159 (wealth is the)

WEALTH is THE burden of bigness,

Welfare the fulness of being.

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

স্বল্প
Verses
জানি আমি, ছোটো আমার ঠাঁই--
    তাহার বেশি কিছুই চাহি নাই।
         দিয়ো আমায় সবার চেয়ে অল্প তোমার দান,
            নিজের হাতে দাও তুলে তো
                 রইবে অফুরান।
আমি তো নই কাঙাল পরদেশী,
    পথে পথে খোঁজ করে যে
         যা পায় তারো বেশি।
            সকলটুকুই চায় সে পেতে হাতে,
                 পুরিয়ে নিতে পারে না সে
                   আপন দানের সাথে।
তুমি শুনে বললে আমায় হেসে,
    বললে ভালোবেসে,
         "আশ মিটিবে এইটুকুতেই তবে?"
            আমি বলি, "তার বেশি কী হবে।
                 যে-দানে ভার থাকে
                   বস্তু দিয়ে পথ সে কেবল
                        আটক করে রাখে।
যে-দান কেবল বাহুর পরশ তব
    তারে আমি বীণার মতো বক্ষে তুলে লব।
         সুরে সুরে উঠবে বেজে,
            যেটুকু সে তাহার চেয়ে
                 অনেক বেশি সে যে।
লোভীর মতো তোমার দ্বারে
    যাহার আসা-যাওয়া
        তাহার চাওয়া-পাওয়া
           তোমায় নিত্য খর্ব করে আনে
                আপন ক্ষুধার পানে।
          ভালোবাসার বর্বরতা,
      মলিন করে তোমারি সম্মান
          পৃথুল তার বিপুল পরিমাণ।
তাই তো বলি, প্রিয়ে,
    হাসিমুখে বিদায় কোরো স্বল্প কিছু দিয়ে;
         সন্ধ্যা যেমন সন্ধ্যাতারাটিরে
           আনিয়া দেয় ধীরে
                সূর্য-ডোবার শেষ সোপানের ভিতে
                   সলজ্জ তার গোপন থালিটিতে।"
আরো দেখুন
ছলনা
Verses
সংসার মোহিনী নারী কহিল সে মোরে,
তুমি আমি বাঁধা রব নিত্য প্রেমডোরে।
যখন ফুরায়ে গেল সব লেনা দেনা,
কহিল, ভেবেছ বুঝি উঠিতে হবে না!
আরো দেখুন
ছবি
Verses
          ক্ষুব্ধ চিহ্ন এঁকে দিয়ে শান্ত সিন্ধুবুকে
                   তরী চলে পশ্চিমের মুখে।
                        আলোকচুম্বনে নীল জল
                               করে ঝলমল।
          দিগন্তে মেঘের জালে বিজড়িত দিনান্তের মোহ,
                   সূর্যাস্তের শেষ সমারোহ।
                             ঊর্ধ্বে যায় দেখা
                        তৃতীয়ার শীর্ণ শশিলেখা।
          যেন কে উলঙ্গ শিশু কোথায় এসেছে জানে না সে,
                             নিঃসংকোচে হাসে।
                        বহে মন্দ মন্থর বাতাস
                   সঙ্গশূন্য সায়াহ্নের বৈরাগ্যনিশ্বাস।
          স্বর্গসুখে ক্লান্ত কোন্‌ দেবতার বাঁশির পূরবী
                             শূন্যতলে ধরে এই ছবি।
                   ক্ষণকাল পরে যাবে ঘুচে,
          উদাসীন রজনীর কালো কেশে সব দেবে মুছে।
          এমনি রঙের খেলা নিত্য খেলে আলো আর ছায়া,
                             এমনি চঞ্চল মায়া
                             জীবন-অম্বরতলে --
                    দুঃখে সুখে বর্ণে বর্ণে লিখা
          চিহ্নহীনপদচারী কালের প্রান্তরে মরীচিকা।
                তার পরে দিন যায়, অস্তে যায় রবি;
          যুগে যুগে মুছে যায় লক্ষ লক্ষ রাগরক্ত ছবি।
                             তুই হেথা কবি,
                        এ বিশ্বের মৃত্যুর নিশ্বাস
          আপন বাঁশিতে ভরি গানে তারে বাঁচাইতে চাস।
আরো দেখুন