছে,
        টগর গেছে ফুলে ছেয়ে।
বিশ্বের মাঝে মানুষের সংসারটুকু
        দেখতে ছোটো, তবু ছোটো তো নয়।
               তেমনি ওই কীটের সংসার।
        ভালো করে চোখে পড়ে না,
               তবু সমস্ত সৃষ্টির কেন্দ্রে আছে ওরা।
কত যুগ থেকে অনেক ভাবনা ওদের,
    অনেক সমস্যা, অনেক প্রয়োজন--
           অনেক দীর্ঘ ইতিহাস।
        দিনের পর দিন, রাতের পর রাত
চলেছে প্রাণশক্তির দুর্বার আগ্রহ।
               মাঝখান দিয়ে যাই আসি,
শব্দ শুনি নে ওদের চিরপ্রবাহিত
               চৈতন্যধারার--
    ওদের ক্ষুধাপিপাসা-জন্মমৃত্যুর।
গুন গুন সুরে আধখানা গানের
           জোড় মেলাতে খুঁজে বেড়াই
                       বাকি আধখানা পদ,
এই অকারণ অদ্ভুত খোঁজের কোনো অর্থ নেই
    ওই মাকড়সার বিশ্বচরাচরে,
           ওই পিঁপড়ে-সমাজে।
    ওদের নীরব নিখিলে এখনি উঠছে কি
        স্পর্শে স্পর্শে সুর, ঘ্রাণে ঘ্রাণে সংগীত,
           মুখে মুখে অশ্রুত আলাপ,
               চলায় চলায় অব্যক্ত বেদনা।
আমি মানুষ--
    মনে জানি সমস্ত জগতে আমার প্রবেশ,
           গ্রহনক্ষত্রে ধূমকেতুতে
    আমার বাধা যায় খুলে খুলে।
কিন্তু ওই মাকড়সার জগৎ বদ্ধ রইল চিরকাল
           আমার কাছে,
    ওই পিঁপড়ের অন্তরের যবনিকা
        পড়ে রইল চিরদিন আমার সামনে
           আমার সুখে দুঃখে ক্ষুব্ধ
               সংসারের ধারেই।
ওদের ক্ষুদ্র অসীমের বাইরের পথে
           আসি যাই সকালে বিকালে--
    দেখি, শিউলিগাছে কুঁড়ি ধরছে,
               টগর গেছে ফুলে ছেয়ে।
আরো দেখুন