168 (let the evening)

LET THE evening forgive the mistakes of the day

and thus win peace for herself.

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

পুপুদিদির জন্মদিনে
Verses
যে ছিল মোর ছেলেমানুষ
                     হারিয়ে গেল কোথা--
         পথ ভুলে সে পেরিয়েছিল
                     মরা নদীর সোঁতা।
         হায়, বুড়োমির পাঁচিল তারে
                      আড়াল করল আজ--
         জানি নে কোন্‌ লুকিয়ে-ফেরা
                     বয়স-চোরার কাজ।
         হঠাৎ তোমার জন্মদিনের
                     আঘাত লাগল দ্বারে,
         ডাক দিল সে দূর সেকালের
                     খ্যাপা বালকটারে।
               ছেলেমানুষ আমি
         ডাক শুনে সে এগিয়ে এসে
                     হঠাৎ গেল থামি।
         বললে, শোনো ওগো কিশোরিকা,
               "রবীন্দ্র' নাম কুষ্ঠিতে যার লিখা,
         নামটা সত্য--সত্য শুধু
                     তারিখটা মাত্তর--
         তাই বলে তো বয়সখানা
                     নয়কো ছিয়াত্তর।
         কাঁচা প্রাণের দৃষ্টি যে তার,
                     জগৎটা তার কাঁচা।
         বাঁধে নি তায় খেতাব-লাভের
                     বিষয়-লোভের খাঁচা।
         মনটাতে তার সবুজ রঙে
                     সোনার বরন মেশা।
         বক্ষে রসের তরঙ্গ তার,
                     চক্ষে রূপের নেশা।
         ফাগুন-দিনের হাওয়ার খ্যাপামি যে
               পরানে তার স্বপন বোনে
                     রঙিন মায়ার বীজে।
               ভরসা যদি মেলে
         তোমার লীলার আঙিনাতে
                     ফিরবে হেসে খেলে।
         এই ভুবনের ভোর-বেলাকার গান
               পূর্ণ করে রেখেছে তার প্রাণ।
                     সেই গানেরই সুর
               তোমার নবীন জীবনখানি
                     করবে সুমধুর।
আরো দেখুন
278
Verses
ONE WORD keep for me in thy silence, O World, when I am dead, 'I have loved.'
আরো দেখুন
21
Verses
       ঘাটে বসে আছি আনমনা,
              যেতেছে বহিয়া সুসময়।
       এ বাতাসে তরী ভাসাব না
              তোমা-পানে যদি নাহি বয়।
                             দিন যায় ওগো দিন যায়,
                                    দিনমণি যায় অস্তে।
                             নাহি হেরি বাট, দূরতীরে মাঠ
                                    ধূসর গোধূলিধূলিময়।
ঘরের ঠিকানা হল না গো,
       মন করে তবু যাই-যাই।
ধ্রুবতারা তুমি যেথা জাগ'
       সে দিকের পথ চিনি নাই।
                             এত দিন তরী বাহিলাম,
                                    বাহিলাম তরী যে পথে,
                             শতবার তরী ডুবুডুবু করি
                                    সে পথে ভরসা নাহি পাই।
তীর-সাথে হেরো শত ডোরে
       বাঁধা আছে মোর তরীখান।
রশি খুলে দেবে কবে মোরে,
       ভাসিতে পারিলে বাঁচে প্রাণ।
                             কোথা বুক-জোড়া খোলা হাওয়া,
                                    সাগরের খোলা হাওয়া কই!
                             কোথা মহাগান ভরি দিবে কান,
                                    কোথা সাগরের মহাগান!
আরো দেখুন