195 (the sectarian thinks)

THE SECTARIAN thinks

that he has the sea

ladled into his private pond.

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

শীত
Verses
শীতের হাওয়া হঠাৎ ছুটে এল
       গানের বেলা শেষ না হতে হতে?
মনের কথা ছড়িয়ে এলোমেলো
       ভাসিয়ে দিল শুকনো পাতার স্রোতে।
              মনের কথা যত
              উজান তরীর মতো;
        পালে যখন হাওয়ার বলে
        মরণ-পারে নিয়ে চলে,
চোখের জলের স্রোত যে তাদের টানে
        পিছু ঘাটের পানে --
           যেথায় তুমি, প্রিয়ে,
       একলা বসে আপন-মনে
                 আঁচল মাথায় দিয়ে।
ঘোরে তারা শুকনো পাতার পাকে
     কাঁপন-ভরা হিমের বায়ুভরে।
ঝরা ফুলের পাপড়ি তাদের ঢাকে --
     লুটায় কেন মরা ঘাসের 'পরে।
          হল কি দিন সারা।
          বিদায় নেবে তারা?
     এবার বুঝি কুয়াশাতে
     লুকিয়ে তারা পোউষ-রাতে
ধুলার ডাকে সাড়া দিতে চলে --
        যেথায় ভূমিতলে
           একলা তুমি, প্রিয়ে,
বসে আছ আপন-মনে
        আঁচল মাথায় দিয়ে?
মন যে বলে, নয় কখনোই নয় --
     ফুরায়নি তো, ফুরাবার এই ভান।
মন যে বলে -- শুনি আকাশময়
      যাবার মুখে ফিরে আসার গান।
           শীর্ণ শীতের লতা
           আমার মনের কথা
      হিমের রাতে লুকিয়ে রাখে
      নগ্ন শাখার ফাঁকে ফাঁকে,
ফাল্গুনেতে ফিরিয়ে দেবে ফুলে
      তোমার চরণমূলে --
           যেথায় তুমি, প্রিয়ে,
একলা বসে আপন মনে
          আঁচল মাথায় দিয়ে।
আরো দেখুন
শরতের শুকতারা
Verses
একাদশী রজনী
                   পোহায় ধীরে ধীরে--
রাঙা মেঘ দাঁড়ায়
                   উষারে ঘিরে ঘিরে।
ক্ষীণ চাঁদ নভের
                   আড়ালে যেতে চায়,
মাঝখানে দাঁড়ায়ে
                   কিনারা নাহি পায়।
বড়ো ম্লান হয়েছে
                   চাঁদের মুখখানি,
আপনাতে আপনি
                   মিশাবে অনুমানি।
হেরো দেখো কে ওই
                   এসেছে তার কাছে,
শুকতারা চাঁদের
                   মুখেতে চেয়ে আছে।
মরি মরি কে তুমি
                   একটুখানি প্রাণ,
কী না জানি এনেছ
                   করিতে ওরে দান।
চেয়ে দেখো আকাশে
                   আর তো কেহ নাই,
তারা যত গিয়েছে
                   যে যার নিজ ঠাঁই।
সাথীহারা চন্দ্রমা
                   হেরিছে চারি ধার,
শূন্য আহা নিশির
                   বাসর-ঘর তার!
শরতের প্রভাতে
                   বিমল মুখ নিয়ে
তুমি শুধু রয়েছে
                   শিয়রে দাঁড়াইয়ে।
ও হয়তো দেখিতে
                   পেলে না মুখ তোর!
ও হয়তো তারার
                   খেলার গান গায়,
ও হয়তো বিরাগে
                   উদাসী হতে চায়!
ও কেবল নিশির
                   হাসির অবশেষ!
ও কেবল অতীত
                   সুখের স্মৃতিলেশ!
দ্রুতপদে তাহারা
                   কোথায় চলে গেছে--
সাথে যেতে পারে নি
                   পিছনে পড় আছে!
কত দিন উঠেছ
                   নিশির শেষাশেষি,
দেখিয়াছ চাঁদেতে
                   তারাতে মেশামেশি!
দুই দণ্ড চাহিয়া
                   আবার চলে যেতে,
মুখখানি লুকাতে
                   উষার আঁচলেতে।
পুরবের একান্তে
                   একটু দিয়ে দেখা,
কী ভাবিয়া তখনি
                   ফিরিতে একা একা।
আজ তুমি দেখেছ
                   চাঁদের কেহ নাই,
স্নেহময়, আপনি
                   এসেছ তুমি তাই!
দেহখানি মিলায়
                   মিলায় বুঝি তার!
হাসিটুকু রহে না
                   রহে না বুঝি আর!
দুই দণ্ড পরে তো
                   রবে না কিছু হায়!
কোথা তুমি, কোথায়
                   চাঁদের ক্ষীণকায়!
কোলাহল তুলিয়া
                   গরবে আসে দিন,
দুটি ছোটো প্রাণের
                   লিখন হবে লীন।
সুখশ্রমে মলিন
                   চাঁদের একসনে
নবপ্রেম মিলাবে
                   কাহার রবে মনে!
আরো দেখুন
না বাঁচাবে আমায় যদি
Verses
না বাঁচাবে আমায় যদি
              মারবে কেন তবে?
কিসের তরে এই আয়োজন
              এমন কলরবে?
অগ্নিবাণে তূণ যে ভরা,
চরণভরে কাঁপে ধরা,
       জীবনদাতা মেতেছ যে
              মরণ-মহোৎসবে।
বক্ষ আমার এমন ক'রে
              বিদীর্ণ যে কর
উৎস যদি না বাহিরায়
              হবে কেমনতরো?
এই যে আমার ব্যথার খনি
জোগাবে ওই মুকুটমণি--
        মরণ-দুখে জাগাব মোর
              জীবন-বল্লভে।
আরো দেখুন