175 (death laughs when)

DEATH LAUGHS when the merit of the dead is exaggerated

for it swells his store with more than he can claim.

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

৪২
Verses
৪২
ফুলে ফুলে যবে ফাগুন আত্মহারা
প্রেম যে তখন মোহন মদের ধারা।
কুসুম-ফোটার দিন হলে অবসান
তখন সে প্রেম প্রাণের অন্নপান॥  
আরো দেখুন
রূপকার
Verses
ওরা কি কিছু বোঝে
          যাহারা আনাগোনার পথে
                   ফেরে কত কী খোঁজে?
হেলায় ওরা দেখিয়া যায় এসে বাহির দ্বারে;
                   জীবনপ্রতিমারে
জীবন দিয়ে গড়িছে গুণী, স্বপন দিয়ে নহে।
                   ওরা তো কথা কহে,
সে-সব কথা মূল্যবান জানি,
                   তবু সে নহে বাণী।
রাতের পরে কেটেছ দুখরাত,
                   দিনের পরে দিন,
দারুণ তাপে করেছে তনু ক্ষীণ।
সৃষ্টিকারী বজ্রপাণি যে বিধি নির্মম,
                   বহ্নিতুলিসম
          কল্পনা সে দখিন হাতে যার,
সব-খোয়ানো দীক্ষা তারই নিঠুর সাধনার
                   নিয়েছে ও যে প্রাণে;
নিজেরে ও কি বাঁচাতে কভু জানে?
                   হায় রে রূপকার,
          নাহয় কারো করো নি উপকার--
আপন দায়ে করেছ তুমি নিজেরে অবসান,
          সে লাগি কভু চেয়ো না প্রতিদান।
                   পাঁজরভাঙা কঠিন বেদনার
অংশ নেবে শকতি হেন, বাসনা হেন কার!
বিধাতা যবে এসেছে দ্বারে গিয়েছে কর হানি,
          জাগে নি তবু, শোনে নি ডাক যারা,
সে প্রেম তারা কেমনে দিবে আনি
          যে প্রেম সব-হারা--
করুণ চোখে যে প্রেম দেখে ভুল,
          সকল ত্রুটি জানে
                   তবু যে অনুকূল,
          শ্রদ্ধা যার তবু না হার মানে।
কখনো যারা দেয় নি হাতে হাত,
          মর্মমাঝে করে নি আঁখিপাত,
                   প্রবল প্রেরণায়
                             দিল না আপনায়,
                   তাহারে কয়ে কথা,
ছড়ায় পথে বাধা ও বিফলতা,
                   করে না ক্ষমা কভু--
                             তুমি তাদের ক্ষমা করিয়ো তবু।
                   হায় গো রূপকার,
ভরিয়া দিয়ো জীবন-উপহার।
          চুকিয়ে দিয়ো তোমার দেয়,
রিক্ত হাতে চলিয়া যেয়ো,
          কোরো না দাবি ফলের অধিকার।
জানিয়ো মনে চিরজীবন সহায়হীন কাজে
          একটি সাথি আছেন হিয়ামাঝে;
                   তাপস তিনি, তিনিও সদা একা,
          তাহার কাজ ধ্যানের রূপ বাহিরে মেলে দেখা।
আরো দেখুন
বৈশাখ
Verses
হে ভৈরব, হে রুদ্র বৈশাখ!
ধুলায় ধূসর রুক্ষ উড্ডীন পিঙ্গল জটাজাল,
তপঃক্লিষ্ট তপ্ত তনু, মুখে তুলি বিষাণ ভয়াল
            কারে দাও ডাক
        হে ভৈরব, হে রুদ্র বৈশাখ!
        ছায়ামূর্তি যত অনুচর
দগ্ধতাম্র দিগন্তের কোন্‌ ছিদ্র হতে ছুটে আসে!
কী ভীষ্ম অদৃশ্য নৃত্যে মাতি উঠে মধ্যাহ্ন-আকাশে
            নিঃশব্দ প্রখর
         ছায়ামূর্তি তব অনুচর!
        মত্তশ্রমে শ্বসিছে হুতাশ।
রহি রহি দহি দহি উগ্রবেগে উঠিছে ঘুরিয়া,
আবর্তিয়া তৃণপর্ণ, ঘূর্ণচ্ছন্দে শূন্যে আলোড়িয়া
            চূর্ণরেণুরাশ
        মত্তশ্রমে শ্বসিছে হুতাশ।
        দীপ্তচক্ষু হে শীর্ণ সন্ন্যাসী,
পদ্মাসনে বস আসি রক্তনেত্র তুলিয়া ললাটে,
শুষ্কজল নদীতীরে শস্যশূন্য তৃষাদীর্ণ মাঠে
            উদাসী প্রবাসী--
        দীপ্তচক্ষু হে শীর্ণ সন্ন্যাসী!
        জ্বলিতেছে সম্মুখে তোমার
লোলুপ চিতাগ্নিশিখা, লেহি লেহি বিরাট অম্বর,
নিখিলের পরিত্যক্ত মৃতস্তূপ বিগত বৎসর
            করি ভস্মসার।
        চিতা জ্বলে সম্মুখে তোমার।
        হে বৈরাগী, করো শান্তিপাঠ।
উদার উদাস কণ্ঠ যাক ছুটে দক্ষিণে ও বামে,
যাক নদী পার হয়ে, যাক চলি গ্রাম হতে গ্রামে,
            পূর্ণ করি মাঠ।
        হে বৈরাগী, করো শান্তিপাঠ।
        সকরুণ তব মন্ত্রসাথে
মর্মভেদী যত দুঃখ বিস্তারিয়া যাক বিশ্ব-'পরে,
ক্লান্ত কপোতের কণ্ঠে, ক্ষীণ জাহ্নবীর শ্রান্তস্বরে,
            অশ্বত্থছায়াতে--
        সকরুণ তব মন্ত্রসাথে।
        দুঃখ সুখ আশা ও নৈরাশ
তোমার ফুৎকারলুব্ধ ধুলা-সম উড়ুক গগনে,
ভ'রে দিক নিকুঞ্জের স্খলিত ফুলের গন্ধসনে
            আকুল আকাশ--
        দুঃখ সুখ আশা ও নৈরাশ।
        তোমার গেরুয়া বস্ত্রাঞ্চল
দাও পাতি নভস্তলে, বিশাল বৈরাগ্যে আবরিয়া
জরা মৃত্যু ক্ষুধা তৃষ্ণা, লক্ষকোটি নরনারী-হিয়া
            চিন্তায় বিকল।
        দাও পাতি গেরুয়া অঞ্চল।
        ছাড়ো ডাক, হে রুদ্র বৈশাখ!
ভাঙিয়া মধ্যাহ্নতন্দ্রা জাগি উঠি বাহিরিব দ্বারে,
চেয়ে রব প্রাণীশূন্য দগ্ধতৃণ দিগন্তের পারে
            নিস্তব্ধ নির্বাক।
        হে ভৈরব, হে রুদ্র বৈশাখ!
আরো দেখুন