২২ (nogodhirajer dur nebu nikunjer)

নগাধিরাজের দূর নেবু-নিকুঞ্জের

রসপাত্রগুলি

আনিল এ শয্যাতলে

জনহীন প্রভাতের রবির মিত্রতা,

অজানা নির্ঝরিণীর

বিচ্ছুরিত আলোকচ্ছটার

হিরন্ময় লিপি,

সুনিবিড় অরণ্যবীথির

নিঃশব্দ মর্মরে বিজড়িত

স্নিগ্ধ হৃদয়ের দৌত্যখানি।

রোগপঙ্গু লেখনীর বিরল ভাষার

ইঙ্গিতে পাঠায় কবি আর্শীবাদ তার।

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

যাবার মুখে
Verses
যাক এ জীবন,
যাক নিয়ে যাহা টুটে যায়, যাহা
          ছুটে যায়, যাহা
ধুলি হয়ে লোটে ধুলি'-পরে, চোরা
          মৃত্যুই যার অন্তরে, যাহা
                   রেখে যায় শুধু ফাঁক।
যাক এ জীবন পুঞ্জিত তার জঞ্জাল নিয়ে যাক।
          টুকরো যা থাকে ভাঙা পেয়ালার,
          ফুটো সেতারের সুরহারা তার,
                   শিখা-নিবে-যাওয়া বাতি,
          স্বপ্নশেষের ক্লান্তি-বোঝাই রাতি-
                   নিয়ে যাক যত দিনে-দিনে জমা-করা
                             প্রবঞ্চনায়-ভরা
                   নিষ্ফলতার সযত্ন সঞ্চয়।
কুড়ায়ে ঝাঁটায়ে মুছে নিয়ে যাক, নিয়ে যাক শেষ করি
          ভাঁটার স্রোতের শেষ-খেয়া-দেওয়া তরী।
নিঃশেষ যবে হয় যত কিছু ফাঁকি
          তবুও যা রয় বাকি-
                   জগতের সেই
          সকল-কিছুর অবশেষেতেই
          কাটায়েছি কাল যত অকাজের বেলায়।
মন-ভোলাবার অকারণ গানে কাজ ভোলাবার খেলায়।
          সেখানে যাহারা এসেছিল মোর পাশে
          তারা কেহ নয়, তারা কিছু নয় মানুষের ইতিহাসে।
শুধু অসীমের ইশারা তাহারা এনেছে আঁখির কোণে,
          অমরাবতীর নৃত্যনূপুর বাজিয়ে গিয়েছে মনে।
দখিনহাওয়ার পথ দিয়ে তারা উঁকি মেরে গেছে দ্বারে,
কোনো কথা দিয়ে তাদের কথা যে বুঝাতে পারি নি কারে।
          রাজা মহারাজা মিলায় শূন্যে ধুলার নিশান তুলে,
          তারা দেখা দিয়ে চলে যায় যবে ফুটে ওঠে ফুলে ফুলে।
                   থাকে নাই থাকে কিছুতেই নেই ভয়,
          যাওয়ায় আসায় দিয়ে যায় ওরা নিত্যের পরিচয়।
                   অজানা পথের নামহারা ওরা লজ্জা দিয়েছে মোরে
          হাটে বাটে যবে ফিরেছি কেবল নামের বেসাতি করে।
          আমার দুয়ারে আঙিনায় ধারে ওই চামেলির লতা
                   কোনো দুর্দিনে করে নাই কৃপণতা।
          ওই-যে শিমূল, ওই-যে সজিনা, আমারে বেঁধেছে ঋণে-
                   কত-যে আমার পাগলামি-পাওয়া দিনে
কেটে গেছে বেলা শুধু চেয়ে-থাকা মধুর মৈতালিতে,
          নীল আকাশের তলায় ওদের সবুজ বৈতালিতে।
          সকালবেলার প্রথম আলোয় বিকালবেলার ছায়ায়
          দেহপ্রাণমন ভরেছে সে কোন্‌ অনাদি কালের মায়ায়।
                   পেয়েছি ওদের হাতে
          দুরজননের আদিপরিচয় এই ধরণীর সাথে।
অসীম আকাশে যে প্রাণ-কাঁপন অসীম কালের বুকে
          নাচে অবিরাম, তাহারি বারতা শুনেছি ওদের মুখে।
                   যে মন্ত্রখানি পেয়েছি ওদের সুরে
          তাহার অর্থ মৃত্যুর সীমা ছাড়ায়ে গিয়েছে দূরে।
                   সেই সত্যেরই ছবি
          তিমিরপ্রান্তে চিত্তে আমার এনেছে প্রভাতরবি।
          সে রবিরে চেয়ে কবির সে বাণী আসে অন্তরে নামি-
"যে আমি রয়েছে তোমার আমায় সে আমি আমারি আমি'।
          সে আমি সকল কালে,  
          সে আমি সকল খানে,
প্রেমের পরশে সে অসীম আমি বেজে ওঠে মোর গানে।
          যায় যদি তবে যাক
          এল যদি শেষ ডাক-
অসীম জীবনে এ ক্ষীণ জীবন শেষ রেখা এঁকে যাক,
                   মৃত্যুতে ঠেকে যাক।
যাক নিয়ে যাহা টুটে যায়, যাহা
                   ছুটে যায়, যাহা
          ধুলি হয়ে লুটে ধুলি-'পরে, চোরা
                   মৃত্যুই যার অন্তরে, যাহা
                   রেখে যায় শুধু ফাঁক-
                             যাক নিয়ে তাহা, যাক এ জীবন, যাক।
আরো দেখুন
118
Verses
IN THE ENDLESS paths of the world;
among numberless activities,
her nature is scattered
with all that is unattained in her and incomplete.
By the sick-bed around one eager aim
she appears as a new vision
complete in her being,
where all the goodness of all things
becomes centred in her,
in her touch, in her sleepless anxious eyes.
আরো দেখুন
15
Verses
YOUR SPEECH is simple, my Master, but not theirs who talk of you.
I understand the voice of your stars and the silence of your trees.
I know that my heart would open like a flower; that my life has filled itself at a hidden fountain.
Your songs, like birds from the lonely land of snow, are winging to build their nests in my heart against the warmth of its April, and I am content to wait for the merry season.
আরো দেখুন