103 (in one salutation to thee)

IN ONE salutation to thee, my God, let all my senses spread out and touch this world at thy feet.

Like a rain-cloud of July hung low with its burden of unshed showers let all my mind bend down at thy door in one salutation to thee.

Let all my songs gather together their diverse strains into a single current and flow to a sea of silence in one salutation to thee.

Like a flock of homesick cranes flying night and day back to their mountain nests let all my life take its voyage to its eternal home in one salutation to thee.

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

প্রাণের রস
Verses
আমাকে শুনতে দাও,
                 আমি কান পেতে আছি।
                     পড়ে আসছে বেলা;
              পাখিরা গেয়ে নিচ্ছে দিনের শেষে
                কণ্ঠের সঞ্চয় উজাড়-করে-দেবার গান।
                     ওরা আমার দেহ-মনকে নিল টেনে
                  নানা সুরের, নানা রঙের,
                       নানা খেলার
                            প্রাণের মহলে।
                ওদের ইতিহাসের আর কোনো সাড়া নেই,
                কেবল এইটুকু কথা--
                        আছি, আমরা আছি, বেঁচে আছি,
                  বেঁচে আছি এই আশ্চর্য মুহূর্তে।--
                   এই কথাটুকু পৌঁছল আমার মর্মে।
         বিকালবেলায় মেয়েরা জল ভরে নিয়ে যায় ঘটে,
               তেমনি করে ভরে নিচ্ছি প্রাণের এই কাকলি
                          আকাশ থেকে
                               মনটাকে ডুবিয়ে দিয়ে।
            আমাকে একটু সময় দাও।
                আমি মন পেতে আছি।
ভাঁটা-পড়া বেলায়,
              ঘাসের উপরে ছড়িয়ে-পড়া বিকেলের আলোতে
                      গাছেদের নিস্তব্ধ খুশি,
                মজ্জার মধ্যে লুকোনো খুশি,
                      পাতায় পাতায় ছড়ানো খুশি।
            আমার প্রাণ নিজেকে বাতাসে মেলে দিয়ে
                নিচ্ছে বিশ্বপ্রাণের স্পর্শরস
                     চেতনার মধ্যে দিয়ে ছেঁকে।
                এখন আমাকে বসে থাকতে দাও,
                               আমি চোখ মেলে থাকি।
                                    তোমরা এসেছ তর্ক নিয়ে।
                               আজ দিনান্তের এই পড়ন্ত রোদ্দুরে
                                    সময় পেয়েছি একটুখানি;
                                এর মধ্যে ভালো নেই, মন্দ নেই,
                                    নিন্দা নেই, খ্যাতি নেই।
                               দ্বন্দ্ব নেই, দ্বিধা নেই--
                                    আছে বনের সবুজ,
                                জলের ঝিকিমিকি--
                               জীবনস্রোতের উপর তলে
               অল্প একটু কাঁপন, একটু কল্লোল,
                     একটু ঢেউ।
                    আমার এই একটুখানি অবসর
                         উড়ে চলেছে
                    ক্ষণজীবী পতঙ্গের মতো
              সূর্যাস্তবেলার আকাশে
                   রঙিন ডানার শেষ খেলা চুকিয়ে দিতে--
                           বৃথা প্রশ্ন কোরো না।
                  বৃথা এনেছ তোমাদের যত দাবি।
           আমি বসে আছি বর্তমানের পিছন মুখে
অতীতের দিকে গড়িয়ে-পড়া ঢালুতটে।
                   নানান বেদনায় ধেয়ে-বেড়ানো প্রাণ
                        একদিন করে গেছে লীলা
              ওই বনবীথির ডাল দিয়ে বিনুনি-করা
                                   আলোছায়ায়।
         আশ্বিনে দুপুর বেলা
              এই কাঁপনলাগা ঘাসের উপর,
                   মাঠের পারে, কাশের বনে,
                        হাওয়ায় হাওয়ায় স্বগত উক্তি
                   মিলেছে আমার জীবনবীণার ফাঁকে ফাঁকে।
                যে সমস্যাজাল
              সংসারের চারি দিকে পাকে-পাকে জড়ানো
                        তার সব গিঁঠ গেছে ঘুচে।
              যাবার পথের যাত্রী পিছনে যায় নি ফেলে
                কোনো উদ্‌যোগ, কোনো উদ্‌বেগ, কোনো আকাঙক্ষা;
                   কেবল গাছের পাতার কাঁপনে
                           এই বাণীটি রয়ে গেছে--
                                         তারাও ছিল বেঁচে,
                     তারা যে নেই তার চেয়ে সত্য ওই কথাটি।
                          শুধু আজ অনুভবে লাগে
                     তাদের কাপড়ের রঙের আভাস,
                          পাশ দিয়ে চলে যাওয়ার হাওয়া,
                               চেয়ে দেখার বাণী,
                                    ভালোবাসার ছন্দ--
                          প্রাণগঙ্গার পূর্বমুখী ধারায়
                               পশ্চিম প্রাণের যমুনার স্রোত।
আরো দেখুন
111
Verses
THAT WHICH ends in exhaustion is death, but the perfect ending is in the endless.
আরো দেখুন
17
Verses
যেদিন চৈতন্য মোর মুক্তি পেল লুপ্তিগুহা হতে
নিয়ে এল দুঃসহ বিস্ময়ঝড়ে দারুণ দুর্যোগে
কোন্‌ নরকাগ্নিগিরিগহ্বরের তটে; তপ্তধূমে
গর্জি উঠি ফুঁসিছে সে মানুষের তীব্র অপমান,
অমঙ্গলধ্বনি তার কম্পান্বিত করে ধরাতল,
কালিমা মাখায় বায়ুস্তরে। দেখিলাম একালের
আত্মঘাতী মূঢ় উন্মত্ততা, দেখিনু সর্বাঙ্গে তার
বিকৃতির কদর্য বিদ্রূপ। এক দিকে স্পর্ধিত ক্রূরতা,
মত্ততার নির্লজ্জ হুংকার, অন্য দিকে ভীরুতার
দ্বিধাগ্রস্ত চরণবিক্ষেপ, বক্ষে আলিঙ্গিয়া ধরি
কৃপণের সতর্ক সম্বল-- সন্ত্রস্ত প্রাণীর মতো
ক্ষণিক-গর্জন-অন্তে ক্ষীণস্বরে তখনি জানায়
নিরাপদ নীরব নম্রতা। রাষ্ট্রপতি যত আছে
প্রৌঢ় প্রতাপের, মন্ত্রসভাতলে আদেশ-নির্দেশ
রেখেছে নিষ্পিষ্ট করি রুদ্ধ ওষ্ঠ-অধরের চাপে
সংশয়ে সংকোচে। এ দিকে দানবপক্ষী ক্ষুব্ধ শূন্যে
উড়ে আসে ঝাঁকে ঝাঁকে বৈতরণীনদীপার হতে
যন্ত্রপক্ষ হুংকারিয়া নরমাংসক্ষুধিত শকুনি,
আকাশেরে করিল অশুচি। মহাকালসিংহাসনে
সমাসীন বিচারক, শক্তি দাও, শক্তি দাও মোরে,
কণ্ঠে মোর আনো বজ্রবাণী, শিশুঘাতী নারীঘাতী
কুৎসিত বীভৎসা-'পরে ধিক্কার হানিতে পারি যেন
নিত্যকাল রবে যা স্পন্দিত লজ্জাতুর ঐতিহ্যের
হৃৎস্পন্দনে, রুদ্ধকণ্ঠ ভয়ার্ত এ শৃঙ্খলিত যুগ যবে
নিঃশব্দে প্রচ্ছন্ন হবে আপন চিতার ভস্মতলে।
আরো দেখুন