বন (bon )

শ্যামল সুন্দর সৌম্য, হে অরণ্যভূমি,

মানবের পুরাতন বাসগৃহ তুমি।

নিশ্চল নির্জীব নহ সৌধের মতন--

তোমার মুখশ্রীখানি নিত্যই নূতন

প্রাণে প্রেমে ভাবে অর্থে সজীব সচল।

তুমি দাও ছায়াখানি, দাও ফুল ফল,

দাও বস্ত্র, দাও শয্যা, দাও স্বাধীনতা;

নিশিদিন মর্মরিয়া কহ কত কথা

অজানা ভাষার মন্ত্র; বিচিত্র সংগীতে

গাও জাগরণগাথা; গভীর নিশীথে

পাতি দাও নিস্তব্ধতা অঞ্চলের মতো

জননীবক্ষের; বিচিত্র হিল্লোলে কত

খেলা কর শিশুসনে; বৃদ্ধের সহিত

কহ সনাতন বাণী বচন-অতীত।

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

14
Verses
THE MYSTERY of creation is like the darkness of nightit is great. Delusions of knowledge are like the fog of the morning.
আরো দেখুন
126
Verses
নিরুদ্যম অবকাশ শূন্য শুধু,
       শান্তি তাহা নয়--
যে কর্মে রয়েছে সত্য
       তাহাতে শান্তির পরিচয়।
আরো দেখুন
বিচিত্র সাধ
Verses
আমি যখন পাঠশালাতে যাই
    আমাদের এই বাড়ির গলি দিয়ে,
দশটা বেলায় রোজ দেখতে পাই
    ফেরিওলা যাচ্ছে ফেরি নিয়ে।
"চুড়ি চা--ই, চুড়ি চাই' সে হাঁকে,
চীনের পুতুল ঝুড়িতে তার থাকে,
যায় সে চলে যে পথে তার খুশি,
    যখন খুশি খায় সে বাড়ি গিয়ে।
দশটা বাজে, সাড়ে দশটা বাজে,
    নাইকো তাড়া হয় বা পাছে দেরি।
ইচ্ছে করে সেলেট ফেলে দিয়ে
    অম্‌নি করে বেড়াই নিয়ে ফেরি।
আমি যখন হাতে মেখে কালি
    ঘরে ফিরি, সাড়ে চারটে বাজে,
কোদাল নিয়ে মাটি কোপায় মালী
    বাবুদের ওই ফুল-বাগানের মাঝে।
কেউ তো তারে মানা নাহি করে
কোদাল পাছে পড়ে পায়ের 'পরে।
গায়ে মাথায় লাগছে কত ধুলো,
    কেউ তো এসে বকে না তার কাজে।
মা তারে তো পরায় না সাফ জামা,
    ধুয়ে দিতে চায় না ধুলোবালি।
ইচ্ছে করে আমি হতেম যদি
    বাবুদের ওই ফুল-বাগানের মালী।
একটু বেশি রাত না হতে হতে
       মা আমারে ঘুম পাড়াতে চায়।
  জানলা দিয়ে দেখি চেয়ে পথে
       পাগড়ি প'রে পাহারওলা যায়।
  আঁধার গলি, লোক বেশি না চলে,
  গ্যাসের আলো মিট্‌মিটিয়ে জ্বলে,
  লণ্ঠনটি ঝুলিয়ে নিয়ে হাতে
       দাঁড়িয়ে থাকে বাড়ির দরজায়।
  রাত হয়ে যায় দশটা এগারোটা
       কেউ তো কিছু বলে না তার লাগি।
  ইচ্ছে করে পাহারওলা হয়ে
       গলির ধারে আপন মনে জাগি।
আরো দেখুন