162 (child thou bringest)

CHILD, THOU, bringest to my heart

the babble of the wind and the water,

the flowers' speechless secrets, the clouds' dreams,

the mute gaze of wonder of the morning sky.

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

জন্মান্তর
Verses
আমি       ছেড়েই দিতে রাজি আছি
                        সুসভ্যতার আলোক,
আমি       চাই না হতে নববঙ্গে
                        নব যুগের চালক।
আমি       নাই বা গেলেম বিলাত,
নাই বা    পেলেম রাজার খিলাত,
যদি        পরজন্মে পাই রে হতে
                        ব্রজের রাখাল বালক
তবে       নিবিয়ে দেব নিজের ঘরে
                        সুসভ্যতার আলোক।
যারা       নিত্য কেবল ধেনু চরায়
                        বংশীবটের তলে,
যারা       গুঞ্জা ফুলের মালা গেঁথে
                        পরে পরায় গলে,
যারা       বৃন্দাবনের বনে
সদাই      শ্যামের বাঁশি শোনে,
যারা       যমুনাতে ঝাঁপিয়ে পড়ে
                        শীতল কালো জলে--
যারা       নিত্য কেবল ধেনু চরায়
                        বংশীবটের তলে।
"ওরে       বিহান হল, জাগো রে ভাই'
                        ডাকে পরস্পরে।
ওরে       ওই-যে দধি-মন্থ-ধ্বনি
                        উঠল ঘরে ঘরে।
হেরো      মাঠের পথে ধেনু
চলে       উড়িয়ে গো-খুর-রেণু,
হেরো      আঙিনাতে ব্রজের বধূ
                        দুগ্ধ দোহন করে।
"ওরে       বিহান হল, জাগো রে ভাই'
                        ডাকে পরস্পরে।
ওরে       শাঙন-মেঘের ছায়া পড়ে
                        কালো তমাল-মূলে,
ওরে       এপার ওপার আঁধার হল
                        কালিন্দীরই কূলে।
ঘাটে       গোপাঙ্গনা ডরে
কাঁপে      খেয়া তরীর 'পরে,
হেরো      কুঞ্জবনে নাচে ময়ূর
                        কলাপখানি তুলে।
ওরে       শাঙন-মেঘের ছায়া পড়ে
                        কালো তমাল-মূলে।
মোরা      নবনবীন ফাগুন-রাতে
                        নীল নদীর তীরে
কোথা     যাব চলি অশোকবনে
                        শিখিপুচ্ছ শিরে।
যবে        দোলার ফুলরশি
দিবে       নীপশাখায় কষি
যবে        দখিন-বায়ে বাঁশির ধ্বনি
                        উঠবে আকাশ ঘিরে
মোরা      রাখাল মিলে করব মেলা
                        নীল নদীর তীরে।
আমি       হব না ভাই নববঙ্গে
                        নবযুগের চালক,
আমি       জ্বালাব না আঁধার দেশে
                        সুসভ্যতার আলোক।
যদি        ননীছানার গাঁয়ে
কোথাও   অশোক-নীপের ছায়ে
আমি       কোনো জন্মে পারি হতে
                        ব্রজের গোপবালক
তবে       চাই না হতে নববঙ্গে
                        নবযুগের চালক।
আরো দেখুন
Freedom
Verses
FREEDOM FROM fear is the freedom I claim for you, my Motherland!-fear, the phantom demon, shaped by your own distorted dreams;
Freedom from the burden of ages, bending your head, breaking your back, blinding your eyes to the beckoning call of the future;
Freedom from shackles of slumber wherewith you fasten yourself to night's stillness, mistrusting the star that speaks of truth's adventurous path;
Freedom from the anarchy of destiny, whose sails are weakly yielded to blind uncertain winds, and the helm to a hand ever rigid and cold as Death;
Freedom from the insult of dwelling in a puppet's world, where movements are started through brainless wires, repeated through mindless habits; where figures wait with patient obedience for a master of show to be stirred into a moment's mimicry of life.
আরো দেখুন
নয়
Verses
ভালোবেসে মন বললে--
"আমার সব রাজত্ব দিলেম তোমাকে।"
অবুঝ ইচ্ছাটা করলে অত্যুক্তি;
দিতে পারবে কেন?
সবটার নাগাল পাব কেমন ক'রে?
ও যে একটা মহাদেশ,
সাত সমুদ্রে বিচ্ছিন্ন।
ওখানে বহুদূর নিয়ে একা বিরাজ করছে
নির্বাক্‌ অনতিক্রমণীয়।
তার মাথা উঠেছে মেঘে-ঢাকা পাহাড়ের চূড়ায়,
তার পা নেমেছে আঁধারে-ঢাকা গহ্বরে।
এ যেন অগম্য গ্রহ এই আমার সত্তা,
বাষ্প-আবরণে ফাঁক পড়েছে কোণে কোণে,
দুরবীনের সন্ধান সেইটুকুতেই।
যাকে বলতে পারি আমার সবটা,
তার নাম দেওয়া হয়নি,
তার নকশা শেষ হবে কবে?
তার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ব্যবহারের সম্পর্ক হবে কার?
নামটা রয়েছে যে-পরিচয়টুকু নিয়ে,
টুকরো-জোড়া দেওয়া তার রূপ,
অনাবিষ্কৃতের প্রান্ত থেকে সংগ্রহ-করা।
চারিদিকে ব্যর্থ ও সার্থক কামনার
আলোয় ছায়ায় বিকীর্ণ আকাশ।
সেখান থেকে নানা বেদনার রঙিন ছায়া নামে
চিত্তভূমিতে;
হাওয়ায় লাগে শীত বসন্তের ছোঁওয়া;
সেই অদৃশ্য চঞ্চল লীলা
কার কাছেই বা স্পষ্ট হল?
ভাষার অঞ্জলিতে
কে ধরতে পারে তাকে?
জীবনভূমির এক প্রান্ত দৃঢ় হয়েছে
কর্মবৈচিত্র৻ের বন্ধুরতায়,
আর একপ্রান্তে অচরিতার্থ সাধনা
বাষ্প হয়ে মেঘায়িত হল শূন্যে,
মরীচিকা হয়ে আঁকছে ছবি।
এই ব্যক্তিজগৎ মানবলোকে দেখা দিল
জন্মমৃত্যুর সংকীর্ণ সংগমস্থলে।
তার আলোকহীন প্রদেশে
বৃহৎ অগোচরতায় পুঞ্জিত আছে
আত্মবিস্মৃত শক্তি,
মূল্য পায়নি এমন মহিমা,
অনঙ্কুরিত সফলতার বীজ মাটির তলায়।
সেখানে আছে ভীরুর লজ্জা,
প্রচ্ছন্ন আত্মাবমাননা,
অখ্যাত ইতিহাস,
আছে আত্মাভিমানের
ছদ্মবেশের বহু উপকরণ,--
সেখানে নিগূঢ় নিবিড় কালিমা
অপেক্ষা করছে মৃত্যুর হাতের মার্জনা।
এই অপরিণত অপ্রকাশিত আমি,
এ কার জন্যে, এ কিসের জন্যে?
যা নিয়ে এল কত সূচনা, কত ব্যঞ্জনা,
বহু বেদনায় বাঁধা হতে চলল যার ভাষা,
পৌঁছল না যা বাণীতে,
তার ধ্বংস হবে অকস্মাৎ নিরর্থকতার অতলে,
সইবে না সৃষ্টির এই ছেলেমানুষি।
অপ্রকাশের পর্দা টেনেই কাজ করেন গুণী;
ফুল থাকে কুঁড়ির অবগুণ্ঠনে,
শিল্পী আড়ালে রাখেন অসমাপ্ত শিল্পপ্রয়াসকে;
কিছু কিছু আভাস পাওয়া যায়,
নিষেধ আছে সমস্তটা দেখতে পাওয়ার পথে।
আমাতে তাঁর ধ্যান সম্পূর্ণ হয়নি,
তাই আমাকে বেষ্টন ক'রে এতখানি নিবিড় নিস্তব্ধতা।
তাই আমি অপ্রাপ্য, আমি অচেনা;
অজানার ঘেরের মধ্যে এ সৃষ্টি রয়েছে তাঁরি হাতে,
কারো চোখের সামনে ধরবার সময় আসেনি,
সবাই রইল দূরে,--
যারা বললে, "জানি", তারা জানল না।
আরো দেখুন