47 (i found a few old)

I FOUND A few old letters of mine carefully hidden in her box- a few small toys for her memory to play with.

With a timorous heart she tried to steal these trifles from time's turbulent stream, and said, 'These are mine only!'

Ah, there is no one now to claim them, who can pay their price with loving care, yet here they are still.

Surely there is love in this world to save her from utter loss, even like this love of hers that saved these letters with such fond care.

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

বনে ও রাজ্যে
Verses
সারাদিন কাটাইয়া সিংহাসন-'পরে
সন্ধ্যায় পশিলা রাম শয়নের ঘরে।
শয্যার আধেক অংশ শূন্য বহুকাল,
তারি 'পরে রাখিলেন পরিশ্রান্ত ভাল।
দেবশূন্য দেবালয়ে ভক্তের মতন
বসিলেন ভূমি-'পরে সজলনয়ন,
কহিলেন নতজানু কাতর নিশ্বাসে--
"যতদিন দীনহীন ছিনু বনবাসে
নাহি ছিল স্বর্ণমণি মাণিক্যমুকতা,
তুমি সদা ছিলে লক্ষ্মী প্রত্যক্ষ দেবতা।
আজি আমি রাজ্যেশ্বর, তুমি নাই আর,
আছে স্বর্ণমাণিক্যের প্রতিমা তোমার।"
নিত্যসুখ দীনবেশে বনে গেল ফিরে,
স্বর্ণময়ী চিরব্যথা রাজার মন্দিরে।
আরো দেখুন
সমাপন
Verses
  এবারের মতো করো শেষ
          প্রাণে যদি পেয়ে থাকো চরমের পরম উদ্দেশ;
                        যদি অবসান সুমধুর
                আপন বীণার তারে সকল বেসুর
                     সুরে বেঁধে তুলে থাকে;
                        অস্তরবি যদি তোরে ডাকে
দিনেরে মাভৈঃ বলে যেমন সে ডেকে নিয়ে যায়
             অন্ধকার অজানায়;
           সুন্দরের শেষ অর্চনায়
আপনার রশ্মিচ্ছটা সম্পূর্ণ করিয়া দেয় সারা;
             যদি সন্ধ্যাতারা
           অসীমের বাতায়নতলে
শান্তির প্রদীপশিখা দেখায় কেমন করে জ্বলে;
             যদি রাত্রি তার
           খুলে দেয় নীরবের দ্বার,
      নিয়ে যায় নিঃশব্দ সংকেতে ধীরে ধীরে
      সকল বাণীর শেষ সাগরসংগম-তীর্থ-তীরে;
সেই শতদল হতে যদি গন্ধ পেয়ে থাকো তার
মানসসরসে যাহা শেষ অর্ঘ্য, শেষ নমস্কার।
আরো দেখুন
দুর্বোধ
Verses
তুমি মোরে পার না বুঝিতে?
       প্রশান্ত বিষাদভরে
       দুটি আঁখি প্রশ্ন ক'রে
     অর্থ মোর চাহিছে খুঁজিতে,
চন্দ্রমা যেমন ভাবে স্থিরনতমুখে
      চেয়ে দেখে সমুদ্রের বুকে।
        কিছু আমি করি নি গোপন।
           যাহা আছে সব আছে
           তোমার আঁখির কাছে
        প্রসারিত অবারিত মন।
  দিয়েছি সমস্ত মোর করিতে ধারণা,
        তাই মোরে বুঝিতে পার না?
        এ যদি হইত শুধু মণি,
           শত খণ্ড করি তারে
           সযত্নে বিবিধাকারে
        একটি একটি করি গণি
  একখানি সূত্রে গাঁথি একখানি হার
        পরাতেম গলায় তোমার।
        এ যদি হইত শুধু ফুল,
           সুগোল সুন্দর ছোটো,
           উষালোকে ফোটো-ফোটো,
        বসন্তের পবনে দোদুল,
  বৃন্ত হতে সযতনে আনিতাম তুলে--
        পরায়ে দিতেম কালো চুলে।
এ যে সখী, সমস্ত হৃদয়।
           কোথা জল, কোথা কূল,
           দিক হয়ে যায় ভুল,
        অন্তহীন রহস্যনিলয়।
   এ রাজ্যের আদি অন্ত নাহি জান রানী--
        এ তবু তোমার রাজধানী।
     কী তোমারে চাহি বুঝাইতে?
           গভীর হৃদয়-মাঝে
           নাহি জানি কী যে বাজে
        নিশিদিন নীরব সংগীতে--
   শব্দহীন স্তব্ধতায় ব্যাপিয়া গগন
        রজনীর ধ্বনির মতন।
        এ যদি হইত শুধু সুখ,
           কেবল একটি হাসি
           অধরের প্রান্তে আসি
        আনন্দ করিত জাগরূক।
   মুহূর্তে বুঝিয়া নিতে হৃদয়বারতা,
        বলিতে হত না কোনো কথা।
        এ যদি হইত শুধু দুখ,
           দুটি বিন্দু অশ্রুজল
           দুই চক্ষে ছলছল,
        বিষণ্ণ অধর, ম্লান মুখ,
   প্রত্যক্ষ দেখিতে পেতে অন্তরের ব্যথা,
        নীরবে প্রকাশ হত কথা।
এ যে সখী, হৃদয়ের প্রেম,
        সুখদুঃখবেদনার
        আদি অন্ত নাহি যার--
     চিরদৈন্য  চিরপূর্ণ হেম।
নব নব ব্যাকুলতা জাগে দিবারাতে,
     তাই আমি না পারি বুঝাতে।
     নাই বা বুঝিলে তুমি মোরে!
        চিরকাল চোখে চোখে
        নূতন নূতনালোকে
     পাঠ করো রাত্রি দিন ধরে।
বুঝা যায় আধো প্রেম, আধখানা মন--
     সমস্ত কে বুঝেছে কখন?
আরো দেখুন