72 (he it is the innermost)

HE IT IS, the innermost one, who awakens my being with his deep hidden touches.

He it is who puts his enchantment upon these eyes and joyfully plays on the chords of my heart in varied cadence of pleasure and pain.

He it is who weaves the web of this maya in evanescent hues of gold and silver, blue and green, and lets peep out through the folds his feet, at whose touch I forget myself.

Days come and ages pass, and it is ever he who moves my heart in many a name, in many a guise, in many a rapture of joy and of sorrow.

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

অটোগ্রাফ
Verses
খুলে আজ বলি, ওগো নব্য,
নও তুমি পুরোপুরি সভ্য।
জগৎটা যত লও চিনে
ভদ্র হতেছ দিনে দিনে।
বলি তবু সত্য এ কথা--
বারো-আনা অভদ্রতা
কাপড়ে-চোপড়ে ঢাক' তারে,
ধরা তবু পড়ে বারে বারে,
কথা যেই বার হয় মুখে
সন্দেহ যায় সেই চুকে।
ডেস্কেতে দেখিলাম, মাতা
রেখেছেন অটোগ্রাফ-খাতা।
আধুনিক রীতিটার ভানে
যেন সে তোমারই দাবি আনে।
এ ঠকানো তোমার যে নয়
মনে মোর নাই সংশয়।
সংসারে যারে বলে নাম
তার যে একটু নেই দাম
সে কথা কি কিছু ঢাকা আছে
শিশু ফিলজফারের কাছে।
খোকা বলে, বোকা বলে কেউ--
তা নিয়ে কাঁদ না ভেউ-ভেউ।
নাম-ভোলা খুশি নিয়ে আছ,
নামের আদর নাহি যাচ।
খাতাখানা মন্দ এ না গো
পাতা-ছেঁড়া কাজে যদি লাগ।
আমার নামের অক্ষর
চোখে তব দেবে ঠোক্কর।
ভাববে, এ বুড়োটার খেলা,
আঁচড়-পাঁচড় কাটে মেলা।
লজঞ্জুসের যত মূল্য
নাম মোর নহে তার তুল্য।
তাই তো নিজেরে বলি, ধিক্‌,
তোমারই হিসাব-জ্ঞান ঠিক।
বস্তু-অবস্তুর সেন্স্‌
খাঁটি তব, তার ডিফারেন্স্‌
পষ্ট তোমার কাছে খুবই--
তাই, হে লজঞ্জুস-লুভি,
মতলব করি মনে মনে,
খাতা থাক্‌ টেবিলের কোণে।
বনমালী কো-অপেতে গেলে
টফি-চকোলেট যদি মেলে
কোনোমতে তবে অন্তত
মান রবে আজকের মতো।
ছ বছর পরে নিয়ো খাতা,
পোকায় না কাটে যদি পাতা।
আরো দেখুন
বুদ্ধজন্মোৎসব
Verses
সংস্কৃত ছন্দের নিয়ম-অনুসারে পঠনীয়
           হিংসায় উন্মত্ত পৃথ্বী,
                 নিত্য নিঠুর দ্বন্দ্ব,
           ঘোর কুটিল পন্থ তার,
                 লোভজটিল বন্ধ।
      নূতন তব জন্ম লাগি কাতর যত প্রাণী,
      কর ত্রাণ মহাপ্রাণ, আন অমৃতবাণী,
           বিকশিত কর প্রেমপদ্ম
           চিরমধুনিষ্যন্দ।
শান্ত হে, মুক্ত হে, হে অনন্তপুণ্য,
           করুণাঘন, ধরণীতল কর কলঙ্কশূন্য।
           এসো দানবীর, দাও
                 ত্যাগকঠিন দীক্ষা,
           মহাভিক্ষু, লও সবার
                 অহংকার ভিক্ষা।
লোক লোক ভুলুক শোক, খণ্ডন কর মোহ,
উজ্জ্বল কর জ্ঞানসূর্য-উদয়-সমারোহ,
           প্রাণ লভুক সকল ভুবন,
                 নয়ন লভুক অন্ধ।
শান্ত হে, মুক্ত হে, হে অনন্তপুণ্য,
       করুণাঘন, ধরণীতল কর কলঙ্কশূন্য।
           ক্রন্দনময় নিখিলহৃদয়
                 তাপদহনদীপ্ত।
           বিষয়বিষ-বিকারজীর্ণ
                 খিন্ন অপরিতৃপ্ত।
           দেশ দেশ পরিল তিলক রক্তকলুষগ্লানি,
           তব মঙ্গলশঙ্খ আন, তব দক্ষিণ পাণি,
                 তব শুভ সংগীতরাগ,
                         তব সুন্দর ছন্দ।
           শান্ত হে, মুক্ত হে, হে অনন্তপুণ্য,
                 করুণাঘন, ধরণীতল কর কলঙ্কশূন্য।
আরো দেখুন
73
Verses
আমি ভালোবাসি, দেব, এই বাঙালার
দিগন্তপ্রসার ক্ষেত্রে যে শান্তি উদার
বিরাজ করিছে নিত্য, মুক্ত নীলাম্বরে
অচ্ছায় আলোকে গাহে বৈরাগ্যের স্বরে
যে ভৈরবীগান, যে মাধুরী একাকিনী
নদীর নির্জন তটে বাজায় কিঙ্কিণী
তরল কল্লোলরোলে, যে সরল স্নেহ
তরুচ্ছায়া-সাথে মিশি স্নিগ্ধপল্লীগেহ
অঞ্চলে আবরি আছে, যে মোর ভবন
আকাশে বাতাসে আর আলোকে মগন
সন্তোষে কল্যাণে প্রেমে--
করো আশীর্বাদ,
যখনি তোমার দূত আনিবে সংবাদ
তখনি তোমার কার্যে আনন্দিতমনে
সব ছাড়ি যেতে পারি দুঃখে ও মরণে।
আরো দেখুন