52 (what music is that in)

WHAT MUSIC is that in whose measure the world is rocked?

We laugh when it beats upon the crest of life, we shrink in terror when it returns into the dark.

But the play is the same that comes and goes with the rhythm of the endless music.

You hide your treasure in the palm of your hand, and we cry that we are robbed.

But open and shut your palm as you will, the gain and the loss are the same.

At the game you play with your own self you lose and win at once.

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

উপকথা
Verses
               মেঘের আড়ালে বেলা কখন যে যায়
               বৃষ্টি পড়ে সারাদিন থামিতে না চায়।
আর্দ্র-পাখা পাখিগুলি              গীতগান গেছে ভুলি,
          নিস্তব্ধে ভিজিছে তরুলতা।
বসিয়া আঁধার ঘরে                বরষার ঝরঝরে
          মনে পড়ে কত উপকথা।
কভু মনে লয় হেন                 এ সব কাহিনী যেন
          সত্য ছিল নবীন জগতে।
উড়ন্ত মেঘের মতো                ঘটনা ঘটিত কত,
          সংসার উড়িত মনোরথে।
রাজপুত্র অবহেলে                  কোন্‌ দেশে যেত চলে,
          কত নদী কত সিন্ধু পার।
সরোবর ঘাট আলা                মণি হাতে নাগবালা
বসিয়া বাঁধিত কেশভার।
সিন্ধুতীরে কত দূরে               কোন্‌ রাক্ষসের পুরে
          ঘুমাইত রাজার ঝিয়ারি।
হাসি তার মণিকণা                কেহ তাহা দেখিত না,
          মুকুতা ঢালিত অশ্রুবারি।
সাত ভাই একত্তরে                চাঁপা হয়ে ফুটিত রে
          এক বোন ফুটিত পারুল।
সম্ভব কি অসম্ভব                  একত্রে আছিল সব
          দুটি ভাই সত্য আর ভুল।
বিশ্ব নাহি ছিল বাঁধা               না ছিল কঠিন বাধা
          নাহি ছিল বিধির বিধান,
হাসিকান্না লঘুকায়া                শরতের আলোছায়া
          কেবল সে ছুঁয়ে যেত প্রাণ।
আজি ফুরায়েছে বেলা,           জগতের ছেলেখেলা
          গেছে আলো-আঁধারের দিন।
আর তো নাই রে ছুটি,           মেঘরাজ্য গেছে টুটি,
          পদে পদে নিয়ম-অধীন।
মধ্যাহ্নে রবির দাপে               বাহিরে কে রবে তাপে
          আলয় গড়িতে সবে চায়।
যবে হায় প্রাণপণ                  করে তাহা সমাপন
          খেলারই মতন ভেঙে যায়।
আরো দেখুন
বিজয়ী
Verses
               তখন তারা দৃপ্ত বেগের বিজয়-রথে
      ছুটছিল বীর মত্ত অধীর, রক্তধূলির পথবিপথে।
     তখন তাদের চতুর্দিকেই রাত্রিবেলার প্রহর যত
              স্বপ্নে-চলার পথিক-মতো,
     মন্দগমন ছন্দে লুটায় মন্থর কোন্‌ ক্লান্ত বায়ে;
     বিহঙ্গগান শান্ত তখন অন্ধ রাতের পক্ষছায়ে।
          মশাল তাদের রুদ্রজ্বালায় উঠল জ্বলে--
              অন্ধকারের ঊর্ধ্বতলে
     বহ্নিদলের রক্তকমল ফুটল প্রবল দম্ভভরে;
     দূর-গগনের স্তব্ধ তারা মুগ্ধ ভ্রমর তাহার 'পরে।
          ভাবল পথিক-- এই যে তাদের মশাল-শিখা,
              নয় সে কেবল দণ্ডপলের মরীচিকা।
     ভাবল তারা-- এই শিখাটাই ধ্রুবজ্যোতির তারার সাথে
                   মৃত্যুহীনের দখিন হাতে
                          জ্বলবে বিপুল বিশ্বতলে।
          ভাবল তারা এই শিখারই ভীষণ বলে
               রাত্রি-রানীর দুর্গ-প্রাচীর দগ্ধ হবে,
        অন্ধকারের রুদ্ধ কপাট দীর্ণ করে ছিনিয়ে লবে
                           নিত্যকালের বিত্তরাশি;
               ধরিত্রীকে করবে আপন ভোগের দাসী।
                       ওই বাজে রে ঘণ্টা বাজে।
        চমকে উঠেই হঠাৎ দেখে অন্ধ ছিল তন্দ্রামাঝে।
        আপ্‌নাকে হায় দেখছিল কোন্‌ স্বপ্নাবেশে
        যক্ষপুরীর সিংহাসনে লক্ষমণির রাজার বেশে;
        মহেশ্বরের বিশ্ব যেন লুঠ করেছে অট্ট হেসে।
                        শূন্যে নবীন সূর্য জাগে
                ওই যে তাহার বিশ্ব-চেতন কেতন-আগে
        জ্বলছে নূতন দীপ্তিরতন তিমির-মথন শুভ্ররাগে;
        মশাল-ভস্ম লুপ্তি-ধুলায় নিত্যদিনের সুপ্তি মাগে।
        আনন্দলোক দ্বার খুলেছে, আকাশ পুলক-ময়--
        জয় ভূলোকের, জয় দ্যুলোকের, জয় আলোকের জয়।
আরো দেখুন
পাথরপিণ্ড
Verses
   সাগরতীরে পাথরপিণ্ড ঢুঁ মারতে চায় কাকে,
               বুঝি আকাশটাকে।
        শান্ত আকাশ দেয় না কোনো জবাব,
   পাথরটা রয় উঁচিয়ে মাথা, এমনি সে তার স্বভাব।
          হাতের কাছেই আছে সমুদ্রটা,
   অহংকারে তারই সঙ্গে লাগত যদি ওটা,
          এমনি চাপড় খেত, তাহার ফলে
   হুড়্‌মুড়িয়ে ভেঙেচুরে পড়ত অগাধ জলে।
ঢুঁ-মারা এই ভঙ্গীখানা কোটি বছর থেকে
     ব্যঙ্গ ক'রে কপালে তার কে দিল ঐ এঁকে।
পণ্ডিতেরা তার ইতিহাস বের করেছেন খুঁজি;
     শুনি তাহা, কতক বুঝি, নাইবা কতক বুঝি।
         অনেক যুগের আগে
একটা সে কোন্‌ পাগলা বাষ্প আগুন-ভরা রাগে
     মা ধরণীর বক্ষ হতে ছিনিয়ে বাঁধন-পাশ
         জ্যোতিষ্কদের ঊর্ধ্বপাড়ায় করতে গেল বাস।
     বিদ্রোহী সেই দুরাশা তার প্রবল শাসন-টানে
                 আছাড় খেয়ে পড়ল ধরার পানে।
            লাগল কাহার শাপ,
       হারালো তার ছুটোছুটি, হারালো তার তাপ।
              দিনে দিনে কঠিন হয়ে ক্রমে
            আড়ষ্ট এক পাথর হয়ে কখন গেল জমে।
  আজকে যে ওর অন্ধ নয়ন, কাতর হয়ে চায়
              সম্মুখে কোন্‌ নিঠুর শূন্যতায়।
  স্তম্ভিত চীৎকার সে যেন, যন্ত্রণা নির্বাক,
       যে যুগ গেছে তার উদ্দেশে কণ্ঠহারার ডাক।
     আগুন ছিল পাখায় যাহার আজ মাটি-পিঞ্জরে
       কান পেতে সে আছে ঢেউয়ের তরল কলস্বরে;
            শোনার লাগি ব্যগ্র তাহার ব্যর্থ বধিরতা
                 হেরে-যাওয়া সে-যৌবনের ভুলে-যাওয়া কথা।
আরো দেখুন