97 (when my play was with)

WHEN MY play was with thee I never questioned who thou wert. I knew nor shyness nor fear, my life was boisterous.

In the early morning thou wouldst call me from my sleep like my own comrade and lead me running from glade to glade.

On those days I never cared to know the meaning of songs thou sangest to me. Only my voice took up the tunes, and my heart danced in their cadence.

Now, when the playtime is over, what is this sudden sight that is come upon me? The world with eyes bent upon thy feet stands in awe with all its silent stars.

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

99
Verses
I NEGLECTED to appraise your worth
being blindly sure of my possession.
The days followed each other and the nights
carrying your offerings to my feet.
I looked at them through the corner of my eyes
as they were being sent to my storehouse.
April's honeysuckles added their scent to your gifts,
the full moon of the autumn night
touched them with its glimmer.
Often you poured the flood of your dark tresses upon my lap
and your eyes swam with tears while you said:
My tribute to you, my king, is pitifully meagre;
I have failed to give you more, not having any more to give.
The days follow each other and the nights
but you are no longer here today.
I come to open at last my storehouse,
and take up the chain of the jewels,
that came from your hands on my neck.
My pride that remained indifferent
kisses the dust where you left your footprints.
Today I gain you truly
for with my sorrow I have paid the price of your love.
আরো দেখুন
জন্মকথা
Verses
     খোকা মাকে শুধায় ডেকে--
     "এলেম আমি কোথা থেকে,
কোন্‌খানে তুই কুড়িয়ে পেলি আমারে।'
     মা শুনে কয় হেসে কেঁদে
     খোকারে তার বুক বেঁধে--
"ইচ্ছা হয়ে ছিলি মনের মাঝারে।
     ছিলি আমার পুতুল-খেলায়,
     প্রভাতে শিবপূজার বেলায়
তোরে আমি ভেঙেছি আর গড়েছি।
     তুই আমার ঠাকুরের সনে
     ছিলি পূজার সিংহাসনে,
তাঁরি পূজায় তোমার পূজা করেছি।
     আমার চিরকালের আশায়,
     আমার সকল ভালোবাসায়,
আমার মায়ের দিদিমায়ের পরানে--
     পুরানো এই মোদের ঘরে
     গৃহদেবীর কোলের 'পরে
কতকাল যে লুকিয়ে ছিলি কে জানে।
যৌবনেতে যখন হিয়া
     উঠেছিল প্রস্ফুটিয়া,
তুই ছিলি সৌরভের মতো মিলায়ে,
     আমার তরুণ অঙ্গে অঙ্গে
     জড়িয়ে ছিলি সঙ্গে সঙ্গে
তোর লাবণ্য কোমলতা বিলায়ে।
     সব দেবতার আদরের ধন
     নিত্যকালের তুই পুরাতন,
তুই প্রভাতের আলোর সমবয়সী--
     তুই জগতের স্বপ্ন হতে
     এসেছিস আনন্দ-স্রোতে
নূতন হয়ে আমার বুকে বিলসি।
     নির্নিমেষে তোমায় হেরে
     তোর রহস্য বুঝি নে রে,
সবার ছিলি আমার হলি কেমনে।
     ওই দেহে এই দেহ চুমি
     মায়ের খোকা হয়ে তুমি
মধুর হেসে দেখা দিলে ভুবনে।
     হারাই হারাই ভয়ে গো তাই
     বুকে চেপে রাখতে যে চাই,
কেঁদে মরি একটু সরে দাঁড়ালে।
     জানি না কোন্‌ মায়ায় ফেঁদে
     বিশ্বের ধন রাখব বেঁধে
আমার এ ক্ষীণ বাহু দুটির আড়ালে।'
আরো দেখুন
অনাদৃতা লেখনী
Verses
সম্পাদকি তাগিদ নিত্য চলছে বাহিরে,
অন্তরেতে লেখার তাগিদ একটু নাহি রে
      মৌন মনের মধ্যে
         গদ্যে কিংবা পদ্যে।
পূর্ব যুগে অশোক গাছে নারীর চরণ লেগে
         ফুল উঠিত জেগে--
কলিযুগে লেখনীরে সম্পাদকের তাড়া
         নিত্যই দেয় নাড়া,
ধাক্কা খেয়ে যে জিনিসটা ফোটে খাতার পাতে
তুলনা কি হয় কভু তার অশোকফুলের সাথে।
দিনের পরে দিন কেটে যায়
        গুন্‌গুনিয়ে গেয়ে
শীতের রৌদ্রে মাঠের পানে চেয়ে।
    ফিকে রঙের নীল আকাশে
           আতপ্ত সমীরে
    আমার ভাবের বাষ্প উঠে
           ভেসে বেড়ায় ধীরে,
    মনের কোণে রচে মেঘের স্তূপ,
           নাই কোনো তার রূপ--
মিলিয়ে যায় সে এলোমেলো নানান ভাবনাতে,
    মিলিয়ে যায় সে কুয়োর ধারে
           শজনেগুচ্ছ-সাথে।
এদিকে যে লেখনী মোর
        একলা বিরহিণী;
দৈবে যদি কবি হতেন তিনি,
        বিরহ তাঁর পদ্যে বানিয়ে
নীচের লেখার ছাঁদে আমায়
        দিতেন জানিয়ে--
বিনয়সহ এই নিবেদন অঙ্গুলিচম্পাসু,
নালিশ জানাই কবির কাছে, জবাবটা চাই আশু।
যে লেখনী তোমার হাতের স্পর্শে জীবন লভে
অচলকূটের নির্বাসন সে কেমন ক'রে সবে।
বক্ষ আমার শুকিয়ে এল, বন্ধ মসী-পান,
কেন আমায় ব্যর্থতার এই কঠিন শাস্তি দান।
স্বাধিকারে প্রমত্তা কি ছিলাম কোনোদিন।
করেছি কি চঞ্চু আমার ভোঁতা কিংবা ক্ষীণ।
কোনোদিন কি অপঘাতে তাপে কিংবা চাপে
অপরাধী হয়েছিলাম মসীপাতন-পাপে।
পত্রপটে অক্ষর-রূপ নেবে তোমার ভাষা,
দিনে-রাতে এই ছাড়া মোর আর কিছু নেই আশা।
নীলকণ্ঠ হয়েছি যে তোমার সেবার তরে,
নীল কালিমার তীব্ররসে কণ্ঠ আমার ভরে।
চালাই তোমার কীর্তিপথে রেখার পরে রেখা,
আমার নামটা কোনো খাতায় কোথাও রয় না লেখা।
ভগীরথকে দেশবিদেশে নিয়েছে লোক চিনে,
গোমুখী সে রইল নীরব খ্যাতিভাগের দিনে।
কাগজ সেও তোমার হাতের স্বাক্ষরে হয় দামি,
আমার কাজের পুরস্কারে কিছুই পাই নে আমি।
কাগজ নিত্য শুয়ে কাটায় টেবিল-'পরে লুটি,
বাঁ দিক থেকে ডান দিকেতে আমার ছুটোছুটি।
কাগজ তোমার লেখা জমায়, বহে তোমার নাম--
আমার চলায় তোমার গতি এইটুকু মোর দাম।
অকীর্তিত সেবার কাজে অঙ্গ হবে ক্ষীণ,
আসবে তখন আবর্জনায় বিসর্জনের দিন।
বাচালতায় তিন ভুবনে তুমিই নিরুপম,
এ পত্র তার অনুকরণ; আমার তুমি ক্ষমো।
নালিশ আমার শেষ করেছি, এখন তবে আসি।
                     --তোমার কালিদাসী।
আরো দেখুন