37 (do not leave me and)

DO NOT LEAVE me and go, for it is night.

The road through the wilderness is lonely and dark and lost in tangles:

The tired earth lies still, like one blind and without a staff.

I seem to have waited for this moment for ages to light my lamp and cull my flowers.

I have reached the brink of the shoreless sea to take my plunge and lose myself for ever.

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

প্রলাপ ৩
Verses
আয় লো প্রমদা! নিঠুর ললনে
          বার বার বল্‌ কী আর বলি!
মরমের তলে লেগেছে আঘাত
          হৃদয় পরাণ উঠেছে জ্বলি!
আর বলিব না এই শেষবার
          এই শেষবার বলিয়া লই
মরমের তলে জ্বলেছে আগুন
          হৃদয় ভাঙিয়া গিয়াছে সই!
পাষাণে গঠিত সুকুমার ফুল!
          হুতাশনময়ী দামিনী বালা!
অবারিত করি মরমের তল
          কহিব তোরে লো মরম জ্বালা!
কতবার তোরে কহেছি ললনে!
          দেখায়েছি খুলে হৃদয় প্রাণ!
মরমের ব্যথা,হৃদয়ের কথা,
          সে-সব কথায় দিস্‌ নি কান।
কতবার সখি বিজনে বিজনে
          শুনায়েছি তোরে প্রেমের গান,
প্রেমের আলাপক প্রেমের প্রলাপ
          সে-সব প্রলাপে দিস্‌ নি কান!
কতবার সখি! নয়নের জল
          করেছি বর্ষণ চরণতলে!
প্রতিশোধ তুই দিস্‌ নিকো তার
          শুধু এক ফোঁটা নয়নজলে!
শুধা ওলো বালা! নিশার আঁধারে
          শুধা ওলো সখি! আমার রেতে
আঁখিজল কত করেছে গোপন
          মর্ত্য পৃথিবীর নয়ন হতে!
শুধা ওলো বালা নিশার বাতাসে
          লুটিতে আসিয়া ফুলের বাস
হৃদয়ে বহন করেছে কিনা সে--
          নিরাশ প্রেমীর মরম শ্বাস!
সাক্ষী আছ ওগো তারকা চন্দ্রমা!
          কেঁদেছি যখন মরম শোকে--
হেসেছে পৃথিবী, হেসেছে জগৎ
          কটাক্ষ করিয়া হেসেছে লোকে!
সহেছি সে-সব তোর তরে সখি!
          মরমে মরমে জ্বলন্ত জ্বালা !
তুচ্ছ করিবারে পৃথিবী জগতে
          তোমারি তরে লো শিখেছি বালা!
মানুষের হাসি তীব্র বিষমাখা
          হৃদয় শোণিত করেছে ক্ষয়!
তোমারি তরে লো সহেছি সে-সব
          ঘৃণা উপহাস করেছি জয়!
কিনিতে হৃদয় দিয়েছি হৃদয়
          নিরাশ হইয়া এসেছি ফিরে;
অশ্রু মাগিবারে দিয়া অশ্রুজল
          উপেক্ষিত হয়ে এয়েছি ফিরে।
কিছুই চাহি নি পৃথিবীর কাছে-
          প্রেম চেয়েছিনু ব্যাকুল মনে।
সে বাসনা যবে হল না পূরণ
          চলিয়া যাইব বিজন বনে!
তোর কাছে বালা এই শেষবার
          ফেলিল সলিল ব্যাকুল হিয়া
ভিখারি হইয়া যাইব লো চলে
          প্রেমের আশায় বিদায় দিয়া !
সেদিন যখন ধন, যশ, মান,
          অরির চরণে দিলাম ঢালি
সেইদিন আমি ভেবেছিনু মনে
          উদাস হইয়া যাইব চলি।
তখনো হায় রে একটি বাঁধনে
          আবদ্ধ আছিল পরাণ দেহ।
সে দৃঢ় বাঁধন ভেবেছিনু মনে
          পারিবে না আহা ছিঁড়িতে কেহ!
আজ ছিঁড়িয়াছে, আজ ভাঙিয়াছে,
          আজ সে স্বপন গিয়াছে চলি।
প্রেম  ব্রত আজ করি উদ্‌যাপন
          ভিখারি হইয়া যাইব চলি!
পাষাণের পটে ও মূরতিখানি
          আঁকিয়া হৃদয়ে রেখেছি তুলি
গরবিনি! তোর ওই মুখখানি
          এ জনমে আর যাব না ভুলি!
মুছিতে নারিব এ জনমে আর
          নয়ন হইতে নয়নবারি
যতকাল ওই ছবিখানি তোর
          হৃদয়ে রহিবে হৃদয় ভরি।
কী করিব বালা মরণের জলে
          ওই ছবিখানি মুছিতে হবে!
পৃথিবীর লীলা ফুরাইবে আজ,
          আজিকে ছাড়িয়া যাইব ভবে!
এ ভাঙা হৃদয় কত সবে আর!
          জীর্ণ প্রাণ কত সহিবে জ্বালা!
মরণের জল ঢালিয়া অনলে
          হৃদয় পরাণ জুড়াল বালা!
তোরে সখি এত বাসিতাম ভালো
          খুলিয়া দেছিনু হৃদয়তল
সে-সব ভাবিয়া ফেলিবি না বালা
          শুধু এক ফোঁটা নয়ন জল?
আকাশ হইতে দেখি যদি বালা
          নিঠুর ললনে! আমার তরে
এক ফোঁটা আহা নয়নের জল
          ফেলিস্‌ কখনো বিষাদভরে!
সেই নেত্রজলে-- এক বিন্দু জলে
          নিভায়ে ফেলিব হৃদয় জ্বালা!
প্রদোষে বসিয়া প্রদোষ তারায়
          প্রেম গান সুখে করিব বালা!
আরো দেখুন
5
Verses
সজনি সজনি রাধিকা লো
দেখ অবহুঁ চাহিয়া,
মৃদুলগম শ্যাম আওয়ে
মৃদুল গান গাহিয়া।
পিনহ ঝটিত কুসুমহার,
পিনহ নীল আঙিয়া।
সুন্দরী সিন্দূর দেকে
সীঁথি করহ রাঙিয়া।
সহচরি সব নাচ নাচ
মিলন-গীতি গাও রে,
চঞ্চল মঞ্জীর-রাব
কুঞ্জগগন ছাও রে।
সজনি অব উজার মঁদির
কনকদীপ জ্বালিয়া,
সুরভি করহ কুঞ্জভবন
গন্ধসলিল ঢালিয়া।
মল্লিকা চমেলী বেলি
কুসুম তুলহ বালিকা,
গাঁথ যূথি, গাঁথ জাতি,
গাঁথ বকুল-মালিকা।
তৃষিতনয়ন ভানুসিংহ
কুঞ্জপথম চাহিয়া
মৃদুল গমন শ্যাম আওয়ে,
মৃদুল গান গাহিয়া।
আরো দেখুন
পোড়ো বাড়ি
Verses
চারি দিকে কেহ নাই, একা ভাঙা বাড়ি,
  সন্ধ্যে বেলা ছাদে বসে ডাকিতেছে কাক।
নিবিড় আঁধার, মুখ বাড়ায়ে রয়েছে
  যেথা আছে ভাঙা ভাঙা প্রাচীরের ফাঁক।
পড়েছে সন্ধ্যার ছায়া অশথের গাছে,
  থেকে থেকে শাখা তার উঠিছে নড়িয়া।
ভগ্ন শুষ্ক দীর্ঘ এক দেবদারু তরু
  হেলিয়া ভিত্তির 'পরে রয়েছে পড়িয়া।
আকাশেতে উঠিয়াছে আধখানি চাঁদ,
  তাকায় চাঁদের পানে গৃহের আঁধার।
প্রাঙ্গণে করিয়া মেলা উর্ধ্বমুখ হয়ে
  চন্দ্রালোকে শৃগালেরা করিছে চীৎকার।
শুধাই রে, ওই তোর ঘোর স্তব্ধ ঘরে
  কখনো কি হয়েছিল বিবাহ-উৎসব?
কোনো রজনীতে কি রে ফুল্ল দীপালোকে
  উঠেছিল প্রমোদের নৃত্যগীত রব?
হোথায় কি প্রতি দিন সন্ধ্যা হয়ে এলে
  তরুণীরা সন্ধ্যাদীপ জ্বালাইয়া দিত?
মায়ের কোলেতে শুয়ে চাঁদেরে দেখিয়া
  শিশুটি তুলিয়া হাত ধরিতে চাহিত?
বালকেরা বেড়াত কি কোলাহল করি?
  আঙিনায় খেলিত কি কোনো ভাইবোন?
মিলে মিশে স্নেহে প্রেমে আনন্দে উল্লাসে
  প্রতিদিবসের কাজ হত সমাপন?
কোন্‌ ঘরে কে ছিল রে! সে কি মনে আছে?
  কোথায় হাসিত বধূ শরমের হাস--
বিরহিণী কোন্‌ ঘরে কোন্‌ বাতায়নে
  রজনীতে একা বসে ফেলিত নিশ্বাস?
যেদিন শিয়রে তোর অশথের গাছ
  নিশীথের বাতাসেতে করে মর্‌ মর্‌,
ভাঙা জানালার কাছে পশে অতি ধীরে
  জাহ্নবীর তরঙ্গের দূর কলস্বর--
সে রাত্রে কি তাদের আবার পড়ে মনে
  সেই সব ছেলেদের সেই কচি মুখ--
কত স্নেহময়ী মাতা তরুণ তরুণী
  কত নিমেষের কত ক্ষুদ্র সুখ দুখ?
মনে পড়ে সেই সব হাসি আর গান--
  মনে পড়ে--কোথা তারা, সব অবসান!
আরো দেখুন